পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। আজ বৃহস্পতিবার এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’।
এই অনুমোদনের পর এখন রিঅ্যাক্টরে একটি স্থিতিশীল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হবে। এর মাধ্যমে রিঅ্যাক্টর একটি স্থির অবস্থা থেকে সক্রিয় অপারেশনাল পারমাণবিক স্থাপনায় রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রবেশ করবে।
বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান চরচাকে বলেন, “যেকোনো পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রর জন্য ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ পর্যায়ে পৌঁছানো একটি বড় মাইলফলক। এই পর্যায়ে আসতে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে হয়। রূপপুর এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।”
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমনের সেফটি ভালভের (পিওআরভি/পিওএসভি) জটিলতার কারণে অনুমোদনটি আটকে ছিল। রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসে নানা কৌশলে সেই সমস্যার সমাধান করেছে এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় এটি উত্তীর্ণ হয়। এর ফলে আগামী ডিসেম্বরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তবে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযুক্ত করার আগে বায়েরার আরও দুটি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। প্রকল্পটির উপর সার্বক্ষণিক নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ)।