চরচা ডেস্ক

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ভাতা দ্রুত পরিশোধের ব্যাপারে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, প্রয়োজনীয় তহবিল পাওয়া গেলে আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সব আটকে থাকা আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
আজ রোববার সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী এসব বলেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
সংসদে বাংলাদেশ জামায়াত-ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেসের (গাইবান্ধা-৫) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের কাছে প্রায় ৬৭ হাজার অবসর ভাতার আবেদন পেন্ডিং (বিবেচনাধীন) রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বা কর্মচারী গড়ে প্রায় ১৩ লাখ টাকা করে অবসর সুবিধা পেয়ে থাকেন।
শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পেন্ডিং থাকা সব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রায় ৮ হাজার ৭১০ কোটি টাকার প্রয়োজন। অথচ বর্তমানে অবসর তহবিলে রয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, ফলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৪১০ কোটি টাকা।
সংসদকে তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে প্রায় ৪৫ হাজার আবেদন পেন্ডিং হয়ে আছে। এই আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করতে এককালীন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।
মিলন বলেন, নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে বেশ কিছু প্রশাসনিক সংস্কারও হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার সিস্টেম পুনরায় সক্রিয় করা, জনবল বৃদ্ধি, অনলাইন সেবার পরিধি বাড়ানো এবং আইবিএএস++ আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করা।
শিক্ষামন্ত্রী মিলন সংসদে বলেন, “যদি প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ পাওয়া যায়, তবে বর্তমানে পেন্ডিং থাকা সব অবসর ভাতার আবেদন আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।”
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা যাতে অবসরে যাওয়ার তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যেই তাদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পেয়ে যান, তা নিশ্চিত করা।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ভাতা দ্রুত পরিশোধের ব্যাপারে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, প্রয়োজনীয় তহবিল পাওয়া গেলে আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সব আটকে থাকা আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
আজ রোববার সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী এসব বলেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
সংসদে বাংলাদেশ জামায়াত-ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেসের (গাইবান্ধা-৫) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের কাছে প্রায় ৬৭ হাজার অবসর ভাতার আবেদন পেন্ডিং (বিবেচনাধীন) রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বা কর্মচারী গড়ে প্রায় ১৩ লাখ টাকা করে অবসর সুবিধা পেয়ে থাকেন।
শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পেন্ডিং থাকা সব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রায় ৮ হাজার ৭১০ কোটি টাকার প্রয়োজন। অথচ বর্তমানে অবসর তহবিলে রয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, ফলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৪১০ কোটি টাকা।
সংসদকে তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে প্রায় ৪৫ হাজার আবেদন পেন্ডিং হয়ে আছে। এই আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করতে এককালীন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।
মিলন বলেন, নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে বেশ কিছু প্রশাসনিক সংস্কারও হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার সিস্টেম পুনরায় সক্রিয় করা, জনবল বৃদ্ধি, অনলাইন সেবার পরিধি বাড়ানো এবং আইবিএএস++ আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করা।
শিক্ষামন্ত্রী মিলন সংসদে বলেন, “যদি প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ পাওয়া যায়, তবে বর্তমানে পেন্ডিং থাকা সব অবসর ভাতার আবেদন আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।”
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা যাতে অবসরে যাওয়ার তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যেই তাদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পেয়ে যান, তা নিশ্চিত করা।

সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে নিজ কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন নিলুফার ইয়াসমিন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।