চরচা ডেস্ক

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির একটি পরিত্যক্ত ভবনে কয়েক লাখ টাকার বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মজুত দেখতে পান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ শনিবার পরিদর্শনের সময় তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবার মান, রোগীদের দেওয়া খাবারের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা এবং চিকিৎসক সংকটও পর্যালোচনা করেন। বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পর তিনি অনিয়ম ও বিভিন্ন ধরনের ঘাটতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমার দেশের গরিব মানুষ ওষুধ পায় না, অথচ কয়েক লাখ টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ গুদামে পড়ে আছে।”
পরিদর্শনে চিহ্নিত সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।
পরে মন্ত্রী ওই এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন।
পরে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের সময়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অবনতির দিকে গেছে। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে পুনর্গঠনের জন্য কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এ অঞ্চলের মানুষ আরো উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।”
তিনি বলেন, “আমরা চাই আমাদের গরিব ও পরিশ্রমী মানুষ বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই সেবা পাক। আমরা হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছি। খুব শিগগিরই দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হবে, এরপর কাজ শুরু হবে।”
পরে তিনি পরিদর্শনের জন্য পাশের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সবশেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাগেরহাট সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির একটি পরিত্যক্ত ভবনে কয়েক লাখ টাকার বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মজুত দেখতে পান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ শনিবার পরিদর্শনের সময় তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবার মান, রোগীদের দেওয়া খাবারের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা এবং চিকিৎসক সংকটও পর্যালোচনা করেন। বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পর তিনি অনিয়ম ও বিভিন্ন ধরনের ঘাটতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমার দেশের গরিব মানুষ ওষুধ পায় না, অথচ কয়েক লাখ টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ গুদামে পড়ে আছে।”
পরিদর্শনে চিহ্নিত সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।
পরে মন্ত্রী ওই এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন।
পরে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের সময়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অবনতির দিকে গেছে। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে পুনর্গঠনের জন্য কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এ অঞ্চলের মানুষ আরো উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।”
তিনি বলেন, “আমরা চাই আমাদের গরিব ও পরিশ্রমী মানুষ বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই সেবা পাক। আমরা হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছি। খুব শিগগিরই দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হবে, এরপর কাজ শুরু হবে।”
পরে তিনি পরিদর্শনের জন্য পাশের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সবশেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাগেরহাট সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রূপান্তরমূলক ট্রান্সফরমেটিভ চেঞ্জ মেকিং, রাজনৈতিক কৌশল প্রণয়ন এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বয়ান উৎপাদন বিষয়ে বক্তারা বলেছেন, ইন্টারেক্টিভ আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক অনুশীলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মীরা অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন, যা কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং নারীর অর্থবহ রাজনৈতিক