ফজলুল কবির

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৭ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহওয়া অধিদপ্তর।
রাজধানী ঢাকা গড়ে ওঠা অপরিকল্পিতভাবে। এটা প্রায়ই বলা হয়। কিন্তু কতটা? যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানচিত্র-বিষয়ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাপকোয়েস্ট বিশ্বের সবচেয়ে অগোছালো শহরের তালিকা করে। তাদের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৬-এ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ৮ মাত্রা বা তার চেয়ে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে রকম ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অন্তত ৬ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রাণহানি হবে অন্তত ৩ লাখ মানুষের।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘‘আতঙ্কিত হয়ে তো কোনো সমাধান আসবে না। বরং প্রস্তুতি নিলে বিপর্যয়ের মাত্রা কমানো যায়। সে জন্য সতর্ক হতে হবে।’’
রাজধানী ও এর আশপাশে ভূমিকম্প প্রবণতা কেমন, তা নিয়ে কথা বলেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমে বুঝতে হবে ভূমিকম্প কেন হয়। ভূপৃষ্ঠের নিচে যে নরম শিলার স্তর, তার নিচে আছে শক্ত শিলার স্তর। এই শক্ত শিলার স্তরের মুখোমুখি, বা পাশাপাশি বা বিপরীতমুখী গতির কারণেই ভূমিকম্প হয়। এই গতি অনেক কম বলে আমরা টের পাই না। পৃথিবীতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ভূমিকম্প হয়। এর মাত্রা যখন বেশি হয়, তখনই আমরা টের পাই। আমরা তো ভারতীয় প্লেটে আছি। এটি উত্তরে ইউরেশিয়া সাবপ্লেট এবং পূর্বে বার্মিজ (মিয়ানমার) সাবপ্লেটের সাথে যুক্ত। এই দুই সাবপ্লেটের সাথে ভারতীয় প্লেট মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত। আর আমাদের ভারতীয় প্লেট ক্রমান্বয়ে আমাদের বিপরীত দিকের প্লেটের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক ধীরে। এই সাবডাকশন বা তলিয়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট যেকোনো ভূমিকম্প সবচেয়ে বিপর্যয়কর হতে পারে।’’

ড. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘‘এই ভারতীয় প্লেট আবার ইউরেশিয়ান বা বার্মিজ সাবপ্লেটের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে বাঁকাভাবে। ফলে যতই তলিয়ে যাচ্ছে, এতে সৃষ্ট ভূমিকম্পের হাইপোসেন্টার ততই ঢাকার মতো বড় শহরগুলোর অবস্থান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই ভূমিকম্প যত গভীরে হবে, ততই ঢাকার মতো শহর থেকে এটি দূরে সরে যাবে। আর ঢাকার আশপাশে যেগুলো হচ্ছে, সেগুলোর গভীরতা কম। ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত গভীরে হলে আমরা এটাকে শ্যালো বা অগভীর বলি। এই ভূমিকম্প সাবডাকশন বা মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এটা হতে পারে স্থানীয় কোনো অংশে চ্যুতি বা ফল্ট সংঘটিত হওয়ার কারণে। এটা বড় ভূমিকম্পের জন্য যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করতে পারে না। তাই এ ধরনের ছোটখাটো ভূমিকম্প হলেই যে বড় ভূমিকম্প হবে, এমন আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।’’
তাহলে কি এই অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের তেমন আশঙ্কা নেই? আছে। তবে তা ভারতীয় প্লেট, ইউরেশিয়ান ও বার্মিজ সাবপ্লেটের সীমানায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, ‘‘আজ হোক কাল হোক এই সীমানায় বড় ভূমিকম্প হবে। কবে হবে, তা জানা না গেলেও হবে যে তা নিশ্চিত।’’
সে ক্ষেত্রে বড় ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকা বা এর আশপাশের অঞ্চল গুঁড়িয়ে যাবে, এমন আশঙ্কা প্রবল নয় বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ঢাকা নিয়ে আশঙ্কা কি একেবারেই নেই? আছে। সেই আশঙ্কার উৎস আসলে অন্য জায়গায়।
প্রথমেই বলা হয়েছে যে, ঢাকা গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। এর সাথে যুক্ত ঢাকার জনঘনত্বের বিষয়টি। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের দেওয়া তথ্যমতে, রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২৩ হাজার ২৩৪ জন লোক বাস করে। আর ঢাকায় জনসংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে ৩ শতাংশের বেশি হারে। ফলে এই জনঘনত্ব দিনদিন বাড়ছে।

ঢাকার জনঘনত্ব ভূমিকম্পের ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘‘ঢাকার কোনো কোনো জায়গায় জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫০ হাজারের মতো। খোলা স্থান একেবারেই কম। পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর, কোনো সন্দেহ নেই। পুরোনো এলাকাগুলোয় এমনকি সড়কের জন্যও ঠিকমতো জায়গা রাখা হয়নি। রানা প্লাজার কথা মনে করে দেখুন। একটি ভবন ধ্বসে গেল। সেখানে উদ্ধারকাজ শেষ করতে আমাদের দুই সপ্তাহ লেগে গেল। বড় ভূমিকম্প হলে ঢাকায় এমন হাজার হাজার রানা প্লাজা হবে। তখন আমরা কী করব?’’
ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘ঢাকায় ডোবা বা জলাশয় ভরাট করে অল্প সময়েই আমরা ইমারত গড়েছি। এর পাশাপাশি আরেকটা সমস্যা হলো যে, ভিত্তি শিলার ওপর ঢাকা দাঁড়িয়ে, সেটা তুলনামূলক নরম পাললিক শিলা। এ রকম শহর কিন্তু লন্ডনও। কিন্তু তারা আজ থেকে দুই-আড়াই শ বছর আগে অসংখ্য পিলার গেঁড়ে দিয়ে এই ভিতটাকে কিছুটা শক্ত করে নিয়েছে। আমরা কিন্তু তা করিনি।’’
করণীয় কী তবে? করণীয় হিসেবে প্রথমেই আসে বিল্ডিং কোড মেনে চলার বিষয়টি। এ নিয়ে বহুদিন ধরেই বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন। তাদের পরামর্শ হচ্ছে, এমন ঝুঁকিপূর্ণ অজস্র ভবন আছে। এগুলো রাতারাতি ভেঙে ফেলা যাবে না। তবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো হয় ধ্বংস, নয় তো সংস্কার করে ভূমিকম্পসহনীয় করার চেষ্টা করতে হবে। সচেতনতা কার্যক্রম চালানো। উন্মুক্ত এলাকা রাখা। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, সুয়ারেজ ইত্যাদির সরবরাহ লাইন এমনভাবে তৈরি করা, যাতে ভূমিকম্প হলে এগুলো মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা না হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বড় কথা হলো সচেতন করা, সিটি করপোরেশনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে এই কাজে এগিয়ে আসতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। জলাশয় ভরাট করে বা উন্মুক্ত স্থান না রেখে ভবন নির্মাণ যেন না করা যায়, সে বিষয়ে কঠোর হতে হবে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৭ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহওয়া অধিদপ্তর।
রাজধানী ঢাকা গড়ে ওঠা অপরিকল্পিতভাবে। এটা প্রায়ই বলা হয়। কিন্তু কতটা? যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানচিত্র-বিষয়ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাপকোয়েস্ট বিশ্বের সবচেয়ে অগোছালো শহরের তালিকা করে। তাদের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৬-এ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ৮ মাত্রা বা তার চেয়ে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে রকম ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অন্তত ৬ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রাণহানি হবে অন্তত ৩ লাখ মানুষের।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘‘আতঙ্কিত হয়ে তো কোনো সমাধান আসবে না। বরং প্রস্তুতি নিলে বিপর্যয়ের মাত্রা কমানো যায়। সে জন্য সতর্ক হতে হবে।’’
রাজধানী ও এর আশপাশে ভূমিকম্প প্রবণতা কেমন, তা নিয়ে কথা বলেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমে বুঝতে হবে ভূমিকম্প কেন হয়। ভূপৃষ্ঠের নিচে যে নরম শিলার স্তর, তার নিচে আছে শক্ত শিলার স্তর। এই শক্ত শিলার স্তরের মুখোমুখি, বা পাশাপাশি বা বিপরীতমুখী গতির কারণেই ভূমিকম্প হয়। এই গতি অনেক কম বলে আমরা টের পাই না। পৃথিবীতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ভূমিকম্প হয়। এর মাত্রা যখন বেশি হয়, তখনই আমরা টের পাই। আমরা তো ভারতীয় প্লেটে আছি। এটি উত্তরে ইউরেশিয়া সাবপ্লেট এবং পূর্বে বার্মিজ (মিয়ানমার) সাবপ্লেটের সাথে যুক্ত। এই দুই সাবপ্লেটের সাথে ভারতীয় প্লেট মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত। আর আমাদের ভারতীয় প্লেট ক্রমান্বয়ে আমাদের বিপরীত দিকের প্লেটের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক ধীরে। এই সাবডাকশন বা তলিয়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট যেকোনো ভূমিকম্প সবচেয়ে বিপর্যয়কর হতে পারে।’’

ড. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘‘এই ভারতীয় প্লেট আবার ইউরেশিয়ান বা বার্মিজ সাবপ্লেটের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে বাঁকাভাবে। ফলে যতই তলিয়ে যাচ্ছে, এতে সৃষ্ট ভূমিকম্পের হাইপোসেন্টার ততই ঢাকার মতো বড় শহরগুলোর অবস্থান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই ভূমিকম্প যত গভীরে হবে, ততই ঢাকার মতো শহর থেকে এটি দূরে সরে যাবে। আর ঢাকার আশপাশে যেগুলো হচ্ছে, সেগুলোর গভীরতা কম। ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত গভীরে হলে আমরা এটাকে শ্যালো বা অগভীর বলি। এই ভূমিকম্প সাবডাকশন বা মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এটা হতে পারে স্থানীয় কোনো অংশে চ্যুতি বা ফল্ট সংঘটিত হওয়ার কারণে। এটা বড় ভূমিকম্পের জন্য যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করতে পারে না। তাই এ ধরনের ছোটখাটো ভূমিকম্প হলেই যে বড় ভূমিকম্প হবে, এমন আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।’’
তাহলে কি এই অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের তেমন আশঙ্কা নেই? আছে। তবে তা ভারতীয় প্লেট, ইউরেশিয়ান ও বার্মিজ সাবপ্লেটের সীমানায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, ‘‘আজ হোক কাল হোক এই সীমানায় বড় ভূমিকম্প হবে। কবে হবে, তা জানা না গেলেও হবে যে তা নিশ্চিত।’’
সে ক্ষেত্রে বড় ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকা বা এর আশপাশের অঞ্চল গুঁড়িয়ে যাবে, এমন আশঙ্কা প্রবল নয় বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ঢাকা নিয়ে আশঙ্কা কি একেবারেই নেই? আছে। সেই আশঙ্কার উৎস আসলে অন্য জায়গায়।
প্রথমেই বলা হয়েছে যে, ঢাকা গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। এর সাথে যুক্ত ঢাকার জনঘনত্বের বিষয়টি। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের দেওয়া তথ্যমতে, রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২৩ হাজার ২৩৪ জন লোক বাস করে। আর ঢাকায় জনসংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে ৩ শতাংশের বেশি হারে। ফলে এই জনঘনত্ব দিনদিন বাড়ছে।

ঢাকার জনঘনত্ব ভূমিকম্পের ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘‘ঢাকার কোনো কোনো জায়গায় জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫০ হাজারের মতো। খোলা স্থান একেবারেই কম। পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর, কোনো সন্দেহ নেই। পুরোনো এলাকাগুলোয় এমনকি সড়কের জন্যও ঠিকমতো জায়গা রাখা হয়নি। রানা প্লাজার কথা মনে করে দেখুন। একটি ভবন ধ্বসে গেল। সেখানে উদ্ধারকাজ শেষ করতে আমাদের দুই সপ্তাহ লেগে গেল। বড় ভূমিকম্প হলে ঢাকায় এমন হাজার হাজার রানা প্লাজা হবে। তখন আমরা কী করব?’’
ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘ঢাকায় ডোবা বা জলাশয় ভরাট করে অল্প সময়েই আমরা ইমারত গড়েছি। এর পাশাপাশি আরেকটা সমস্যা হলো যে, ভিত্তি শিলার ওপর ঢাকা দাঁড়িয়ে, সেটা তুলনামূলক নরম পাললিক শিলা। এ রকম শহর কিন্তু লন্ডনও। কিন্তু তারা আজ থেকে দুই-আড়াই শ বছর আগে অসংখ্য পিলার গেঁড়ে দিয়ে এই ভিতটাকে কিছুটা শক্ত করে নিয়েছে। আমরা কিন্তু তা করিনি।’’
করণীয় কী তবে? করণীয় হিসেবে প্রথমেই আসে বিল্ডিং কোড মেনে চলার বিষয়টি। এ নিয়ে বহুদিন ধরেই বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন। তাদের পরামর্শ হচ্ছে, এমন ঝুঁকিপূর্ণ অজস্র ভবন আছে। এগুলো রাতারাতি ভেঙে ফেলা যাবে না। তবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো হয় ধ্বংস, নয় তো সংস্কার করে ভূমিকম্পসহনীয় করার চেষ্টা করতে হবে। সচেতনতা কার্যক্রম চালানো। উন্মুক্ত এলাকা রাখা। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, সুয়ারেজ ইত্যাদির সরবরাহ লাইন এমনভাবে তৈরি করা, যাতে ভূমিকম্প হলে এগুলো মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা না হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বড় কথা হলো সচেতন করা, সিটি করপোরেশনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে এই কাজে এগিয়ে আসতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। জলাশয় ভরাট করে বা উন্মুক্ত স্থান না রেখে ভবন নির্মাণ যেন না করা যায়, সে বিষয়ে কঠোর হতে হবে।