চরচা ডেস্ক

ইরানের হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নতুন সময়সীমার মাঝে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পায়।
নতুন দাম অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ৪৪ ডলার বেড়ে ১১১ দশমিক ২১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ডব্লিউটিআই ক্রুড প্রতি ব্যারেলে ২ দশমিক ৩২ ডলার বেড়ে ১১৪ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির ব্রিজ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, সময়সীমার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে ‘তেহরানের ওপর জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের স্থায়ী অবসান প্রয়োজন। একইসঙ্গে তারা প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন চাপের মুখে নতি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে।

ইরানের হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নতুন সময়সীমার মাঝে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পায়।
নতুন দাম অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ৪৪ ডলার বেড়ে ১১১ দশমিক ২১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ডব্লিউটিআই ক্রুড প্রতি ব্যারেলে ২ দশমিক ৩২ ডলার বেড়ে ১১৪ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির ব্রিজ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, সময়সীমার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে ‘তেহরানের ওপর জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের স্থায়ী অবসান প্রয়োজন। একইসঙ্গে তারা প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন চাপের মুখে নতি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনা এবং তেল অবকাঠামোতে হামলা করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।