Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৭: ৫৫
এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে ব্যবসা অনুমোদন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর আওতায় একটি ডিজিটাল ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা নিশ্চিত করা হবে।

Advertisement

সম্প্রতি বাজেট সংক্রান্ত এক নথির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার অধীনে উদ্যোক্তারা একটি মাত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আবেদন জমা, তথ্য যাচাই, অনুমোদন ও লাইসেন্স গ্রহণ, ছাড়পত্র সংগ্রহ এবং আবেদনের অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবসা শুরু ও পরিচালনায় সময়, খরচ, অনিশ্চয়তা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানো। একই সঙ্গে সরকারি সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য করে তোলা।

সময়সীমা ও অটোমেটিক অনুমোদন

সরকার প্রতিটি সেবা ও লাইসেন্স দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট ‘সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট’ (এসএলএ) বা সময়সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন সেবা প্রদানকারী সংস্থা তাদের মতামত, অনাপত্তিপত্র বা ছাড়পত্র দিতে ব্যর্থ হলে, আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা ‘ডিমিড অ্যাপ্রুভাল’ হিসেবে অনুমোদিত বলে গণ্য হতে পারে।

এই সংস্কার কর্মসূচির মধ্যে থাকছে- ব্যবসা নিবন্ধন, নির্মাণ ও পরিবেশগত ছাড়পত্র, বিনিয়োগ পরবর্তী সেবা, কর ও কাস্টমস সংক্রান্ত বিষয়, বৈদেশিক লেনদেন, ব্যাংকিং সেবা, দীর্ঘমেয়াদি মূলধন বাজারে প্রবেশাধিকার এবং স্থানীয় লাইসেন্সিং।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সাময়িক অনুমোদন

সংস্কারে কর্মসূচিতে নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুবিধার্থে অনলাইনে সাময়িক বা ‘প্রভিশনাল’ অনুমোদনের ব্যবস্থা বিবেচনা করা হচ্ছে। এর ফলে উদ্যোক্তারা দ্রুত ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত লাইসেন্স ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।

‘মতপ্রকাশে আপস করলে আমার এ ব্যবসা করার কোনো নৈতিক ভিত্তি থাকে না’mahbubur rahman 10

কোম্পানির নাম ছাড়পত্র, নিবন্ধনের আবেদন, ফি প্রদান এবং সার্টিফিকেট প্রদান- সবকিছুই হবে অনলাইনে। নাম চূড়ান্ত হলে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানির নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।

বিদেশিদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সহজীকরণ

বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ পেশাদারদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ইস্যুর সময়সীমা ৭ দিনে এবং প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ভিসা প্রসেসিং ১০ দিনে নামিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি, যোগ্য বিনিয়োগকারী ও প্রকল্পের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য ৫ বছর মেয়াদি ‘মাল্টিপল এন্ট্রি’ ভিসা দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষায়িত সহায়তা কেন্দ্র ও প্লাগ অ্যান্ড প্লে সুবিধা

বিশাল ও কৌশলগত বৈদেশিক বিনিয়োগ দ্রুত বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনে (বিসিক) ডেডিকেটেড সাপোর্ট অফিসার ও কেস ম্যানেজার নিয়োগ করা হবে। ২৪ ঘণ্টা খোলা হেল্পডেস্ক ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা চালু থাকবে।

অন্যদিকে, নির্ধারিত শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে চালু হবে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’শিল্প সুবিধা। যেখানে জমি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, সড়ক যোগাযোগ এবং প্রাথমিক অনুমোদন আগে থেকেই প্রস্তুত থাকবে, যাতে উদ্যোক্তারা কারখানা স্থাপন করেই দ্রুত উৎপাদনে যেতে পারেন।

স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স ও আইনি সুরক্ষা

সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স সুবিধাও এই ডিজিটাল ব্যবস্থার অধীনে আনা হবে। আবেদন থেকে শুরু করে নবায়ন ও ফি প্রদান সবই অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।

সরকার স্পষ্ট করেছে যে, এই সংস্কার বা নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার অর্থ আইন কিংবা তদারকি তুলে দেওয়া নয়। জনস্বার্থ, পরিবেশ রক্ষা, নিরাপত্তা ও রাজস্ব আদায় সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রাখা হবে। মূলত অযৌক্তিক সময়ক্ষেপণ ও দুর্নীতি বন্ধ করতেই এই ডিজিটালাইজেশন। এর পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বি-পাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি এবং দ্বৈত কর এড়ানো সংক্রান্ত চুক্তিগুলো পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিষয়: সরকারদেশব্যবসাবিদেশিঅনুমতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি: আয়াস-রিমি রিমান্ড শেষে কারাগারে

  • ২

    গ্রিনল্যান্ডে তেল, গ্যাস অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

  • ৩

    এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে অংশ নিতে কুয়েতে বাংলাদেশের ফর্টিজ এফসি

  • ৪

    হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

  • ৫

    এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে

সম্পর্কিত
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    ২০২৩ সাল থেকেই ধীরগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির। এমনটা বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

  • শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ

    শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ

    আইএমএফ বলেছে, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যেও বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার চেয়ে ভালোভাবে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথে তেল সরবরাহ করা এবং জরুরি প্রয়োজনে মজুত রাখা জ্বালানি বাজারে ছাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব তেলের দামের ওপর সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে।

  • হুতিদের নিশানায় কেন সৌদির বিমানবন্দর?

    হুতিদের নিশানায় কেন সৌদির বিমানবন্দর?

    গত কয়েকদিন ধরে সৌদি আরবের ভেতরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে হুতিরা

  • একাডেমিক গবেষণায় সরকারি অনুদান দেয় কারা?

    একাডেমিক গবেষণায় সরকারি অনুদান দেয় কারা?

    মানবসমাজের অগ্রগতির অন্যতম মূল ভিত্তি গবেষণা। নিত্য নতুন উদ্ভাবন, চলমান সমস্যার সমাধানে দেশে নানা রকম গবেষণা হয়ে আসছে। আর এই গবেষণার অর্থায়ন করে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক গবেষণায় অনুদান দেয় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। স্নাতকোত্তর, পিএইচডি, এ