
দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের ঋণ প্রদানের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।

ঋণের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে গভর্নর বলেন, “প্রকল্পটি শুরুতে ৪ শতাংশ সুদে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পেলেও পরবর্তীতে সুদের হার বাড়িয়ে ৯ থেকে ১১ শতাংশ করা হয়। এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে কিস্তি পরিশোধে কিছু বিলম্ব হয়েছিল। তবে সেটিকে বড় ধরনের খেলাপি ঋণ হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।”

খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি না এলে আগামী প্রান্তিকগুলোতে ব্যাংকগুলোর মুনাফা, মূলধন সক্ষমতা এবং সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর আরও বলেন, “অবিলম্বে শেখ হাসিনার দোসর ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলমকে অপসারণ করতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের কোনো কোনা কাঞ্চিতে এই ফ্যাসিস্টের দোসরকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।”

ডিজিটাল ঋণ বাংলাদেশের আর্থিক খাতের জন্য একটি বড় বাঁকবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটি যেমন ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারে, তেমনি অনিয়ন্ত্রিত হলে নতুন ধরনের আর্থিক সংকটও তৈরি করতে পারে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরিমানা সুদের সর্বোচ্চ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরে দুর্বল এনবিএফআইগুলো নিয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনা চলছিল। গত বছর ২০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

চরচার সঙ্গে চলমান রাজনীতির নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মুহাম্মদ আবদুল মান্নান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব ব্যাংকে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেসব ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে আলোচনা করা হচ্ছে। কোন কোন বাধায় ঋণ আদায় ব্যাহত হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কর্মপরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।

সমস্যায় ভারাক্রান্ত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় দায়িত্ব নিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। তবে সামগ্রিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত ব্যাংকিং খাত এখন তিনটি গভীর সংকটে আবদ্ধ—বিপুল খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার এবং কাঙ্ক্ষিত সুশাসনের অভাব।

চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ।

তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেন। এই সিদ্ধান্তের পর দুই প্রার্থী সৌজন্য সাক্ষাৎও করেন।