চরচা প্রতিবেদক

অবশেষে ইসলামী ভোট এক বাক্সে আনার কৌশল ভেস্তে গেল। জামায়াতে ইসলামীর পর ১১ দলীয় জোটের অন্যতম প্রভাবশালী দল চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শুক্রবার জোটে না থাকার ঘোষণা দিয়েছে। এতে করে নির্বাচনের আগে বড় ধরনের হোঁচট খেল জোটটি।
আজ শুক্রবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে মোটাদাগে চারটি কারণে জোটে না যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। জোটের ভেতরে নিজেদের প্রাপ্য মর্যাদা ও ভূমিকা না পাওয়া, কিছু শরিকের আপসকামী ও বাস্তববাদী অবস্থানকে ইসলামী আদর্শের পরিপন্থী বলে মনে করা, আসন বণ্টন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং কেবল ভোট বা আসনের হিসাবকে প্রাধান্য দেওয়া রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নীতিগত সিদ্ধান্ত দলটিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে।
গাজী আতাউর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, কিছু আসনের জন্য জামায়াতের কর্তৃত্ববাদী মনোভাব মেনে নেওয়া তাদের জন্য অসম্ভব।
এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই শেষ মুহূর্তে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং এবি পার্টিকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের জন্য রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আসন ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর একক সিদ্ধান্ত ‘ওয়ান বক্স’ ভোটের অন্যতম উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা-কর্মীদের হতাশ করেছে বলে নাম প্রকাশ না করে বিভিন্ন সময় জানিয়েছিলেন দলটির সিনিয়র কয়েকজন নেতা।
সংবাদ সম্মেলনেও এর সত্যতা মেলে। মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, “জোটে থাকা, আর কিছু শরিকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জামায়াতের নজিরবিহীন একতরফা আচরণ আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।”

এ ছাড়া জোটে জায়গা পাওয়া দলগুলোর ইসলামী নীতি ও আদর্শ নিয়েও সন্দেহ আছে চরমোনাই পীরের দলের। ইসলাম ইস্যুতে জামায়াতের আদর্শের সঙ্গে আগে থেকেই বিরোধ ছিল ইসলামী আন্দোলনের। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে এনসিপি, এবি পার্টি, এলডিপির ইসলামী আদর্শ নিয়ে সন্দেহ।
এ প্রসঙ্গে দলটির মুখপাত্র বলেন, “আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না; আমরা ন্যায়, আদর্শ ও ইসলামের ভিত্তিতে রাজনীতি করি। এই জোট পরিস্থিতি আমাদের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না থাকায় আমরা এতে থাকব না।”
তবে যে কথা সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়নি, তা হচ্ছে–জোট গঠন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই আসন ভাগাভাগি নিয়ে কোনো অবস্থাতেই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মীমাংসায় পৌঁছাতে পারেনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুরুতে ৮০টি আসন দাবি করে ইসলামী আন্দোলন। পরে ৭০টি পর্যন্ত আসনে রাজি ছিল তারা। তবে বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭ আসন ছেড়ে বাকি ২৫৩ আসন সমঝোতার ঘোষণা আসে জামায়াতের পক্ষ থেকে। এই সিদ্ধান্ত জোট না হওয়ার পেছনে সবশেষ কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১০ দলীয় জোটে এর প্রভাব
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের ফলে জোট রাজনীতিতে তিন ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমত, নিশ্চিতভাবেই এতে জোটের ঐক্যের শক্তি কমবে। ইসলামী আন্দোলনকে একটি বড় ইসলামী সংগঠন হিসেবে বরাবরই বিবেচনা করা হয়। এই দলের নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। এ হিসেবে এর অনুপস্থিতি জোটকে দুর্বল করবে, বিশেষত যেখানে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে ‘ওয়ান বাক্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল।
দ্বিতীয়ত, জোটের ভেতর আস্থার সংকট ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসঙ্গতি ভোটারের মধ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
এ ছাড়া, ইসলামী আন্দোলন যদি তাদের দাবি করা ইসলামি আদর্শকে ভোটের মাঠে সামনে আনতে পারে, তাহলে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে জামায়াত ইসলামী নিয়ন্ত্রিত ১০ দলীয় জোট।

অবশেষে ইসলামী ভোট এক বাক্সে আনার কৌশল ভেস্তে গেল। জামায়াতে ইসলামীর পর ১১ দলীয় জোটের অন্যতম প্রভাবশালী দল চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শুক্রবার জোটে না থাকার ঘোষণা দিয়েছে। এতে করে নির্বাচনের আগে বড় ধরনের হোঁচট খেল জোটটি।
আজ শুক্রবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে মোটাদাগে চারটি কারণে জোটে না যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। জোটের ভেতরে নিজেদের প্রাপ্য মর্যাদা ও ভূমিকা না পাওয়া, কিছু শরিকের আপসকামী ও বাস্তববাদী অবস্থানকে ইসলামী আদর্শের পরিপন্থী বলে মনে করা, আসন বণ্টন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং কেবল ভোট বা আসনের হিসাবকে প্রাধান্য দেওয়া রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নীতিগত সিদ্ধান্ত দলটিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে।
গাজী আতাউর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, কিছু আসনের জন্য জামায়াতের কর্তৃত্ববাদী মনোভাব মেনে নেওয়া তাদের জন্য অসম্ভব।
এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই শেষ মুহূর্তে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং এবি পার্টিকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের জন্য রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আসন ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর একক সিদ্ধান্ত ‘ওয়ান বক্স’ ভোটের অন্যতম উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা-কর্মীদের হতাশ করেছে বলে নাম প্রকাশ না করে বিভিন্ন সময় জানিয়েছিলেন দলটির সিনিয়র কয়েকজন নেতা।
সংবাদ সম্মেলনেও এর সত্যতা মেলে। মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, “জোটে থাকা, আর কিছু শরিকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জামায়াতের নজিরবিহীন একতরফা আচরণ আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।”

এ ছাড়া জোটে জায়গা পাওয়া দলগুলোর ইসলামী নীতি ও আদর্শ নিয়েও সন্দেহ আছে চরমোনাই পীরের দলের। ইসলাম ইস্যুতে জামায়াতের আদর্শের সঙ্গে আগে থেকেই বিরোধ ছিল ইসলামী আন্দোলনের। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে এনসিপি, এবি পার্টি, এলডিপির ইসলামী আদর্শ নিয়ে সন্দেহ।
এ প্রসঙ্গে দলটির মুখপাত্র বলেন, “আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না; আমরা ন্যায়, আদর্শ ও ইসলামের ভিত্তিতে রাজনীতি করি। এই জোট পরিস্থিতি আমাদের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না থাকায় আমরা এতে থাকব না।”
তবে যে কথা সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়নি, তা হচ্ছে–জোট গঠন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই আসন ভাগাভাগি নিয়ে কোনো অবস্থাতেই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মীমাংসায় পৌঁছাতে পারেনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুরুতে ৮০টি আসন দাবি করে ইসলামী আন্দোলন। পরে ৭০টি পর্যন্ত আসনে রাজি ছিল তারা। তবে বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭ আসন ছেড়ে বাকি ২৫৩ আসন সমঝোতার ঘোষণা আসে জামায়াতের পক্ষ থেকে। এই সিদ্ধান্ত জোট না হওয়ার পেছনে সবশেষ কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১০ দলীয় জোটে এর প্রভাব
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের ফলে জোট রাজনীতিতে তিন ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমত, নিশ্চিতভাবেই এতে জোটের ঐক্যের শক্তি কমবে। ইসলামী আন্দোলনকে একটি বড় ইসলামী সংগঠন হিসেবে বরাবরই বিবেচনা করা হয়। এই দলের নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। এ হিসেবে এর অনুপস্থিতি জোটকে দুর্বল করবে, বিশেষত যেখানে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে ‘ওয়ান বাক্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল।
দ্বিতীয়ত, জোটের ভেতর আস্থার সংকট ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসঙ্গতি ভোটারের মধ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
এ ছাড়া, ইসলামী আন্দোলন যদি তাদের দাবি করা ইসলামি আদর্শকে ভোটের মাঠে সামনে আনতে পারে, তাহলে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে জামায়াত ইসলামী নিয়ন্ত্রিত ১০ দলীয় জোট।

২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার সংগ্রামে সমর্থনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে তার নোবেল পদকটি তুলে দিয়েছেন। ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার এই বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাকে একজন চমৎকার নারী হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘের দশম মহাসচিব পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নেবেন। আর সেসবের আনুষ্ঠানিকতা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ১৯৩ সদস্যবিশিষ্ট সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালিনা বেয়ারবক গত বুধবার দেশগুলোকে আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে প্রার্থীদের নাম মনোনীত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এর ফলে, প্রার্থীরা এ বছর ২০ এপ্