চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। টানা দুই সপ্তাহের উত্তেজনার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি রপ্তানি দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকের নিচে থাকতে পারে এমন আশঙ্কাই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানায়, দাম বাড়ার ধারা শুরু হয় ৭ জুলাই। ওই দিন হরমুজ প্রণালির কাছে কাতারের একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ এবং সৌদি আরবের পতাকাবাহী একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার হামলার শিকার হয়। এর পরপরই জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বাড়িয়ে সতর্কতা জারি করে সংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। ওই দিন লেনদেন শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৭৩ দশমিক ৮৫ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
২০ জুলাই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ৭৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ওঠে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ দশমিক ৬৮ ডলারে।
এদিকে রোববার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র চারটি জাহাজ চলাচল করেছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল আটটি। জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
এসপিআই অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিশ্লেষক স্টিফেন ইনেস বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, “বাজার এখন একই সঙ্গে দুটি পরস্পরবিরোধী বাস্তবতার মুখোমুখি।”
স্টিফেন ইনেস বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির চাপ কমছে এবং শ্রমবাজারও কিছুটা দুর্বল হচ্ছে, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। তবে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম যদি দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকে, তাহলে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। এর প্রভাব পড়বে পরিবারের ব্যয়ের ওপর এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধীর হয়ে যেতে পারে।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। টানা দুই সপ্তাহের উত্তেজনার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি রপ্তানি দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকের নিচে থাকতে পারে এমন আশঙ্কাই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানায়, দাম বাড়ার ধারা শুরু হয় ৭ জুলাই। ওই দিন হরমুজ প্রণালির কাছে কাতারের একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ এবং সৌদি আরবের পতাকাবাহী একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার হামলার শিকার হয়। এর পরপরই জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বাড়িয়ে সতর্কতা জারি করে সংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। ওই দিন লেনদেন শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৭৩ দশমিক ৮৫ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
২০ জুলাই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ৭৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ওঠে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ দশমিক ৬৮ ডলারে।
এদিকে রোববার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র চারটি জাহাজ চলাচল করেছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল আটটি। জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
এসপিআই অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিশ্লেষক স্টিফেন ইনেস বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, “বাজার এখন একই সঙ্গে দুটি পরস্পরবিরোধী বাস্তবতার মুখোমুখি।”
স্টিফেন ইনেস বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির চাপ কমছে এবং শ্রমবাজারও কিছুটা দুর্বল হচ্ছে, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। তবে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম যদি দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকে, তাহলে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। এর প্রভাব পড়বে পরিবারের ব্যয়ের ওপর এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধীর হয়ে যেতে পারে।”