চরচা ডেস্ক

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। আজ সোমবার ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ডিসিসিআইয়ের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি তাসকীন আহমেদ অর্থনীতির নানামুখী সংকট ও করণীয় তুলে ধরেন।
তাসকীন আহমেদ বলেন, অপরিবর্তিত পলিসি রেটে ব্যবসায়ীদের ১৬–১৭% সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে। এর সঙ্গে খেলাপি ঋণের উচ্চহার এবং ঋণশ্রেণিকরণে নতুন কঠোর নিয়ম আর্থিক খাতকে অস্থিতিশীল করছে।
তিনি জানান, শিল্পকারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়া এবং নতুন শিল্পের জন্য গ্যাসের দাম ৪০–৪২ টাকা বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যাহত করছে।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ধারাবাহিক শিল্পনীতি নেই, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল এবং চাঁদাবাজি ‘অসহনীয়’ পর্যায়ে পৌঁছেছে–যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তিনি জানান, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় অটোমেশন না থাকায় করদাতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ফলে সরকারও প্রত্যাশিত রাজস্ব পাচ্ছে না। এর সঙ্গে লজিস্টিক ব্যয় বৃদ্ধি, জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রিতা, চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা খরচ ৪১% বৃদ্ধি এবং নদীপথের ব্যবহার না থাকায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় আরও বেড়েছে।
এলডিসি উত্তরণ নিয়ে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি থেকে বেরিয়ে এলে রপ্তানি ৫.৫–৭% কমতে পারে–যার পরিমাণ প্রায় ২.৭ বিলিয়ন ডলার। তিনি অন্তত তিন বছর উত্তরণ প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানান।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তার মতে, এই চুক্তিতে পোশাক খাতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তা নেই; বরং এলএনজিসহ কিছু আমদানিতে অতিরিক্ত শর্ত ব্যবসা ব্যয় বাড়াতে পারে। সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনঃআলোচনার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশ্নোত্তরে ডিসিসিআই সভাপতি চাঁদাবাজি রোধ, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং ২০ লাখ বেকার তরুণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পদক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। আজ সোমবার ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ডিসিসিআইয়ের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি তাসকীন আহমেদ অর্থনীতির নানামুখী সংকট ও করণীয় তুলে ধরেন।
তাসকীন আহমেদ বলেন, অপরিবর্তিত পলিসি রেটে ব্যবসায়ীদের ১৬–১৭% সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে। এর সঙ্গে খেলাপি ঋণের উচ্চহার এবং ঋণশ্রেণিকরণে নতুন কঠোর নিয়ম আর্থিক খাতকে অস্থিতিশীল করছে।
তিনি জানান, শিল্পকারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়া এবং নতুন শিল্পের জন্য গ্যাসের দাম ৪০–৪২ টাকা বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যাহত করছে।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ধারাবাহিক শিল্পনীতি নেই, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল এবং চাঁদাবাজি ‘অসহনীয়’ পর্যায়ে পৌঁছেছে–যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তিনি জানান, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় অটোমেশন না থাকায় করদাতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ফলে সরকারও প্রত্যাশিত রাজস্ব পাচ্ছে না। এর সঙ্গে লজিস্টিক ব্যয় বৃদ্ধি, জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রিতা, চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা খরচ ৪১% বৃদ্ধি এবং নদীপথের ব্যবহার না থাকায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় আরও বেড়েছে।
এলডিসি উত্তরণ নিয়ে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি থেকে বেরিয়ে এলে রপ্তানি ৫.৫–৭% কমতে পারে–যার পরিমাণ প্রায় ২.৭ বিলিয়ন ডলার। তিনি অন্তত তিন বছর উত্তরণ প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানান।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তার মতে, এই চুক্তিতে পোশাক খাতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তা নেই; বরং এলএনজিসহ কিছু আমদানিতে অতিরিক্ত শর্ত ব্যবসা ব্যয় বাড়াতে পারে। সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনঃআলোচনার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশ্নোত্তরে ডিসিসিআই সভাপতি চাঁদাবাজি রোধ, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং ২০ লাখ বেকার তরুণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পদক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।