
নির্বাচনের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট–দলের সুদিনে বিএনপির বাইরে থাকা বিদ্রোহী নেতাদের বড় অংশ আবারও পুরনো পতাকার নিচে ফিরতে চান। এখন অপেক্ষা শুধু হাইকমান্ডের সবুজ সংকেতের।

শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে সরকারের কোনো ভাষ্য পাওয়া যায় না। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২১ সালে বিএনপি মূলত গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের দাবিতে আন্দোলন করছিল। তাই তাদের কাছে ভাষণটি প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

দীর্ঘদিন ধরেই গোপালগঞ্জ ছিল আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’। এখান থেকেই পরে বাংলাদেশের সবচেয়ে লম্বা সময়ের প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। আর শেখ মুজিবুর রহমান এই গোপালগঞ্জেরই সন্তান।

বাংলাদেশে বামপন্থী রাজনীতির ভবিষ্যৎ কী? অনেক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দিলেও শেষ পর্যন্ত কেন তারা ফসল ঘরে তুলতে পারেনি? ১৯৭১–এর পর শেখ মুজিবকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে কী তারা ভুল করেছিল? সিপিবি, বাসদসহ দলগুলো কী ভাবছে? দেড় দশক ধরে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হলেও গণঅভ্যুত্থানের পর নেতৃত্ব কেন নিতে পারেনি?