চরচা প্রতিবেদক

কৃষি খাতকে আধুনিক, টেকসই ও লাভজনক করতে সরকার সময়োপযোগী ৭ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
কৃষক কার্ডে ১০ সেবা মিলবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ১০টি সেবা, যথা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য প্রাপ্তিসহ ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রদান, ইত্যাদি কৃষকগণের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষক ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকে এ কার্ড প্রদান করা হবে।”
সরকারের ৭ দফা পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আধুনিক সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, পতিত জমি চাষের আওতায় আনা, ক্রপ জোনিং চালু, কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ, স্বচ্ছ ভর্তুকি ও সহায়তা, কৃষিঋণ ও ফসল বীমা এবং কৃষিপণ্য সংরক্ষণে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ। পাশাপাশি গবেষণার মাধ্যমে নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন এবং জলবায়ু সহনশীল ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিবাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, “কৃষির উন্নয়নে বর্তমান সরকার আরো অনেকগুলো সময়উপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকার উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ সুষম সার ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সে ব্যবস্থা সম্প্রষণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এইজন্য ইতিমধ্যেই ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি সরকার হাতে নিয়েছে যা ইনশল্লাহ আমরা আগামী পাঁচ বছরে করব। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ভুর্তুকি প্রদান করে ট্রাক্টর হারভেস্টার রিপার সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করার পরিকল্পনা বর্তমান সরকারে হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসনে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে ২৫ লাখের বেশি কৃষক ইতোমধ্যে উপকৃত হয়েছেন। এছাড়া মাটির উর্বরতা বাড়াতে ন্যানো সার ও চুন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কৃষি খাতকে আধুনিক, টেকসই ও লাভজনক করতে সরকার সময়োপযোগী ৭ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
কৃষক কার্ডে ১০ সেবা মিলবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ১০টি সেবা, যথা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য প্রাপ্তিসহ ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রদান, ইত্যাদি কৃষকগণের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষক ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকে এ কার্ড প্রদান করা হবে।”
সরকারের ৭ দফা পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আধুনিক সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, পতিত জমি চাষের আওতায় আনা, ক্রপ জোনিং চালু, কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ, স্বচ্ছ ভর্তুকি ও সহায়তা, কৃষিঋণ ও ফসল বীমা এবং কৃষিপণ্য সংরক্ষণে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ। পাশাপাশি গবেষণার মাধ্যমে নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন এবং জলবায়ু সহনশীল ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিবাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, “কৃষির উন্নয়নে বর্তমান সরকার আরো অনেকগুলো সময়উপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকার উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ সুষম সার ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সে ব্যবস্থা সম্প্রষণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এইজন্য ইতিমধ্যেই ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি সরকার হাতে নিয়েছে যা ইনশল্লাহ আমরা আগামী পাঁচ বছরে করব। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ভুর্তুকি প্রদান করে ট্রাক্টর হারভেস্টার রিপার সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করার পরিকল্পনা বর্তমান সরকারে হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসনে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে ২৫ লাখের বেশি কৃষক ইতোমধ্যে উপকৃত হয়েছেন। এছাড়া মাটির উর্বরতা বাড়াতে ন্যানো সার ও চুন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন।