সংরক্ষিত নারী আসন
তাসীন মল্লিক

সংসদের বিরোধী দলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক মনিরা শারমিন। তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। কারণ সরকারি চাকরি ছাড়ার এই আশঙ্কা মাথায় রেখে বিকল্প প্রার্থী প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছেন এনসিপি নেতারা।
গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপি যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু।
আজ মঙ্গলবার হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। মনোনয়ন দাখিল শেষে সাংবাদিকদের হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা আশাবাদী নারী আসনে আমরা যে তালিকা সাবমিট করেছি, এটার মধ্যে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকার সুযোগ নেই। এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা; আমরা আশা করি সেভাবেই নির্বাচনের ফলাফল আসবে।”
এ ব্যাপারে ইসির সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে আযাদ বলেন, “পার্লামেন্ট চলছে, ওনারা যদি টাইমলি পার্লামেন্টে যেতে পারেন তবে জাতির যে প্রত্যাশা এবং নারী সমাজের যে বিশেষ করে প্রত্যাশা-নারী প্রতিনিধিত্ব-সেই জায়গাটাও আমরা মনে করি সঠিক সময়ে হবে। এজন্য কমিশন যেন কোনো ধরনের এখানে অন্য কিছু করবে না বা ভিন্ন পরিস্থিতির অবতারণা হবে না, এটাই আমরা আস্থা রাখি।”
এনসিপির প্রার্থী মুনিরা শারমিন সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছর পার না হলে প্রার্থী হতে পারবেন না-প্রসঙ্গে এই জামায়াত নেতা বলেন, “এজন্য মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না বলে আশা করি।”
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আরও প্রশ্ন থাকলেও হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এনসিপির একজন যুগ্ম সদস্য সচিব নাম না প্রকাশের শর্তে চরচাকে বলেন, “বিষয়টি আমাদের আইনজীবীরা দেখবেন। বিকল্প হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমের নাম আছে।”
এ বিষয়ে নুসরাত তাবাসসুমের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি সন্ধ্যার পর যোগাযোগের অনুরোধ জানান।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি ও স্বতন্ত্র জোট একটি আসন পাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
কী আছে আইনে
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংসদে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী হবে।
আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচতি হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।
যা বলছেন মনিরা
মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছাড়েন। অর্থাৎ চাকরি ছাড়ার মাত্র চার মাস পেরিয়েছে তার।
এ বিষয়ে মনিরা শারমিন চরচাকে বলেন, “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটা বিশেষায়িত ব্যাংক এবং একটা সেকেন্ড ক্লাস পদ যা রাষ্ট্রের কোনো লাভজনক পদ না। নির্বাচন কমিশন বিষয়গুলো জানে। আমি মনে করি কোন সমস্যা হবে না।”
আরপিওর বিধিনিষেধ প্রসঙ্গে চরচাকে তিনি বলেন, “প্রথমত এটা ইলেকশন না, সিলেক্টেড বাই পার্টি। তো আইনের জায়গাটা আমরা, আমাদের আইনজীবীরা দেখছি। নারী আসনে এগুলো আসলে অত গুরুত্ব দেওয়া হয় না।”
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে। আগামীকাল ও পরশু বাছাই হবে। আরপিওর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই। প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন।”
সব দলের জন্য উন্মুক্ত হতে পারে আসন
সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী প্রাপ্য আসনগুলোতে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ শেষ হচ্ছে বিকেল ৪টায়। এরপর হবে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই।
যাচাই বাছাইয়ের প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী ওই সংরক্ষিত আসনটি সব দলের প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত হবে। ইসি এরপর নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। তফসিল অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনটিতে সব রাজনৈতিক দল বা জোট নতুন করে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। এরপর সংসদ সদস্যদের ভোটে ওই সংরক্ষিত আসনটিতে সদস্য নির্বাচন করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যাছাই-বাছাইয়ে কারো প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী আসন উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এরপর আমরা আবার একটা তফসিল দেব। ওই আসনে সবাই যার যার প্রার্থী দেবে। এরপর সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে ওই উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।”

সংসদের বিরোধী দলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক মনিরা শারমিন। তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। কারণ সরকারি চাকরি ছাড়ার এই আশঙ্কা মাথায় রেখে বিকল্প প্রার্থী প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছেন এনসিপি নেতারা।
গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপি যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু।
আজ মঙ্গলবার হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। মনোনয়ন দাখিল শেষে সাংবাদিকদের হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা আশাবাদী নারী আসনে আমরা যে তালিকা সাবমিট করেছি, এটার মধ্যে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকার সুযোগ নেই। এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা; আমরা আশা করি সেভাবেই নির্বাচনের ফলাফল আসবে।”
এ ব্যাপারে ইসির সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে আযাদ বলেন, “পার্লামেন্ট চলছে, ওনারা যদি টাইমলি পার্লামেন্টে যেতে পারেন তবে জাতির যে প্রত্যাশা এবং নারী সমাজের যে বিশেষ করে প্রত্যাশা-নারী প্রতিনিধিত্ব-সেই জায়গাটাও আমরা মনে করি সঠিক সময়ে হবে। এজন্য কমিশন যেন কোনো ধরনের এখানে অন্য কিছু করবে না বা ভিন্ন পরিস্থিতির অবতারণা হবে না, এটাই আমরা আস্থা রাখি।”
এনসিপির প্রার্থী মুনিরা শারমিন সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছর পার না হলে প্রার্থী হতে পারবেন না-প্রসঙ্গে এই জামায়াত নেতা বলেন, “এজন্য মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না বলে আশা করি।”
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আরও প্রশ্ন থাকলেও হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এনসিপির একজন যুগ্ম সদস্য সচিব নাম না প্রকাশের শর্তে চরচাকে বলেন, “বিষয়টি আমাদের আইনজীবীরা দেখবেন। বিকল্প হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমের নাম আছে।”
এ বিষয়ে নুসরাত তাবাসসুমের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি সন্ধ্যার পর যোগাযোগের অনুরোধ জানান।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি ও স্বতন্ত্র জোট একটি আসন পাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
কী আছে আইনে
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংসদে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী হবে।
আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচতি হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।
যা বলছেন মনিরা
মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছাড়েন। অর্থাৎ চাকরি ছাড়ার মাত্র চার মাস পেরিয়েছে তার।
এ বিষয়ে মনিরা শারমিন চরচাকে বলেন, “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটা বিশেষায়িত ব্যাংক এবং একটা সেকেন্ড ক্লাস পদ যা রাষ্ট্রের কোনো লাভজনক পদ না। নির্বাচন কমিশন বিষয়গুলো জানে। আমি মনে করি কোন সমস্যা হবে না।”
আরপিওর বিধিনিষেধ প্রসঙ্গে চরচাকে তিনি বলেন, “প্রথমত এটা ইলেকশন না, সিলেক্টেড বাই পার্টি। তো আইনের জায়গাটা আমরা, আমাদের আইনজীবীরা দেখছি। নারী আসনে এগুলো আসলে অত গুরুত্ব দেওয়া হয় না।”
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে। আগামীকাল ও পরশু বাছাই হবে। আরপিওর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই। প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন।”
সব দলের জন্য উন্মুক্ত হতে পারে আসন
সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী প্রাপ্য আসনগুলোতে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ শেষ হচ্ছে বিকেল ৪টায়। এরপর হবে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই।
যাচাই বাছাইয়ের প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী ওই সংরক্ষিত আসনটি সব দলের প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত হবে। ইসি এরপর নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। তফসিল অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনটিতে সব রাজনৈতিক দল বা জোট নতুন করে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। এরপর সংসদ সদস্যদের ভোটে ওই সংরক্ষিত আসনটিতে সদস্য নির্বাচন করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যাছাই-বাছাইয়ে কারো প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী আসন উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এরপর আমরা আবার একটা তফসিল দেব। ওই আসনে সবাই যার যার প্রার্থী দেবে। এরপর সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে ওই উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।”

লেবাননে একজন ইসরায়েলি সেনার যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙার একটি ছবি যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক ক্রোধের জন্ম দিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদক আলি হার্বের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ইসরায়েলের প্রতি ক্রমবর্ধমান ক্রোধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীন সামরিক প্রতিশ্রুতির মাঝে মার্কিন পেন্টাগনে এমন একটি অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসে পড়েছে যা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের নেতৃত্বের ধরন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। প্রভাবশালী মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত লারা সেলিগম্যান, মার্কাস ওয়েইসগারবার ও মেরিডিথ ম্যাকগ্রোর

ইরান যুদ্ধ তাই শুধু একটি সামরিক সংঘাত নয়–এটি বৈশ্বিক আর্থিক শৃঙ্খলার একটি পরীক্ষা। হরমুজে ইউয়ান, আমিরাতের হুমকি, ইরানের ক্রিপ্টোকারেন্সিতে টোল আদায়–এই সবকিছু মিলিয়ে একটি বার্তা স্পষ্ট হচ্ছে: মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, সেই ভিত্তিটাই এই যুদ্ধে কাঁপছে।