চরচা প্রতিবেদক

বিনিয়োগ ও উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে খেলাপি ঋণ ও বকেয়া কিস্তির জরিমানা সুদের হার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরিমানা সুদের সর্বোচ্চ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি-১) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৮ মে জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, চলমান বা ডিমান্ড লোনের পুরো বকেয়া অর্থ এবং টার্ম লোনের কিস্তি বকেয়ার ওপর ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ জরিমানা সুদ আদায় করতে পারত।
নতুন সার্কুলারে একই ধরনের ঋণ ও কিস্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা সুদের হার ০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে আগের সার্কুলারের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং উৎপাদন কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ ও উচ্চ ঋণ ব্যয়ের মধ্যে থাকা ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর।
বিকেএমইএ সভাপতি মো. হাতেম বলেন, “জরিমানা সুদ কমানোর ফলে ঋণ নিয়মিত করা সহজ হবে এবং শিল্প উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯(২) (সি) ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন বিআরপিডি-১-এর পরিচালক গাজী মো. মাহফুজুল ইসলাম।

বিনিয়োগ ও উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে খেলাপি ঋণ ও বকেয়া কিস্তির জরিমানা সুদের হার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরিমানা সুদের সর্বোচ্চ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি-১) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৮ মে জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, চলমান বা ডিমান্ড লোনের পুরো বকেয়া অর্থ এবং টার্ম লোনের কিস্তি বকেয়ার ওপর ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ জরিমানা সুদ আদায় করতে পারত।
নতুন সার্কুলারে একই ধরনের ঋণ ও কিস্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা সুদের হার ০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে আগের সার্কুলারের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং উৎপাদন কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ ও উচ্চ ঋণ ব্যয়ের মধ্যে থাকা ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর।
বিকেএমইএ সভাপতি মো. হাতেম বলেন, “জরিমানা সুদ কমানোর ফলে ঋণ নিয়মিত করা সহজ হবে এবং শিল্প উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯(২) (সি) ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন বিআরপিডি-১-এর পরিচালক গাজী মো. মাহফুজুল ইসলাম।