চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বাড্ডায় বৈদ্যুতিক তার কাটতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মো. জহিরুল ইসলাম (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শনিবার ভোরে বাড্ডা থানার মধ্য বাড্ডা বৈশাখী স্বরণী এলাকার ৯০/১ নম্বর জামান সাহেবের বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জহিরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার নাগেরগাঁও গ্রামে। তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি উত্তর বাড্ডার বাগানবাড়ি এলাকায় ইমন মাস্টারের বাড়িতে বসবাস করতেন।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেঝবাহ উদ্দিন জানান, ৯৯৯-এ খবর পেয়ে শনিবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম খুঁটির ওপর উঠে বৈদ্যুতিক তার কাটার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে নিচে পড়ে যান, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

রাজধানীর বাড্ডায় বৈদ্যুতিক তার কাটতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মো. জহিরুল ইসলাম (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শনিবার ভোরে বাড্ডা থানার মধ্য বাড্ডা বৈশাখী স্বরণী এলাকার ৯০/১ নম্বর জামান সাহেবের বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জহিরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার নাগেরগাঁও গ্রামে। তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি উত্তর বাড্ডার বাগানবাড়ি এলাকায় ইমন মাস্টারের বাড়িতে বসবাস করতেন।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেঝবাহ উদ্দিন জানান, ৯৯৯-এ খবর পেয়ে শনিবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম খুঁটির ওপর উঠে বৈদ্যুতিক তার কাটার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে নিচে পড়ে যান, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, যদি আপনি পড়াশোনা ছেড়ে দেন, ক্লাসে অনুপস্থিত থাকেন অথবা আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে আপনার কোর্স বা প্রোগ্রাম ত্যাগ করেন, তবে আপনার স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসার জন্য আপনি অযোগ্য হয়ে পড়তে পারেন।