Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বাংলাদেশে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ২১: ১৬
বাংলাদেশে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ

উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তার আশপাশের এলাকায় সক্রিয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ও খাড়া চাপ পার্থক্যের প্রভাবে গত ৫ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবিরাম ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত চলছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দীর্ঘস্থায়ী এই বর্ষণ, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ি নদীগুলোর উপচে পড়া পানির কারণে বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় আকস্মিক বন্যা, তীব্র জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ধস দেখা দিয়েছে।

এতে বহু এলাকার রাস্তাঘাট ও রেললাইনের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোর পথ অবরুদ্ধ হয়ে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি) সতর্ক করেছে যে, আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে আরও অতি ভারী বর্ষণের কারণে পরিস্থিতি শোচনীয় রূপ নিতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জাতিসংঘ বাংলাদেশ নিয়ে গত ১৩ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়–

টানা বন্যায় দেশের ১০টি জেলার ২৭টি উপজেলায় সুপেয় পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) সেবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। বন্যার নোংরা পানির সাথে মানুষের মলমূত্র, ক্ষেতের রাসায়নিক সার ও কীটনাশক এবং কারখানার বর্জ্য মিশে বিশুদ্ধ পানির উৎসগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে গেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) ১২ জুলাইয়ের হিসাব অনুযায়ী, দুর্যোগ কবলিত এলাকায় ১২ হাজার ৩৬০টিরও বেশি ল্যাট্রিন এবং ৩ হাজার ৫৮৩টি পানির উৎস সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

সরকারের প্রাথমিক হিসাবমতে, চলমান এই দুর্যোগে কেবল বান্দরবান জেলাতেই ১৫ হাজার ৮৮১টি এবং চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ৮৬০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, অনেক এলাকা এখনও পানির নিচে তলিয়ে থাকায় এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ৫ জুলাই আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, আবহাওয়া অধিদপ্তর, এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র যৌথভাবে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা করেছে। বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় থেকে ‘জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান সমন্বয় কেন্দ্র’ ২৪ ঘণ্টার জন্য চালু করা হয়েছে এবং জরুরি যোগাযোগের নম্বরগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

বন্যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ‘মারাত্মক ঝুঁকিতে’, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতিrohingya-flood

এই বিশাল কর্মযজ্ঞে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ও বাংলাদেশ পুলিশ।

এ ছাড়া ডব্লিউএফপি, সেভ দ্য চিলড্রেন, কারিতাস এবং ওয়ার্ল্ড ভিশনের মতো সংস্থাগুলো দুর্গত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার পরিবারকে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা, হাইজিন কিট এবং আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।

জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনে বিভিন্ন ক্লাস্টারে প্রয়োজনীয়, প্রাপ্ত ও সেবা ঘাটতির বিবরণ তুলে ধরেছে।

জরুরি পরিস্থিতিতে শিশু সুরক্ষা

দুর্যোগে শিশুদের সুরক্ষা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিতে সরকারি দপ্তর ও ইউনিসেফের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা মাঠপর্যায়ে নগদ অর্থ, ডিগনিটি কিট ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জরুরি সেবা দিচ্ছে। তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর গাদাগাদি পরিবেশ ও নষ্ট স্যানিটেশনের কারণে নারী ও শিশুরা সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে। একইসঙ্গে জীবিকা হারানোর ফলে দুর্গত এলাকায় বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রমের মতো সামাজিক সংকট আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা

দেশের ১ হাজার ৪৭টি সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলার ৩৮ হাজার ৪২২ জন বাস্তুচ্যুত মানুষ অবস্থান করছেন।

বিডিআরসিএসের ৩ হাজার ৫০০ স্বেচ্ছাসেবক মাঠপর্যায়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন এবং সেভ দ্য চিলড্রেন অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সাথে মিলে ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে ৭ লাখেরও বেশি মানুষের কাছে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে এবং ১ হাজার ৩০০-এর বেশি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।

কিন্তু এখনও অন্তত দেড় লাখ মানুষ বন্যাকবলিত এলাকায় আটকা পড়ে আছেন যাদের উদ্ধারে আরও নৌকা প্রয়োজন এবং সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে থাকা বাস্তুচ্যুতদের জন্য ত্রাণ সহায়তার ঘাটতি রয়েছে।

ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

শিক্ষার্থী ও স্কুল

বন্যায় ১ হাজার ২৭৬টি স্কুল বন্ধ হওয়ায় প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের দেড় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ রয়েছে এবং মোট ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা অন্তত ২ লাখ ২৮ হাজার ছাড়াতে পারে। বন্ধের সময়ে পড়াশোনা সচল রাখতে ঘরে বসে শেখার প্যাকেজ তৈরি করা হচ্ছে। তবুও স্কুলগুলো দীর্ঘসময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় ক্লাস চালু করতে দেরি হতে পারে এবং সুনির্দিষ্ট জরুরি তহবিল ও জাতীয় বিকল্প শিক্ষানীতি না থাকায় পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে।

বন্যায় প্রাণহানিতে ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন দায়ী: রিজভীRuhul Kabir Rizvi

খাদ্য নিরাপত্তা

৫৯টি উপজেলায় খাদ্য সংকট তীব্র। ব্র্যাক, ডব্লিউএফপি ও ওয়ার্ল্ড ভিশন শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ দিলেও সড়ক ও পাহাড়ি দুর্গমতার কারণে বিতরণ ব্যাহত হচ্ছে।

লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা

আশ্রয়কেন্দ্রের গাদাগাদি ও অন্ধকার পরিবেশে নারী-শিশুরা ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউএনএফপিএ ও কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডিগনিটি কিট দিচ্ছে এবং হিজড়া সম্প্রদায় উদ্ধারে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবা

উপদ্রুত এলাকায় ৫১৬টি সরকারি মেডিকেল টিম কাজ করছে এবং ডাব্লিউএইচও ডায়রিয়া ও ডেঙ্গুর মতো পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি চালাচ্ছে।

লজিস্টিকস

বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে সড়ক যোগাযোগ অত্যন্ত অস্থিতিশীল; জাতীয় লজিস্টিকস ক্লাস্টার বিকল্প রুট যাচাই করছে এবং ইসলামিক রিলিফ স্ট্যান্ডবাই রয়েছে।

পুষ্টি

৮৪ হাজার শিশুর পুষ্টি স্ক্রিনিং প্রয়োজন; ইউনিসেফ ও আইপিএইচএন থেরাপিউটিক মিল্ক বিতরণ ও মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কিন্তু জরুরি তহবিলের অভাব রয়েছে।

আশ্রয় ব্যবস্থা

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ৬৯ শতাংশ বাড়িই ভঙ্গুর ঝুপড়ি; বান্দরবান ও চট্টগ্রামে প্রায় ৩০ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জেলা প্রশাসনগুলো হাজার হাজার বান্ডিল ঢেউটিনের অনুরোধ করেছে।

পানি ও স্যানিটেশন

২০টির বেশি ইউনিয়ন প্লাবিত থাকায় ১৮ লাখের বেশি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও মোবাইল ওয়াটার প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক না থাকায় সমন্বয় ব্যাহত হচ্ছে।

বিষয়: ভূমিধসবাংলাদেশজাতিসংঘবন্যামৃত্যু
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।