Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

নতুন যুদ্ধের ঝুঁকিতে আফ্রিকা অঞ্চল

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১: ৫১
নতুন যুদ্ধের ঝুঁকিতে আফ্রিকা অঞ্চল

হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চল আবারও যুদ্ধের মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্য ইকনোমিস্ট। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইথিওপিয়ার টাইগ্রে অঞ্চলে তিন বছর আগে যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান হয়েছিল, তা পুনরায় ছড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত মিলছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ও টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ)-এর মধ্যে হওয়া শান্তি চুক্তি এখন কার্যত ভঙ্গের পথে। সীমান্ত এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে এবং ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনী ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। টিপিএলএফ ৭ নভেম্বর অভিযোগ তোলে যে সরকার তাদের বিরুদ্ধে ‘নির্মূল করার কৌশল’ নিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ শুধু টাইগ্রে অঞ্চলের জন্য ক্ষতিকর হবে না, বরং গোটা হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে দেবে, যা বিশ্বে সবচেয়ে বড় সংঘাতের অঞ্চল হয়ে উঠতে পারে।

Ethiopia

আঞ্চলিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে

Advertisement
Advertisement
Advertisement

টাইগ্রে অঞ্চলে আবার যুদ্ধ শুরু হলে তা শুধু ইথিওপিয়ার ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর প্রভাব পড়বে পুরো হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চল জুরে। বর্তমানে এই অঞ্চলটি এমনিতেই নানা সংঘাতে অস্থির। সুদানে চলছে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ। ইরিত্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরশাসনের কারণে সংকটে রয়েছে।

ইথিওপিয়া সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকার ফিরে পেতে চায়। কারণ ১৯৯৩ সালে ইরিত্রিয়া আলাদা দেশ হওয়ার পর থেকে ইথিওপিয়া সাগরপথ হারিয়ে ফেলে। এই দাবি ইরিত্রিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। অনেকে মনে করেন, ইরিত্রিয়ার বন্দরগুলো নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে। এমনকি ইরিত্রিয়ার স্বাধীনতাও হুমকির মুখে পড়তে পারে, যদি পরিস্থিতি ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে রাখা না যায়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে যদি ইরিত্রিয়ান সেনারা টিগ্রের পক্ষে লড়াইয়ে যুক্ত হয়। একদিকে ইথিওপিয়া-টিগ্রে সংঘাত, অন্যদিকে ইথিওপিয়া-ইরিত্রিয়া উত্তেজনা, সব মিলিয়ে পুরো অঞ্চল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই সংঘাতের ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ শরণার্থী হয়ে পড়তে পারে, অস্ত্র পাচার বাড়তে পারে এবং মানবিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

Abiy Ahmed

শক্তিধর দেশগুলোর ভূমিকা

এখনো সময় আছে পুরো পরিস্থিতি ঠিক করার। এর জন্য দরকার আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সক্রিয় ভূমিকা। ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিয়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি ইথিওপিয়াকে রাজনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে। অপরদিকে ইরিত্রিয়া সম্প্রতি মিশরের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি করেছে এবং সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করছে।

এই দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ও পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। পাশাপাশি আবিয় আহমেদ এবং ইরিত্রিয়ার প্রেসিডেন্ট উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইছেন। তাই আমেরিকার পক্ষে এখন চাপ প্রয়োগ করা সহজ।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইথিওপিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়নি, বরং ইথিওপিয়ার সামরিক অবস্থানকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করেছিল। কিন্তু এবার তারা ভিন্ন নীতি নিয়েছে। মার্কিন কূটনীতিকরা ইথিওপিয়া ও টাইগ্রে-উভয় পক্ষকেই শান্ত থাকা এবং চুক্তিতে ফেরার আহ্বান জানাচ্ছেন। সেপ্টেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আফ্রিকা বিষয়ক উপদেষ্টা মাসাদ বুলোস ইথিওপিয়ায় গিয়ে আবিয়ের সঙ্গে কথা বলেন এবং সতর্ক করেন যে, জোর করে সমুদ্রপথ দখলের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে। এছাড়া, টাইগ্রের কিছু নেতার ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকিও দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

Eritrea child

শান্তি ফেরাতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, আমিরাত ও মিশর একসঙ্গে চাপ তৈরি করে ইথিওপিয়া এবং টিপিএলএফকে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। ২০২২ সালের শান্তিচুক্তিটিকে আবার কার্যকর করতে পারলেই সংঘাত ঠেকানো সম্ভব।

ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংকটে মধ্যস্থতা করেছেন, যেমন পূর্ব কঙ্গো ও কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড বিরোধ। যদিও এসব সমাধান পুরোপুরি নিখুঁত নয়, তবুও যুদ্ধ প্রতিরোধে ভূমিকা রেখেছে।

সতর্কতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তা থামানোই সবচেয়ে সহজ। যুদ্ধ একবার শুরু হলে তা থামানো অনেক কঠিন হয়ে যায়। তাই ইথিওপিয়ার সরকার এবং টাইগ্রে নেতৃত্বের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোকেও এখন সবচেয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিষয়: মিশরসমুদ্রপথআফ্রিকাযুক্তরাষ্ট্রআরব আমিরাতযুদ্ধইথিওপিয়া
সর্বশেষ
  • ১

    ডিজিটাল যুগে পুতুলনাচ: মুস্তাফা মনোয়ার থেকে মিথুনের পাপেট-পুরাণ

  • ২

    জহির রায়হানের জীবনের মতোই ‘লেট দেয়ার বি লাইট’

  • ৩

    ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব

  • ৪

    বরিশালে মাদরাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

  • ৫

    শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের কর্মীর বেল্টে লুকানো প্রায় ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • বিশ্ব মানচিত্রে বড় হচ্ছে আফ্রিকার আয়তন?

    বিশ্ব মানচিত্রে বড় হচ্ছে আফ্রিকার আয়তন?

    ভাবুন তো, এতদিন যে বিশ্ব মানচিত্র আমরা দেখে অভ্যস্ত, জানা গেল তাতে পৃথিবীর প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গত শুক্রবার এমন একটি নতুন বিশ্ব মানচিত্র গ্রহণের পক্ষে ভোট দিয়েছে, যেখানে আফ্রিকা মহাদেশকে তুলনামূলকভাবে বড় এবং উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপকে ছোট দেখানো হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তে তী

  • এআই কি অনলাইনে শিশুদের যৌন নিপীড়নের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে?

    এআই কি অনলাইনে শিশুদের যৌন নিপীড়নের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে?

    এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রতি পাঁচ শিশুর একজনের বেশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এক বছরে অন্তত একধরনের যৌন নিপীড়ন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে শিশুদের যৌনধর্মী ছবি বা ভিডিও তৈরি করায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। জ

  • বিমানবন্দরের কাছেই প্রবাসীদের থাকার ব্যবস্থা আছে, জানেন?

    বিমানবন্দরের কাছেই প্রবাসীদের থাকার ব্যবস্থা আছে, জানেন?

    কুমিল্লার বুড়িচংয়ের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ হেলাল। গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় তাদের ফ্লাইট ছিল ঢাকা থেকে। ওই দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে সময়মতো বিমানবন্দের পৌছাতে পারেননি তারা। যার ফলে ফ্লাইট মিস হয়। দুশ্চিন্তা আর ল্যাগেজ নিয়ে তারা যখন দিশেহারা

  • কীভাবে হুতিরা হয়ে উঠল ইরানের সবচেয়ে ভয়ংকর মিত্র?

    কীভাবে হুতিরা হয়ে উঠল ইরানের সবচেয়ে ভয়ংকর মিত্র?

    ইয়েমেনের দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে প্রায় চার বছর ধরে বড় ধরনের লড়াই ছিল না। এক ধরনের অস্বস্তিকর যুদ্ধবিরতি ছিল। কিন্তু সেই শান্তিও এখন ভেঙে পড়ছে। দেশটিতে আবারও শুরু হয়েছে সংঘাত।