
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সুন্দরবনের অরণ্যে জীবন বাজি রেখে মধু সংগ্রহ করেন মৌয়ালরা। বাঘ, কুমির, বিষধর সাপ, জোয়ার-ভাটার অনিশ্চয়তা এবং চোরাবালির মতো ঝুঁকি মোকাবিলা করেই তাদের প্রতিদিনের সংগ্রাম। এই মানুষদের জীবন ও লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরেছে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘সাহসেই বিকাশ’।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত তিন মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের এই প্রামাণ্যচিত্রে মৌয়ালদের বাস্তবতা ও সংগ্রামী নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।
পরিবার ও লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কয়েক সপ্তাহের জন্য তারা গভীর বনে অবস্থান করেন। সেখানেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মধু সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, দুর্গম বনে কাজ করলেও এখন আর তারা নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি নিতে চান না। মধু বিক্রির অর্থ নিরাপদে মোবাইল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে সহজেই পরিবারের কাছে পাঠাতে পারছেন। এতে যেমন নিরাপত্তা বাড়ছে, তেমনি আর্থিক লেনদেনেও এসেছে স্বস্তি।
প্রামাণ্যচিত্রটি প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার এবং দুর্গম জনপদেও ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসারকে সামনে এনেছে। মৌয়ালদের জীবনের সাহসিকতা ও সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক লেনদেন ব্যবস্থার সুবিধা–যা তাদের জীবনে বাড়তি নিরাপত্তা ও স্থিতি এনে দিয়েছে।
ভিডিওটি ‘আমার বিকাশ’ ফেসবুক পেইজ, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় পনের বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনে সহায়ক হয়ে ওঠা বিকাশ সহজ, নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী ডিজিটাল সেবা দিয়ে গ্রাহকদের আর্থিক সক্ষমতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।