রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ আজ শনিবার তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যৌথ বাহিনী টহল অব্যাহত রেখেছে।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এ অবরোধের ডাক দিয়েছে। তাদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (সন্তু গ্রুপ) সশস্ত্র সদস্যদের অবিলম্বে এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সাজেকে অবস্থানরত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।
এদিকে, শনিবার সাজেকের উজ্জোবাজারে গোলাগুলির ঘটনার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সাজেকে চলমান আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভোর ৫টা থেকে অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দেয়।
শনিবার ভোরে বিক্ষোভকারীরা জেলা শহরের দক্ষিণ খবংপুরিয়া এলাকায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জ্বলন্ত টায়ার সরিয়ে যান চলাচলের জন্য সড়কটি উন্মুক্ত করে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সাজেক উপত্যকায় আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় সরিয়ে নেওয়া হয়। সে সময় এলাকায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছিল।
অভিযোগ রয়েছে, পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়ার সময় সশস্ত্র সদস্যরা পর্যটক ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ওপর গুলি চালিয়েছিল।