চলতি অক্টোবর মাসে দেশে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। সংগঠনটি বলেছে, সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং যৌন নিপীড়ন ও হয়রানি প্রায় ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ শনিবার এমএসএফের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
এমএসএফ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনা ৬৯টি থেকে বেড়ে ৭০টি হয়েছে। অন্যদিকে, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ১০টি থেকে কমে ৪টি এবং ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ৩৬টি থেকে কমে ৩৪টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে উদ্বেগজনকভাবে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ১২টি থেকে বেড়ে ২১টিতে এবং যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা ১৬টি থেকে বেড়ে ২৫টিতে পৌঁছেছে।
একই সময়ে বলাৎকারের ঘটনা ৭টি থেকে বেড়ে ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া হত্যার ঘটনা ৮০ থেকে বেড়ে ৮৪টি এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ৫২ থেকে বেড়ে ৫৩টি হয়েছে। বিপরীতে, আত্মহত্যার ঘটনা ৩৫টি থেকে কমে ৩০টি এবং অপহরণ ও নিখোঁজের ঘটনা ২৭টি থেকে কমে ১৪টিতে দাঁড়িয়েছে।
এমএসএফের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অক্টোবরে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনা আগের মাসের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বরে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা ছিল ৩৫৪টি, যা অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৭টিতে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মোট ঘটনা ৩টি বা প্রায় শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবর মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৬৯টি থেকে বেড়ে ৭০টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা সেপ্টেম্বরে ১২টি থাকলেও অক্টোবরে বেড়ে ২১টিতে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে বলাৎকারের ঘটনা ৭টি থেকে বেড়ে ১০টি এবং যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা ১৬টি থেকে বেড়ে ২৫টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে, ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ১০টি থেকে কমে ৪টিতে দাঁড়িয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাও ৩৬টি থেকে কমে ৩৪টি হয়েছে।
এমএসএফ আরও বলেছে, অক্টোবর মাসে শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ৫২টি থেকে বেড়ে ৫৩টি এবং হত্যার ঘটনা ৮০টি থেকে বেড়ে ৮৪টিতে দাঁড়িয়েছে। সেইসঙ্গে অক্টোবর মাসে শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ৫২টি থেকে বেড়ে ৫৩টি এবং হত্যার ঘটনা ৮০টি থেকে বেড়ে ৮৪টিতে দাঁড়িয়েছে।
এমএসএফের পরামর্শ, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌন সহিংসতা মতো অপরাধ প্রতিরোধে কেবল আইন প্রয়োগ নয়, বরং অপরাধের মূল কারণ অনুসন্ধান, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, দ্রুত বিচার, সামাজিক সচেতনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।