চরচা ডেস্ক

দেশের তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও ওষুধ শিল্পের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাসক্ষমতা বজায় রাখতে দেশীয় রাসায়নিক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ী ও নীতি-নির্ধারকেরা। তারা বলছেন, বার্ষিক ৬ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলারের অভ্যন্তরীণ বাজার থাকা সত্ত্বেও উচ্চ আমদানি নির্ভরতা, শুল্ক জটিলতা ও লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে এ খাতের আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘রাসায়নিক নির্ভর রপ্তানিমুখী শিল্পে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, রপ্তানি খাতের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা ও বিশ্ববাজারে টিকিয়ে রাখতে রাসায়নিক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের সক্ষমতা বাড়ানো এখন আর ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি কৌশলগত বাধ্যবাধকতা। তিনি উল্লেখ করেন, দেশীয় শিল্পে ব্যবহৃত রঙ, রাসায়নিক ও বিশেষায়িত কাঁচামালের অতিমাত্রায় আমদানি নির্ভরতা, পরিবেশগত অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা এবং লজিস্টিক জটিলতা শিল্পখাতের সার্বিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এস আর ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ রাব্বানী। তিনি জানান, দেশে রাসায়নিক পণ্যের বাজার প্রতিবছর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। তবে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৬.২ বিলিয়ন ডলারের রাসায়নিক পণ্য আমদানি করেছে, যার সিংহভাগই তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে। কার্যকর সাপ্লাই চেইন ও অবকাঠামোর অভাবে এ সম্ভাবনা পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
সেমিনারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এর মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহ বলেন, চলমান শিল্প নীতিমালার সংস্কার কার্যক্রমে রাসায়নিক খাতের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রয়োজন নাকি বিদ্যমান নীতিমালায় নতুন অধ্যায় যুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি।
বিসিএসআইআর-এর সদস্য আবুল ফাতাহ মো. বালিগুর রহমান শিল্প ও শিক্ষা খাতের সমন্বয়ের আহ্বান জানান। হালকা প্রকৌশল খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার বাজারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ খাতের বিকাশ নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহসহ সহায়ক নীতি দরকার।
সেমিনারে তৈরি পোশাক ও ব্যবসায়িক খাতের প্রতিনিধিরা পোশাক খাতের মতো রাসায়নিক শিল্পেও বিশেষায়িত অঞ্চল এবং সহায়ক নীতি প্রণয়নের দাবি জানান। বিকেএমইএ-এর পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান ও বিজিএমইএ-এর পরিচালক শেখ এইচ এম মোস্তাফিজ উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করা গেলে এ খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্ভব।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তর, ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন, ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও পরমাণু শক্তি কমিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন।

দেশের তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও ওষুধ শিল্পের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাসক্ষমতা বজায় রাখতে দেশীয় রাসায়নিক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ী ও নীতি-নির্ধারকেরা। তারা বলছেন, বার্ষিক ৬ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলারের অভ্যন্তরীণ বাজার থাকা সত্ত্বেও উচ্চ আমদানি নির্ভরতা, শুল্ক জটিলতা ও লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে এ খাতের আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘রাসায়নিক নির্ভর রপ্তানিমুখী শিল্পে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, রপ্তানি খাতের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা ও বিশ্ববাজারে টিকিয়ে রাখতে রাসায়নিক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের সক্ষমতা বাড়ানো এখন আর ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি কৌশলগত বাধ্যবাধকতা। তিনি উল্লেখ করেন, দেশীয় শিল্পে ব্যবহৃত রঙ, রাসায়নিক ও বিশেষায়িত কাঁচামালের অতিমাত্রায় আমদানি নির্ভরতা, পরিবেশগত অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা এবং লজিস্টিক জটিলতা শিল্পখাতের সার্বিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এস আর ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ রাব্বানী। তিনি জানান, দেশে রাসায়নিক পণ্যের বাজার প্রতিবছর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। তবে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৬.২ বিলিয়ন ডলারের রাসায়নিক পণ্য আমদানি করেছে, যার সিংহভাগই তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে। কার্যকর সাপ্লাই চেইন ও অবকাঠামোর অভাবে এ সম্ভাবনা পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
সেমিনারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এর মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহ বলেন, চলমান শিল্প নীতিমালার সংস্কার কার্যক্রমে রাসায়নিক খাতের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রয়োজন নাকি বিদ্যমান নীতিমালায় নতুন অধ্যায় যুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি।
বিসিএসআইআর-এর সদস্য আবুল ফাতাহ মো. বালিগুর রহমান শিল্প ও শিক্ষা খাতের সমন্বয়ের আহ্বান জানান। হালকা প্রকৌশল খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার বাজারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ খাতের বিকাশ নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহসহ সহায়ক নীতি দরকার।
সেমিনারে তৈরি পোশাক ও ব্যবসায়িক খাতের প্রতিনিধিরা পোশাক খাতের মতো রাসায়নিক শিল্পেও বিশেষায়িত অঞ্চল এবং সহায়ক নীতি প্রণয়নের দাবি জানান। বিকেএমইএ-এর পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান ও বিজিএমইএ-এর পরিচালক শেখ এইচ এম মোস্তাফিজ উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করা গেলে এ খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্ভব।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তর, ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন, ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও পরমাণু শক্তি কমিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশ মুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের (বিএমএসএফ) সভাপতি পদে মো. মজিবুর রহমান ভূঞা ও সাধারণ সম্পাদক পদে শহীদুল্লাহ বাদল নির্বাচিত হয়েছেন। আজ শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচন করা হয়।

সম্মেলনে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক বিষয়ে উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনাগুলোতে ডিপোজিট মোবিলাইজেশন, রিকভারি পারফরম্যান্স, বাংলা কিউআর, এজেন্ট ব্যাংকিংসহ ব্যাংকের বিভিন্ন কৌশলগত উদ্যোগ, ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং-এর ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস (এফএমআইপিএ) এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।