
মন্ত্রী বলেন, “আমি এ বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই, কাঁচাবাজার, ক্ষুদ্র মুদি দোকান এর আওতার বাইরে থাকবে। এটা নিয়ে একটু কনসার্ন ছিল এজন্য আমি জোর দিয়ে বললাম, যে মুদির দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আসবে কিনা এরা করের আওতার বাইরে থাকবে।

আমির খসরু বলেন, “মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট সংকট কি বাড়াবে নাকি কমাবে? অর্থনৈতিক এই সংকট মুহূর্তে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। ১১ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এই বাজেটকে উচ্চাভিলাষী বলছেন বিশ্লেষকেরা।

নতুন বোর্ড কাদের দিয়ে গঠন করা হবে, কে হতে পারেন নতুন চেয়ারম্যান, কারা ঐ তালিকায় জায়গা পাচ্ছেন, কবে নাগাদ নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হবে–সহ নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে গ্রাহক ও ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
১০ জুন (২০২৬) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট আয়োজিত ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি : হুমকিতে দেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভা। ভিডিও: তারিক সজীব

সিপিডিসহ বিভিন্ন মহল থেকে উত্থাপিত সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নয়। বরং করদাতাদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি কমানো এবং কর ব্যবস্থাকে আরও বাস্তবসম্মত করার একটি পদক্ষেপ।

মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস ও কৃষিপণ্যসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, কোন শ্রেণী, পেশা, ধর্ম, বর্ণ কেউ এই বাজেটের আওতার বাইরে এখন আছে বলে আমি মনে করি না।”

আগামী অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে এনবিআরের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস হতে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সব স্তরের সিগারেটে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সরকার।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ তথ্য বলছে, মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আরও বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ শীর্ষক বাজেটে আগামী অর্থবছরের জন্য মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, সে লক্ষ্য অর্জনের ধারের কাছেও পৌঁছানো যায়নি। বরং মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, সে লক্ষ্য অর্জনের ধারের কাছেও পৌঁছানো যায়নি। বরং মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।