
একইসঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা এবং সর্বোচ্চ আয়কর হার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবে হতাশা প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, “আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছি। আমাদের লক্ষ্য বন্ধ কলকারখানা চালু করা এবং সিএমএসএমই খাতের বিকাশ ঘটানো। আমরা চাই ডিসিসিআই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চ্যাম্পিয়ন হোক।”

এলডিসি উত্তরণ নিয়ে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি থেকে বেরিয়ে এলে রপ্তানি ৫.৫–৭% কমতে পারে–যার পরিমাণ প্রায় ২.৭ বিলিয়ন ডলার। তিনি অন্তত তিন বছর উত্তরণ প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানান।