চরচা প্রতিবেদক

চলতি বছরের মার্চে সারা দেশে রাজনেতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের মার্চের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে ১১৩টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৯১২ জন। মার্চে রাজনৈতিক সহিংসতা তুলনামূলক কমলেও নিহতের সংখ্যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৪৬টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন।
মার্চে সহিংসতার ১১৩টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৪৫টি ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫০১ জন ও নিহত ৯ জন। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ১৬টি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০৯ জন ও নিহত ৫ জন, বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে ২২টি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫৬ জন এবং নিহত হয়েছেন ২ জন।
প্রতিবেদনে মার্চে ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার তথ্য উল্লেখ করে আরও বলা হয়, সারা দেশে ৯টি সহিংসতার ঘটনায় ১০৯ জন আহত হয়েছেন এবং ৩ জন নিহত হয়েছেন।

চলতি বছরের মার্চে সারা দেশে রাজনেতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের মার্চের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে ১১৩টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৯১২ জন। মার্চে রাজনৈতিক সহিংসতা তুলনামূলক কমলেও নিহতের সংখ্যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৪৬টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন।
মার্চে সহিংসতার ১১৩টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৪৫টি ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫০১ জন ও নিহত ৯ জন। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ১৬টি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০৯ জন ও নিহত ৫ জন, বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে ২২টি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫৬ জন এবং নিহত হয়েছেন ২ জন।
প্রতিবেদনে মার্চে ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার তথ্য উল্লেখ করে আরও বলা হয়, সারা দেশে ৯টি সহিংসতার ঘটনায় ১০৯ জন আহত হয়েছেন এবং ৩ জন নিহত হয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।