চরচা ডেস্ক

নন-রেসিডেনসিয়াল বাংলাদেশি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের শাখা ও উপশাখাগুলোর ব্যবসায়ীক কৌশল এবং প্রবৃদ্ধি বিষয়ক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।
খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তৌহিদুল আলম খান বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের হার একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।” একই সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানান তিনি।
এনআরবিসি ব্যাংকের সিইও বলেন, “সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।” এছাড়াও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, বিশেষ করে বাংলা কিউআর সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি ক্যাশলেস চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাংকারদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার।
এ সময় চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্বিক ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল উদ্ভাবনের সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় ব্যাংকের চট্টগ্রাম জোনের প্রধান কাজী মো. সাফায়েত কবীরসহ শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নন-রেসিডেনসিয়াল বাংলাদেশি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের শাখা ও উপশাখাগুলোর ব্যবসায়ীক কৌশল এবং প্রবৃদ্ধি বিষয়ক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।
খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তৌহিদুল আলম খান বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের হার একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।” একই সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানান তিনি।
এনআরবিসি ব্যাংকের সিইও বলেন, “সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।” এছাড়াও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, বিশেষ করে বাংলা কিউআর সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি ক্যাশলেস চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাংকারদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার।
এ সময় চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্বিক ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল উদ্ভাবনের সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় ব্যাংকের চট্টগ্রাম জোনের প্রধান কাজী মো. সাফায়েত কবীরসহ শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ এবং ঋণপ্রবাহ সহজতর করার লক্ষ্যে ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিমের (সিইএস) আওতায় সম্প্রতি একটি চুক্তি

খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তৌহিদুল আলম খান বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের হার একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।”

দেশের সাম্প্রতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে ‘জুলাই চব্বিশ ও সংস্কৃতির লড়াই’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ কর্ণারে বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সংস্কৃতির ভূমিকা, সামাজিক মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং মানবি