চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রিমান্ডের আবেদন না থাকায় তাকে আদালতে উঠানো হয়নি।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়, গতকাল রোববার বিকেলে উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, “সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।”
এ ঘটনায় মিমোর বাবা মো. গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনও হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রিমান্ডের আবেদন না থাকায় তাকে আদালতে উঠানো হয়নি।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়, গতকাল রোববার বিকেলে উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, “সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।”
এ ঘটনায় মিমোর বাবা মো. গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনও হতে পারে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।