ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে দেয়ালে আঁকা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় করা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ ছড়ানো ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় গ্রেপ্তার রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান এ আদেশ দেন।
গত রোববার আয়াসের তিন দিনের ও রিমির দুই দিনের রিমান্ড দেন আদালত। রিমান্ড শেষে আজ বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল গাফফার হিমেল কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনির হোসেন সুমন জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে।
এদিকে, জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার জেরে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় অবস্থান নেন। ছয় মিনিট পর আবারও বিচারক এজলাসে উঠে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতকাল মঙ্গলবার একই মামলায় গ্রেপ্তার সাকিব ও সুজন নামে দুই আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগার পাঠানো হয়।
গত শনিবার দুপুরে সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি বিকৃত ও নষ্ট করার চেষ্টাকালে চারজনকে আটক করে পুলিশ। পরে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক জিয়াউল হক মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ আনা হয়েছে।