চরচা ডেস্ক

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক পূবালী ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংকের পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান।
সভায় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডাররা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেন।
শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য এই এজিএম-এ ১০ শতাংশ নগদ (ক্যাশ) লভ্যাংশ এবং ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
সভায় পূবালী ব্যাংকের অসাধারণ প্রবৃদ্ধি ও সামগ্রিক কার্যক্রমে শেয়ারহোল্ডাররা সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সাথে এই গৌরবময় মাইলফলক অর্জনে নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ব্যাংকের নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান বলেন, “বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, সুশাসন, বিচক্ষণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং শক্তিশালী মূলধন ভিত্তির মাধ্যমে পূবালী ব্যাংক ২০২৫ সালে একটি স্থিতিশীল ও বিশ্বস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। পরিচালনা পর্ষদের এই ৩০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ মূলত ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রতি আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন।”
নিজের বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলী বলেন, “একটি চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও পূবালী ব্যাংক ২০২৫ সালে শক্তিশালী আর্থিক প্রবৃদ্ধি, গুণগত সম্পদ এবং প্রযুক্তি-চালিত সেবার মাধ্যমে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।” তিনি জানান, ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ১৩ কোটি টাকায়, আমানতের পরিমাণ পৌঁছেছে ৮৯ হাজার ৫১৯ কোটি টাকায় এবং নিট মুনাফা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। একইসাথে, ব্যাংক মাত্র ২.২০ শতাংশ খেলাপি ঋণের অনুপাত বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
মোহাম্মদ আলী আরও জানান, ডিজিটালাইজেশনের অংশ হিসেবে পূবালী ব্যাংকের ‘পাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম’-এর সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলা কিউআর, পিওএস নেটওয়ার্ক, সেলফ-সার্ভিস ব্যাংকিং এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ শাখা ও উপ-শাখা নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে পুবালী ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী ‘ফিজিটাল ব্যাংকিং ইকোসিস্টেম’ গড়ে তুলছে; যা গ্রাহকদের নিরাপদ, সুবিধাজনক ও নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করছে।"

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক পূবালী ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংকের পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান।
সভায় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডাররা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেন।
শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য এই এজিএম-এ ১০ শতাংশ নগদ (ক্যাশ) লভ্যাংশ এবং ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
সভায় পূবালী ব্যাংকের অসাধারণ প্রবৃদ্ধি ও সামগ্রিক কার্যক্রমে শেয়ারহোল্ডাররা সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সাথে এই গৌরবময় মাইলফলক অর্জনে নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ব্যাংকের নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান বলেন, “বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, সুশাসন, বিচক্ষণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং শক্তিশালী মূলধন ভিত্তির মাধ্যমে পূবালী ব্যাংক ২০২৫ সালে একটি স্থিতিশীল ও বিশ্বস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। পরিচালনা পর্ষদের এই ৩০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ মূলত ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রতি আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন।”
নিজের বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলী বলেন, “একটি চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও পূবালী ব্যাংক ২০২৫ সালে শক্তিশালী আর্থিক প্রবৃদ্ধি, গুণগত সম্পদ এবং প্রযুক্তি-চালিত সেবার মাধ্যমে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।” তিনি জানান, ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ১৩ কোটি টাকায়, আমানতের পরিমাণ পৌঁছেছে ৮৯ হাজার ৫১৯ কোটি টাকায় এবং নিট মুনাফা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। একইসাথে, ব্যাংক মাত্র ২.২০ শতাংশ খেলাপি ঋণের অনুপাত বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
মোহাম্মদ আলী আরও জানান, ডিজিটালাইজেশনের অংশ হিসেবে পূবালী ব্যাংকের ‘পাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম’-এর সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলা কিউআর, পিওএস নেটওয়ার্ক, সেলফ-সার্ভিস ব্যাংকিং এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ শাখা ও উপ-শাখা নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে পুবালী ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী ‘ফিজিটাল ব্যাংকিং ইকোসিস্টেম’ গড়ে তুলছে; যা গ্রাহকদের নিরাপদ, সুবিধাজনক ও নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করছে।"