চরচা ডেস্ক

তীব্র গরম উপেক্ষা করে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে দ্বিতীয় দিনের দিনেও তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লাতে মানুষের ঢল নেমেছে। স্থানীয় সময় আজ রোববার আলি খামেনির ছেলে মাসউদ, মেইসাম ও মোস্তাফা জানাজায় অংশ নিয়েছেন। তবে নিরাপত্তার কারণে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি অংশ নেননি।
বার্তা সংস্থা এপির বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমদ ওয়াহিদিও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। তবে খামেনির ছেলে এবং ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নিরাপত্তাজনিত কারণে জানাজায় অংশ নেননি। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাকে হত্যার হুমকি থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
রোববার ভোর থেকেই আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জনসমাগম হতে শুরু করে। এ সময় অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। পাশাপাশি তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দেন এবং খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা। তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস বিশেষ হিমাগারে সংরক্ষণের পর, গত বৃহস্পতিবার তার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়।
সেখানে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা শেষে তার নিহত আত্মীয়দের মরদেহসহ কফিনটি ইরাকের নাজাফ-কারবালা হয়ে ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে দাফন করা হবে।

তীব্র গরম উপেক্ষা করে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে দ্বিতীয় দিনের দিনেও তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লাতে মানুষের ঢল নেমেছে। স্থানীয় সময় আজ রোববার আলি খামেনির ছেলে মাসউদ, মেইসাম ও মোস্তাফা জানাজায় অংশ নিয়েছেন। তবে নিরাপত্তার কারণে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি অংশ নেননি।
বার্তা সংস্থা এপির বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমদ ওয়াহিদিও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। তবে খামেনির ছেলে এবং ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নিরাপত্তাজনিত কারণে জানাজায় অংশ নেননি। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাকে হত্যার হুমকি থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
রোববার ভোর থেকেই আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জনসমাগম হতে শুরু করে। এ সময় অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। পাশাপাশি তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দেন এবং খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা। তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস বিশেষ হিমাগারে সংরক্ষণের পর, গত বৃহস্পতিবার তার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়।
সেখানে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা শেষে তার নিহত আত্মীয়দের মরদেহসহ কফিনটি ইরাকের নাজাফ-কারবালা হয়ে ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে দাফন করা হবে।