Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

কেউ পড়ে গেলে আমরা কেন হাসি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৩৫
কেউ পড়ে গেলে আমরা কেন হাসি?

কাউকে পড়ে যেতে দেখে হেসেছেন, এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই হয়েছে। এতে পড়ে যাওয়া ব্যক্তি যেমন লজ্জাবোধ করেন, তেমনি হেসে ফেলা ব্যক্তিও অস্বস্তিতে পড়ে যান।

Advertisement

কখনো ভেবেছেন এমন কেন হয়? কাউকে পড়ে যেতে দেখলে কেন আমরা সঙ্গে সঙ্গে হেসে ফেলি, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন জেনেভিয়েভ বোলিউ-পেলতিয়ে নামে এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলছেন, একজন মানুষ পড়ে গেলে আমাদের তার প্রতি সহানুভূতি দেখানো উচিত। কারণ তিনি পড়ে যাওয়ার কারণে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। তা না করে উল্টো হাসি। তবে আমাদের হাসি সহানুভূতির অভাব বা নিষ্ঠুরতার কারণে নয়।

কী কারণে এমন হয়

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জেনেভিয়েভ বলেছেন, বিভিন্ন কারণে আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত হাসির উদ্রেক হতে পারে।

প্রথমত, এই পরিস্থিতির প্রথম উপাদান হলো আশ্চর্য হওয়া। বিশেষভাবে বলতে গেলে, দৈনন্দিন জীবনে কাউকে এমন অবস্থায় দেখা, যখন তিনি কয়েক সেকেন্ড আগেও সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন, হঠাৎই কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হন। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি আমাদেরকে বিস্মিত করে।

আরও স্পষ্ট করে বললে, ধরুন আপনি ভেবেছিলেন, X এর পর Y আসবে, কিন্তু চলে এলো B। মানে যা ঘটবে তা অনুমান করতে ভুল হয়েছে। তার মানে বিষয়টি সঙ্গতিপূর্ণ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে অসঙ্গতি সমাধান করতে আমরা হেসে ফেলি বলে উল্লেখ করেছেন জেনেভিয়েভ।

মানুষ ঘুমের মধ্যে কেন কথা বলে?Sleep

জেনেভিয়েভ আরও বলেন, কোনো অপ্রত্যাশিত ও অসমঞ্জস্যপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে আমাদের মস্তিষ্ক এমন তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করে যা আমাদের ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে এবং সেক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া দেখাতে সাহায্য করবে।

যে ব্যক্তি হোঁচট খাচ্ছেন তার মুখ আমাদের কী বার্তা দিচ্ছে? আমরা যা ডিকোড করি তা আমাদের প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করবে। নিউরোসাইকোলজিয়া নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ২১০ টি ছবি দেখানো হয়েছিল, যা তিন ধরনের মুখ প্রকাশ করেছে।

সেখানে বিব্রত বা বিভ্রান্ত মুখ, ব্যথা বা রাগ প্রকাশ করা মুখ এবং মুখ দেখা ছাড়া অনেকের শরীর অদ্ভুত অবস্থানে ছিল।

ফটো সেটে ২০টি ল্যান্ডস্কেপ ছবি যোগ করা হয়েছিল যাতে অংশগ্রহণকারীরা গবেষণার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিভ্রান্ত হন। অংশগ্রহণকারীদের প্রতি বার একটি ল্যান্ডস্কেপ ছবি দেখার সময় একটি বাটন চাপতে বলা হয়েছিল এবং সেই সময় তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয়েছিল। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদেরকে প্রতিটি ছবির কতটা মজাদার মনে হলো তা প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল।

প্রতীকী ছবি/ফ্রিপিক
প্রতীকী ছবি/ফ্রিপিক

গবেষণার শেষে, অংশগ্রহণকারীরা বিব্রত মুখের ছবিকে ব্যথা বা রাগ প্রকাশকারী মুখের ছবি এবং অদ্ভুত শরীরের অবস্থার ছবি যেখানে মুখ দেখা যায়নি, এমন ছবির তুলনায় অনেক বেশি মজাদার হিসেবে রেট করেছেন। মস্তিষ্কের তথ্যও দেখিয়েছে, মুখের অভিব্যক্তিই সেই উপাদান যা আমাদের হাস্যরস উদ্রেক করতে সাহায্য করে।

কোন ধরনের মানুষের কেমন ঘুম হয়?Sleep2

তাই যখন আমরা কোনো ব্যক্তির বিব্রত, বিস্মিত বা আশ্চর্য মুখের অভিব্যক্তি দেখি, তখন এটি আমাদের মনে হাসি উদ্রেক করে।

অন্যদিকে, যদি আমরা মুখে ব্যথা বা রাগ দেখি, তাহলে আমরা হোঁচট খাওয়ার ব্যক্তির কষ্ট অনুভব করি এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হই, যা আমাদের হাসতে বাধা দেয়।

জেনেভিয়েভ বলেন, “আমরা অন্যকে বিপদে বা খারাপ পরিস্থিতিতে দেখলে অনেক সময় কল্পনা করি, যদি আমাদের সঙ্গে এমন কিছু হতো?”

ফরাসি এই মনোবিদ আরও বলেন, এ সময় আমরা তাদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে দেখি এবং ভাবি, তারা কী অনুভব করছেন। এই সহমর্মিতার প্রক্রিয়া আমাদের ভেতর অস্বস্তি, অসহায়ত্ব, অপমান আর লজ্জার অনুভূতিকে উসকে দিতে পারে। এরপর যখন দেখি যে আমরা ওই পরিস্থিতিতে নেই, তখন স্বস্তি থেকে মাঝেমধ্যে হাসি পায়।

তাই অন্যের হালকা ধরনের হোঁচট খাওয়া বা অপ্রত্যাশিত কৌতুকপূর্ণ ঘটনার সময় হেসে ফেললে নিজেকে দোষারোপ করা ঠিক নয়। আসলে তাদের কষ্ট বা দুর্দশায় মানুষ হাসে না। হাসি আসে মূলত পরিস্থিতির অপ্রত্যাশিততা, আচরণের অমিল এবং তাদের বিস্মিত প্রতিক্রিয়া দেখে।

বিষয়: মনোবিজ্ঞানীজীবনজীবনধারামানসিক স্বাস্থ্য
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

  • ২

    রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত

  • ৩

    সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন

  • ৪

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ৫

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

সম্পর্কিত
  • ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    পারমাণবিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই সম্ভাবনার হার তুলনামূলকভাবে কম।

  • কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আজ রোববার অভিযোগ করেছেন যে, গতকাল শনিবার পুলিশ তাকে দিল্লির বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যায় এবং প্রায় এক দিন আটক করে রাখে। এ সময় তাকে কোনো আইনজীবী বা নিজের ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, এটি পুলিশের কোনো বৈধ

  • ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    যে রাশিয়ার ওপর বছরের পর বছর ধরে নানান নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, গত মাসেই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপরই যেখানে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, সেই রাশিয়ার কাছ থেকেই এবার ডিজেল সরবরাহের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে