সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১) নামের এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পদ্মজিৎ চক্রবর্তী মির্জাজাঙ্গাল এলাকার পুনেন্দ্র চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।
নিহতের এক প্রতিবেশী জানান, প্রান্ত ও তার স্ত্রী দুজনই চিকিৎসক। তারা রোববার ওই বাসার ফ্ল্যাটে ওঠেন। তবে ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে, এ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত বছর প্রান্তের বোনও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরিবারের ধারণা, মানসিক সমস্যার কারণে প্রান্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, “দুপুরে খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের একটা টিম ঘটনাস্থলে যায়। পরে দরজা ভেঙে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে। আমিও গিয়েছিলাম। ঝুলন্ত বডি নামিয়ে ওসমানীতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে আইসিইউতে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।”
এ সময় চিকিৎসক পদ্মজিৎ জীবিত ছিলেন কি না এবং আত্মহত্যা করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি চরচাকে বলেন, “আমরা ঠিক বলতে পারব না জীবিত নাকি মৃত ছিল। আর আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, সেটা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বলা যাবে।”