চরচা প্রতিবেদক

বয়স হয়ে গেছে ৩৯, আগের মত মাঠে দাপিয়ে বেড়াতে তাই আর দেখা যায় না লিওনেল মেসিকে। তবে অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে তিনি এখন পায়চারি করতেই করতেই সাজিয়ে নেন আক্রমণের পরিকল্পনা। পুরো ম্যাচে নিস্প্রভ থাকলেও অল্প কয়েকটি মুহূর্তেই তাই মিশরের বিপক্ষে পার্থক্য গড়ে দিতে একটুও সমস্যা হয়নি আর্জেন্টিইন তারকার।
মিশরের বিপক্ষে শেষ ১৬-এর টানটান উত্তেজনার ম্যাচে মেসি আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর একটি অ্যাসিস্টও আসে তার পা থেকে। তবে খালি চোখে যা দেখা যায় না, তা হল আর্জেন্টিনার দুটি গোলে আগে-পরে মেসি এমন কিছু করেছেন, যা শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয়ে রেখেছে বড় অবদান। আর এসব করতে তার লেগেছে মাত্র চার মিনিট উনিশ সেকেন্ড বা ২৫৯ সেকেন্ড।
প্রথম চ্যাপ্টার : অ্যাসিস্ট (৭৯ মিনিট)
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম ৭৮ মিনিট বিবেচনা করলে মেসি উপহার দিয়েছিলেন অন্যতম বাজে একটি পারফরম্যান্স। আসরে দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস করে শুরুতেই নষ্ট করেন এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ। এরপর সাবেক বার্সেলোনা তারকার একের পর এক পাস প্রতিপক্ষ আটকে দিচ্ছিল। তার ড্রিবলগুলোও বক্সের মুখেই থেমে গেছে বারবার। দূরপাল্লার শট লক্ষ্যেও রাখতে পারছিলেন না। সেই গতিও নেই, যেন বয়সের ছাপটা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।
মিশর তাই ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে আর্জেন্টিনার ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা ক্রমেই শেষ করে দিচ্ছিল। তবে মেসির মত একজন কিংবদন্তি মাঠে যতক্ষণ আছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিছুই শেষ বলে ধরে নেওয়া যায় না। একটি কর্নার নিলেন, ক্লিয়ার হয়ে গেল। রিবাউন্ড থেকে নেওয়া ক্রসও আটকে গেল। নিজেই বল কুড়িয়ে থ্রো-ইন নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন ডান দিকেই।
কারণ, মেসির মাথায় ততক্ষণে মিশরের কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলা রক্ষণভাগের ফাঁকফোকর স্পষ্ট হয়ে গেছে। ১৫ সেকেন্ড বাদে পায়ে বল আসতেই সামনে থাকা ডিফেন্ডারকে বোকা বানালেন দৌড়ের আভাস দিয়ে। তাতেই তৈরি হল কিছুটা ফাঁকা জায়গা। ব্যস, মেসির জন্য তো এই যথেষ্ট ইতিহাস গড়ার সূচনা করতে।
সেখান থেকেই এক ঝলকে বক্সের মধ্যে সতীর্থদের দেখে বাঁ-পায়ের নিখুত ক্রসে খুঁজে নিলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে। ছয় গজ বক্সের সামনে থেকে বাকি কাজ সারতে আর ভুল হয়নি তার। সম্ভাব্য একটা ফ্লপ ম্যাচের দুয়ার থেকে বিশ্ব ফুটবলের সেরা প্লেমেকারদের একজন সূচনা করলেন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প।
দ্বিতীয় চ্যাপ্টার : ক্রস (৮২ মিনিট)
ফুটবল মাঠে কিছু মুহূর্ত থাকে, যখন বড় তারকারা এমন সব কাজ করেন, সেটাই বলে দেয় ম্যাচটা তারই হতে যাচ্ছে। আপনি যত ভালোই খেলুন, কৌশল যত নিখুঁতভাবে সাজান বা যত জমাট রক্ষণই করুন না কেন, কিংবদন্তি খেলোয়াড়রা যদি সিদ্ধান্ত নেন ম্যাচটা নিজের করে নেবেন, তখন এসবের কিছুই আর কাজে দেয় না।
৮২তম মিনিটে মেসি ঠিক সেটাই করেছেন। ডান প্রান্তে বল পেয়ে সময়কে পেছনে ফেলে ক্ষণিকের জন্য চলে যান সেই ২০১১ সালে। প্রথম টাচেই ট্রেজেগুকে ছিটকে দিয়ে চোখের পলকে শরীর ঘুরিয়ে যে গতিতে ছুটে যান সামনের দিকে। ৩৯ বছরের মেসি যেন মুহূর্তেই ২৪ বছরের তরুণ বনে গেছেন।
বলটা যেন আঠার মত লেগে গেল মেসির পায়ে। ট্রেজেগু বারবার জার্সি ধরে টানার চেষ্টা করলেন, তবে তিনি তো থামবার নন। দুর্বার গতিতে তাকে ছিটকে ফেলে ডানদিক দিয়ে আক্রমণে গেলেন। করিম হাফেজ এগিয়ে গিয়ে মেসিকে আটকানোর চেষ্টা করলেন, তবে তাকে ঠেলে বেরিয়ে যান তিনি।
অসাধারণ ভারসাম্য আর শারীরিক শক্তি দিয়ে বলটা নিয়ন্ত্রণেই রাখলেন। হাফেজ এরপর চেষ্টা করেছিলেন একটা ট্যাকল করারও। তবে সেটা এড়িয়ে প্রায় গোললাইনের কাছে গিয়ে সোজা বল দিলেন লাউতারো মার্তিনেজের দিকে। হেড থেকে লাউতারো গোল করতে পারেননি আর।
তবে সেটা তখন আর গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। মিশরের খেলোয়াড়দের চোখেমুখে দুশ্চিন্তা স্পষ্ট দৃশ্যমান। গোল হয়নি, মেসি অ্যাসিস্টও করতে পারেননি। তবে মিশর দলের কাছে বার্তাটা পৌঁছে গিয়েছিল। আর তা হল, মেসি হাজির হয়েছেন তার সেরা ছন্দে। তিনি এখন পুরোপুরি জেগে উঠেছেন।
তৃতীয় চ্যাপ্টার : সেই গোল (৮৩ মিনিট)
গোল, রেকর্ড আর শিরোপার মাঝে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, মেসি ঠিক কেন মেসি হয়েছেন। মাঠে তার শান্ত স্বভাব, বিনয়ী আচরণ দেখে আমরা মুগ্ধ হই। আর মাঠে তার ধীর হেঁটে বেড়ানো দেখে মনে হয়, যেন খেলায় তিনি থেকেও যেন নেই। যা অনেকের চোখ এড়িয়ে যায়, তা হল মেসির জয়ের অদম্য ক্ষুধা।
ডান দিকে প্রথমে তার ক্রস আটকে গেলেও একটুও দমে যাননি। ফের বল নিয়ে ক্রস বাড়ান বক্সে। সেটা ডিফ্লেক্ট হয়ে দূরের পোস্টে গেলে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক যেন আগেই বুঝে যান, বলটা গোলের সামনে তার কাছেই আসবে। তাই সঙ্গে সঙ্গেই বক্সে প্রবেশ করেন।
সেটা টের পেয়ে গনসালো মন্তিয়েল কোনোমতে বলটি আলতো ছোঁয়ায় মেসির দিকেই বাড়িয়ে দিলেন। এরপর কি করতে হবে, তা মেসির চেয়ে ভালো আর কেইবা জানেন। মিশর খেলোয়াড়দের জটলার মধ্যেও ডান পায়ের ওপর ভর দিয়ে শরীর ঘুরিয়ে বাম পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে ভলিতে নিলেন রকেট গতির শট, যা ক্রসবারে লেগে ঢুকে যায় জালে। দুর্দান্ত সব সেভ করা মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শুবাইর বলটি আটকানোর সুযোগই পাননি।
একটা অ্যাসিস্ট, একটা গোল, একটা ক্রস, একটি দৌড় - সব মাত্র ২৫৯ সেকেন্ড। এতেই ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটে সব আলো নিজের করে নিলেন মেসি। জয়সূচক গোলটি এনজো ফার্নান্দেস করলেও আর্জেন্টিনাকে এই ম্যাচে ফিরিয়ে আনার কৃতিত্ব একজনেরই - লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।

বয়স হয়ে গেছে ৩৯, আগের মত মাঠে দাপিয়ে বেড়াতে তাই আর দেখা যায় না লিওনেল মেসিকে। তবে অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে তিনি এখন পায়চারি করতেই করতেই সাজিয়ে নেন আক্রমণের পরিকল্পনা। পুরো ম্যাচে নিস্প্রভ থাকলেও অল্প কয়েকটি মুহূর্তেই তাই মিশরের বিপক্ষে পার্থক্য গড়ে দিতে একটুও সমস্যা হয়নি আর্জেন্টিইন তারকার।
মিশরের বিপক্ষে শেষ ১৬-এর টানটান উত্তেজনার ম্যাচে মেসি আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর একটি অ্যাসিস্টও আসে তার পা থেকে। তবে খালি চোখে যা দেখা যায় না, তা হল আর্জেন্টিনার দুটি গোলে আগে-পরে মেসি এমন কিছু করেছেন, যা শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয়ে রেখেছে বড় অবদান। আর এসব করতে তার লেগেছে মাত্র চার মিনিট উনিশ সেকেন্ড বা ২৫৯ সেকেন্ড।
প্রথম চ্যাপ্টার : অ্যাসিস্ট (৭৯ মিনিট)
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম ৭৮ মিনিট বিবেচনা করলে মেসি উপহার দিয়েছিলেন অন্যতম বাজে একটি পারফরম্যান্স। আসরে দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস করে শুরুতেই নষ্ট করেন এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ। এরপর সাবেক বার্সেলোনা তারকার একের পর এক পাস প্রতিপক্ষ আটকে দিচ্ছিল। তার ড্রিবলগুলোও বক্সের মুখেই থেমে গেছে বারবার। দূরপাল্লার শট লক্ষ্যেও রাখতে পারছিলেন না। সেই গতিও নেই, যেন বয়সের ছাপটা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।
মিশর তাই ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে আর্জেন্টিনার ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা ক্রমেই শেষ করে দিচ্ছিল। তবে মেসির মত একজন কিংবদন্তি মাঠে যতক্ষণ আছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিছুই শেষ বলে ধরে নেওয়া যায় না। একটি কর্নার নিলেন, ক্লিয়ার হয়ে গেল। রিবাউন্ড থেকে নেওয়া ক্রসও আটকে গেল। নিজেই বল কুড়িয়ে থ্রো-ইন নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন ডান দিকেই।
কারণ, মেসির মাথায় ততক্ষণে মিশরের কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলা রক্ষণভাগের ফাঁকফোকর স্পষ্ট হয়ে গেছে। ১৫ সেকেন্ড বাদে পায়ে বল আসতেই সামনে থাকা ডিফেন্ডারকে বোকা বানালেন দৌড়ের আভাস দিয়ে। তাতেই তৈরি হল কিছুটা ফাঁকা জায়গা। ব্যস, মেসির জন্য তো এই যথেষ্ট ইতিহাস গড়ার সূচনা করতে।
সেখান থেকেই এক ঝলকে বক্সের মধ্যে সতীর্থদের দেখে বাঁ-পায়ের নিখুত ক্রসে খুঁজে নিলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে। ছয় গজ বক্সের সামনে থেকে বাকি কাজ সারতে আর ভুল হয়নি তার। সম্ভাব্য একটা ফ্লপ ম্যাচের দুয়ার থেকে বিশ্ব ফুটবলের সেরা প্লেমেকারদের একজন সূচনা করলেন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প।
দ্বিতীয় চ্যাপ্টার : ক্রস (৮২ মিনিট)
ফুটবল মাঠে কিছু মুহূর্ত থাকে, যখন বড় তারকারা এমন সব কাজ করেন, সেটাই বলে দেয় ম্যাচটা তারই হতে যাচ্ছে। আপনি যত ভালোই খেলুন, কৌশল যত নিখুঁতভাবে সাজান বা যত জমাট রক্ষণই করুন না কেন, কিংবদন্তি খেলোয়াড়রা যদি সিদ্ধান্ত নেন ম্যাচটা নিজের করে নেবেন, তখন এসবের কিছুই আর কাজে দেয় না।
৮২তম মিনিটে মেসি ঠিক সেটাই করেছেন। ডান প্রান্তে বল পেয়ে সময়কে পেছনে ফেলে ক্ষণিকের জন্য চলে যান সেই ২০১১ সালে। প্রথম টাচেই ট্রেজেগুকে ছিটকে দিয়ে চোখের পলকে শরীর ঘুরিয়ে যে গতিতে ছুটে যান সামনের দিকে। ৩৯ বছরের মেসি যেন মুহূর্তেই ২৪ বছরের তরুণ বনে গেছেন।
বলটা যেন আঠার মত লেগে গেল মেসির পায়ে। ট্রেজেগু বারবার জার্সি ধরে টানার চেষ্টা করলেন, তবে তিনি তো থামবার নন। দুর্বার গতিতে তাকে ছিটকে ফেলে ডানদিক দিয়ে আক্রমণে গেলেন। করিম হাফেজ এগিয়ে গিয়ে মেসিকে আটকানোর চেষ্টা করলেন, তবে তাকে ঠেলে বেরিয়ে যান তিনি।
অসাধারণ ভারসাম্য আর শারীরিক শক্তি দিয়ে বলটা নিয়ন্ত্রণেই রাখলেন। হাফেজ এরপর চেষ্টা করেছিলেন একটা ট্যাকল করারও। তবে সেটা এড়িয়ে প্রায় গোললাইনের কাছে গিয়ে সোজা বল দিলেন লাউতারো মার্তিনেজের দিকে। হেড থেকে লাউতারো গোল করতে পারেননি আর।
তবে সেটা তখন আর গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। মিশরের খেলোয়াড়দের চোখেমুখে দুশ্চিন্তা স্পষ্ট দৃশ্যমান। গোল হয়নি, মেসি অ্যাসিস্টও করতে পারেননি। তবে মিশর দলের কাছে বার্তাটা পৌঁছে গিয়েছিল। আর তা হল, মেসি হাজির হয়েছেন তার সেরা ছন্দে। তিনি এখন পুরোপুরি জেগে উঠেছেন।
তৃতীয় চ্যাপ্টার : সেই গোল (৮৩ মিনিট)
গোল, রেকর্ড আর শিরোপার মাঝে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, মেসি ঠিক কেন মেসি হয়েছেন। মাঠে তার শান্ত স্বভাব, বিনয়ী আচরণ দেখে আমরা মুগ্ধ হই। আর মাঠে তার ধীর হেঁটে বেড়ানো দেখে মনে হয়, যেন খেলায় তিনি থেকেও যেন নেই। যা অনেকের চোখ এড়িয়ে যায়, তা হল মেসির জয়ের অদম্য ক্ষুধা।
ডান দিকে প্রথমে তার ক্রস আটকে গেলেও একটুও দমে যাননি। ফের বল নিয়ে ক্রস বাড়ান বক্সে। সেটা ডিফ্লেক্ট হয়ে দূরের পোস্টে গেলে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক যেন আগেই বুঝে যান, বলটা গোলের সামনে তার কাছেই আসবে। তাই সঙ্গে সঙ্গেই বক্সে প্রবেশ করেন।
সেটা টের পেয়ে গনসালো মন্তিয়েল কোনোমতে বলটি আলতো ছোঁয়ায় মেসির দিকেই বাড়িয়ে দিলেন। এরপর কি করতে হবে, তা মেসির চেয়ে ভালো আর কেইবা জানেন। মিশর খেলোয়াড়দের জটলার মধ্যেও ডান পায়ের ওপর ভর দিয়ে শরীর ঘুরিয়ে বাম পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে ভলিতে নিলেন রকেট গতির শট, যা ক্রসবারে লেগে ঢুকে যায় জালে। দুর্দান্ত সব সেভ করা মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শুবাইর বলটি আটকানোর সুযোগই পাননি।
একটা অ্যাসিস্ট, একটা গোল, একটা ক্রস, একটি দৌড় - সব মাত্র ২৫৯ সেকেন্ড। এতেই ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটে সব আলো নিজের করে নিলেন মেসি। জয়সূচক গোলটি এনজো ফার্নান্দেস করলেও আর্জেন্টিনাকে এই ম্যাচে ফিরিয়ে আনার কৃতিত্ব একজনেরই - লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।

দীর্ঘদিন ধরেই তুরস্ক ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক হুমকি ও কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। তবে ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই বৈরিতা চরম রূপ ধারণ করেছে, যা বর্তমানে প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক মহলে এখন তুরস্ককে ইরানের সমপর্যায়ের প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল ব্যবধান কমানো এআইয়ের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণের আরেকটি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য স্বশিক্ষণক্ষম এই প্রযুক্তিতে নিশ্চিত প্রবেশাধিকার। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে সব এআই ডেটা সেন্টার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিচালিত হওয়া উচিত বলে জোর দেন জাতিসংঘ মহাসচিব।