আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে সপরিবারে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
১৫ আগস্টের সেই রাতে হত্যা করা হয় শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল; শেখ মুজিবুর রহমানের একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে।
সেসময় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এসেছে দিনটি। বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজও নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পতনের আগে টানা ১৫ বছর দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ও ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দিবসটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। পরে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারও ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।