চরচা ডেস্ক

ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ও আমেরিকা। এ হামলার জবাবে বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান। আজ শনিবার এ হামলা শুরু হয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি হুমকি দূর করার জন্য তারা হামলা শুরু করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য হলো ইরানি শাসকগোষ্ঠীর হুমকি দূর করে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা।
আমেরিকা, ইসরায়েল নাকি ইরান, কে বেশি শক্তিশালী– সে প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।
গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্সে প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। দেশটির স্কোর ০.০৬৯৯।
আমেরিকার বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ সামরিক সেবার জন্য উপযুক্ত। দেশটির সক্রিয় সেনার সংখ্যা ১৩ লাখ ২৮ হাজার জন। রিজার্ভ ফোর্স রয়েছে ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ জন। আধাসামরিক বাহিনীরয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার জন।
আকাশপথে আমেরিকার ধারেকাছেও কোনো দেশ নেই। তাদের বিমান বহর সংখ্যা এবং প্রযুক্তিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

আমেরিকার মোট উড়োজাহাজ রয়েছে ১৩ হাজার ২০০ জন। যুদ্ধবিমান রয়েছে ১ হাজার ৮৫০-এর বেশি। হেলিকপ্টার রয়েছে এক হাজারের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন ও বিশেষ মিশন বিমান রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার। আমেরিকার স্থল বাহিনী মূলত উচ্চ প্রযুক্তির আর্মার এবং আর্টিলারির ওপর নির্ভরশীল। দেশটির কাছে ট্যাংক রয়েছে ৪ হাজার ৬৫০টি। সাঁজোয়া যান রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। সেলফ-প্রপেলড আর্টিলারি ১৫ শর বেশি ও রকেট প্রজেক্ট রয়েছে ৬৯০-এর বেশি।
সমুদ্রপথে আধিপত্য বিস্তারে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী বা এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি। এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার রয়েছে ১১টি। সাবমেরিন রয়েছে ৬৪টি। ডেস্ট্রয়ার রয়েছে ৯২টি। মোট নৌযান রয়েছে ৪৭০-এর বেশি।
আমেরিকার সামরিক শক্তির মূল ভিত্তি তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট। তাদের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ৮৩১ বিলিয়ন ডলার (এটি বিশ্বের পরবর্তী ১০টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি)।
সেনাবাহিনীর জনবলের দিক থেকে ইসরায়েলের চেয়ে ইরান অনেক এগিয়ে। দেশটির সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার, যা ইসরায়েলের সক্রিয় বাহিনীর তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। ইসরায়েলের সক্রিয় সেনাবাহিনী রয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার জন। তবে ইসরায়েলের মূল শক্তি তাদের ৪ লাখ ৬৫ হাজারের বিশাল রিজার্ভ ফোর্স। ইসরায়েলের সামরিক ডকট্রিন মূলত দ্রুত সমাবেশ এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সংখ্যাতাত্ত্বিক ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
আকাশপথে ইসরায়েলের আধিপত্য প্রশ্নাতীত। তাদের ৬০০-এর বেশি বিমানের বহরে রয়েছে অত্যাধুনিক ২৪০টি যুদ্ধবিমান এবং শক্তিশালী নজরদারি ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে, ইরানের কাছে ৫৫০-এর বেশি বিমান থাকলেও তার একটি বড় অংশ পুরোনো আমলের। তবে ইরান এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রোগ্রামে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, যা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত।
স্থলযুদ্ধের ক্ষেত্রে ইরানের ট্যাংক (প্রায় দুই হাজার) ও সাঁজোয়া যানের সংখ্যা ইসরায়েলের চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষ করে ইরানের ১৫ শর বেশি মোবাইল রকেট লঞ্চার যেকোনো বড় আকারের আক্রমণ প্রতিহতের ক্ষমতা রাখে। নৌপথেও ইরানের নৌযানের সংখ্যা বেশি, যা পারস্য উপসাগরে গেরিলা বা অপ্রতিসম যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত। বিপরীতে, ইসরায়েলের নৌবাহিনী ছোট হলেও তাদের সাবমেরিন ও কর্ভেটগুলো অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম সমৃদ্ধ।

সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইসরায়েলের সক্ষমতা ইরানের প্রায় দ্বিগুণ। ইসরায়েলের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট ৩০.৫ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ইরানের বাজেট প্রায় ১৫.৪৫ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল আর্থিক সুবিধার কারণে ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহ ও গবেষণা চালিয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা ইরান মূলত দেশীয় প্রযুক্তিতে সস্তা কিন্তু কার্যকর অস্ত্র তৈরিতে জোর দিয়েছে।
২০২৬ সালের গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ারের সূচকে, ইসরায়েল: ১৫তম (স্কোর: ০.২৭০৭) ও ইরান: ১৬তম (স্কোর: ০.৩১৯৯)
এই র্যাংকিংয়ে দুই দেশ কাছাকাছি থাকলেও ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের সরাসরি অংশীদারিত্ব। সামরিক শক্তিতে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইসরায়েলি জলসীমায় দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে, যা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি পদক্ষেপ।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, উত্তেজনা বৃদ্ধির মুখে ইরান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা থাকলেও দুই দেশই বর্তমানে যেকোনো ধরনের ‘বিধ্বংসী’ পাল্টা হামলার জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ও আমেরিকা। এ হামলার জবাবে বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান। আজ শনিবার এ হামলা শুরু হয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি হুমকি দূর করার জন্য তারা হামলা শুরু করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য হলো ইরানি শাসকগোষ্ঠীর হুমকি দূর করে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা।
আমেরিকা, ইসরায়েল নাকি ইরান, কে বেশি শক্তিশালী– সে প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।
গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্সে প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। দেশটির স্কোর ০.০৬৯৯।
আমেরিকার বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ সামরিক সেবার জন্য উপযুক্ত। দেশটির সক্রিয় সেনার সংখ্যা ১৩ লাখ ২৮ হাজার জন। রিজার্ভ ফোর্স রয়েছে ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ জন। আধাসামরিক বাহিনীরয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার জন।
আকাশপথে আমেরিকার ধারেকাছেও কোনো দেশ নেই। তাদের বিমান বহর সংখ্যা এবং প্রযুক্তিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

আমেরিকার মোট উড়োজাহাজ রয়েছে ১৩ হাজার ২০০ জন। যুদ্ধবিমান রয়েছে ১ হাজার ৮৫০-এর বেশি। হেলিকপ্টার রয়েছে এক হাজারের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন ও বিশেষ মিশন বিমান রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার। আমেরিকার স্থল বাহিনী মূলত উচ্চ প্রযুক্তির আর্মার এবং আর্টিলারির ওপর নির্ভরশীল। দেশটির কাছে ট্যাংক রয়েছে ৪ হাজার ৬৫০টি। সাঁজোয়া যান রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। সেলফ-প্রপেলড আর্টিলারি ১৫ শর বেশি ও রকেট প্রজেক্ট রয়েছে ৬৯০-এর বেশি।
সমুদ্রপথে আধিপত্য বিস্তারে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী বা এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি। এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার রয়েছে ১১টি। সাবমেরিন রয়েছে ৬৪টি। ডেস্ট্রয়ার রয়েছে ৯২টি। মোট নৌযান রয়েছে ৪৭০-এর বেশি।
আমেরিকার সামরিক শক্তির মূল ভিত্তি তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট। তাদের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ৮৩১ বিলিয়ন ডলার (এটি বিশ্বের পরবর্তী ১০টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি)।
সেনাবাহিনীর জনবলের দিক থেকে ইসরায়েলের চেয়ে ইরান অনেক এগিয়ে। দেশটির সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার, যা ইসরায়েলের সক্রিয় বাহিনীর তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। ইসরায়েলের সক্রিয় সেনাবাহিনী রয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার জন। তবে ইসরায়েলের মূল শক্তি তাদের ৪ লাখ ৬৫ হাজারের বিশাল রিজার্ভ ফোর্স। ইসরায়েলের সামরিক ডকট্রিন মূলত দ্রুত সমাবেশ এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সংখ্যাতাত্ত্বিক ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
আকাশপথে ইসরায়েলের আধিপত্য প্রশ্নাতীত। তাদের ৬০০-এর বেশি বিমানের বহরে রয়েছে অত্যাধুনিক ২৪০টি যুদ্ধবিমান এবং শক্তিশালী নজরদারি ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে, ইরানের কাছে ৫৫০-এর বেশি বিমান থাকলেও তার একটি বড় অংশ পুরোনো আমলের। তবে ইরান এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রোগ্রামে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, যা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত।
স্থলযুদ্ধের ক্ষেত্রে ইরানের ট্যাংক (প্রায় দুই হাজার) ও সাঁজোয়া যানের সংখ্যা ইসরায়েলের চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষ করে ইরানের ১৫ শর বেশি মোবাইল রকেট লঞ্চার যেকোনো বড় আকারের আক্রমণ প্রতিহতের ক্ষমতা রাখে। নৌপথেও ইরানের নৌযানের সংখ্যা বেশি, যা পারস্য উপসাগরে গেরিলা বা অপ্রতিসম যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত। বিপরীতে, ইসরায়েলের নৌবাহিনী ছোট হলেও তাদের সাবমেরিন ও কর্ভেটগুলো অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম সমৃদ্ধ।

সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইসরায়েলের সক্ষমতা ইরানের প্রায় দ্বিগুণ। ইসরায়েলের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট ৩০.৫ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ইরানের বাজেট প্রায় ১৫.৪৫ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল আর্থিক সুবিধার কারণে ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহ ও গবেষণা চালিয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা ইরান মূলত দেশীয় প্রযুক্তিতে সস্তা কিন্তু কার্যকর অস্ত্র তৈরিতে জোর দিয়েছে।
২০২৬ সালের গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ারের সূচকে, ইসরায়েল: ১৫তম (স্কোর: ০.২৭০৭) ও ইরান: ১৬তম (স্কোর: ০.৩১৯৯)
এই র্যাংকিংয়ে দুই দেশ কাছাকাছি থাকলেও ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের সরাসরি অংশীদারিত্ব। সামরিক শক্তিতে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইসরায়েলি জলসীমায় দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে, যা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি পদক্ষেপ।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, উত্তেজনা বৃদ্ধির মুখে ইরান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা থাকলেও দুই দেশই বর্তমানে যেকোনো ধরনের ‘বিধ্বংসী’ পাল্টা হামলার জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।