Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

জলবায়ু অর্থায়নের নামে ‘ঋণের ফাঁদে’ বাংলাদেশ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ০৭
জলবায়ু অর্থায়নের নামে ‘ঋণের ফাঁদে’ বাংলাদেশ

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে দুই দশকের বেশি সময় ধরে। তবে এখনো সুরাহা হয়নি, কারা আসলে কত টাকা পাবে। এ জন্য জলবায়ু তহবিল হওয়ার কথা। আর সেখান থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাওয়ার কথা ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু আদতে কি সেটা হচ্ছে? নাকি যাদের কারণে জলবায়ু বিপর্যয় ঘটছে, তারাই পাচ্ছে সিংহভাগ।

এই টাকা কোথায় যায়? ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর তাতে সংবাদমাধ্যমটির দাবি, জলবায়ু তহবিলের অর্থায়নের নামে ঋণের ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক স্বল্পোন্নত দেশ।

এর বিপরীতে জলবায়ু বিপর্যয়ের জন্য দায়ী চীন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পাচ্ছে বড় অংকের অর্থ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
আওয়াজ তুলতে কপ ৩০ সম্মেলনে আদিবাসী ফ্লোটিলাআন্দিজ

গার্ডিয়ান ও কার্বন ব্রিফের যৌথ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা ধরেছে। জাতিসংঘে জমা দেওয়া অপ্রকাশিত এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য প্রতিশ্রুত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের তহবিলের একটি বড় অংশ চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মতো তেল সমৃদ্ধ দেশের কাছে যাচ্ছে।

২০২১ এবং ২০২২ সালের ২০ হাজারের বেশি বৈশ্বিক প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দূষণকারী ধনী দেশগুলো থেকে দুর্বল দেশগুলোতে মূলধন স্থানান্তরের একটি ব্যবস্থা দেখা গেছে। তবে তহবিল বিতরণে কোনো কেন্দ্রীয় তদারকি না থাকায় তা রাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই দুই বছরে জলবায়ু অর্থায়নের একক বৃহত্তম প্রাপক ছিল ভারত, যারা প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন পেয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।

জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাত জাপান থেকে জলবায়ু অর্থায়ন হিসেবে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পেয়েছে। শীর্ষ ১০ কার্বন নিঃসরণকারীর মধ্যে অন্যতম সৌদি আরব জাপান থেকে ঋণ পেয়েছে প্রায় ৩২৮ মিলিয়ন ডলার ।

বিশ্বের ৪৪টি দরিদ্রতম দেশ, যাদের স্বল্পোন্নত দেশ বলা হয়, তারা ২০২১ এবং ২০২২ সালে মোট তহবিলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (৩৩ বিলিয়ন ডলার) পেয়েছে। তবে, এই অর্থের বেশিরভাগই অনুদান নয়, বরং ঋণ আকারে।

অনেক স্বল্পোন্নত দেশ তাদের জলবায়ু অর্থের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি পেয়েছে ঋণের আকারে, যা পরিশোধের শর্ত তাদের আরও ঋণের ফাঁদে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ এবং অ্যাঙ্গোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের ঋণের পরিমাণ ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি।

একই সময়ে স্বল্পোন্নত দেশগুলো তাদের জলবায়ু অর্থায়নের বাজেটের তিন গুণ বাহ্যিক ঋণ পরিশোধ করেছে, যা ঋণের বোঝা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। এর পরিমাণ প্রায় ৯১.৩ বিলিয়ন ডলার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু অর্থায়নের প্রবাহ বাড়লেও সবচেয়ে দরিদ্র ও দুর্বলদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পৌঁছচ্ছে না।

ন্যাচারাল রিসোর্সেস ডিফেন্স কাউন্সিলের জলবায়ু অর্থায়ন বিষয়ক আইনজীবী জো থওয়েটস বলেন, “এটি কোনো দাতব্য কাজ নয়। এটি একটি কৌশলগত বিনিয়োগ, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দেখা অনেক সংকটের মূল কারণগুলোকে মোকাবিলা করে।”

নদী ভাঙনে কতটা বিপদে উত্তরবঙ্গের মানুষriver-erosion1

এ ছাড়া ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের সারাহ কোলব্র্যান্ডার জাতিসংঘের উন্নয়ন বিভাগগুলোর পুরনো শ্রেণীবিভাগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের রিতু ভারদ্বাজ গার্ডিয়ানকে বলছেন, “জলবায়ু অর্থায়নের গোপন গল্পটি প্রতিশ্রুতির পরিমাণে নয়, বরং তাদের ধরণে নিহিত। জলবায়ু অর্থায়ন দরিদ্র দেশগুলোর ওপর আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে তুলছে।”

এ ব্যাপারে জাপান, সৌদি আরব, চীন ও আরব আমিরাতের সরকারের কাছে জানতে চাইলে তাদের কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পায়নি গার্ডিয়ান।

বিষয়: সৌদি আরববাংলাদেশজলবায়ু পরিবর্তনজাতিসংঘবন্যাজলবায়ুঋণআরব আমিরাতচীন
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।