চরচা প্রতিবেদক

গাজীপুরের শ্রীপুরে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি ও পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন অটোরিকশা চালকেরা। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল ১০টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আজ রোববার সকালে শ্রীপুর উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় ২০০ থেকে ২৫০ জন অটোরিকশাচালক একত্র হয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করে।
এ সময় তারা মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের বৈধ অনুমতি প্রদান এবং অযৌক্তিক পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। অবরোধের কারণে দীর্ঘ যানজটে পড়ে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে থানা-পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। মহাসড়ক থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি ও পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন অটোরিকশা চালকেরা। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল ১০টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আজ রোববার সকালে শ্রীপুর উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় ২০০ থেকে ২৫০ জন অটোরিকশাচালক একত্র হয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করে।
এ সময় তারা মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের বৈধ অনুমতি প্রদান এবং অযৌক্তিক পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। অবরোধের কারণে দীর্ঘ যানজটে পড়ে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে থানা-পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। মহাসড়ক থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।