চরচা প্রতিবেদক

১৮ বছর আগে আয়কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) করা মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দুলু আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দুলুর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এটি হয়রানিমূলক মামলা। এ মামলায় এনবিআরের চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ বিএনপি নেতা দুলুকে মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
২০০৮ সালের ৩ আগস্ট এনবিআরের সহকারী কর কমিশনার হাফিজ আল আসাদ বাদী হয়ে দুলুর বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৮৩ সাল থেকে শুরু করে মোট ২ কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ৫০১ টাকা আয়ের বিপরীতে ১০ লাখ টাকার আয়কর ফাঁকি দিয়েছেন বিএনপি নেতা দুলু। এছাড়া, তার প্রকৃত আয় ও ব্যয় সম্পর্কে আয়কর বিভাগকে ভুল তথ্য দিয়েছেন।

১৮ বছর আগে আয়কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) করা মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দুলু আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দুলুর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এটি হয়রানিমূলক মামলা। এ মামলায় এনবিআরের চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ বিএনপি নেতা দুলুকে মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
২০০৮ সালের ৩ আগস্ট এনবিআরের সহকারী কর কমিশনার হাফিজ আল আসাদ বাদী হয়ে দুলুর বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৮৩ সাল থেকে শুরু করে মোট ২ কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ৫০১ টাকা আয়ের বিপরীতে ১০ লাখ টাকার আয়কর ফাঁকি দিয়েছেন বিএনপি নেতা দুলু। এছাড়া, তার প্রকৃত আয় ও ব্যয় সম্পর্কে আয়কর বিভাগকে ভুল তথ্য দিয়েছেন।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।