
ভারতের নতুন ‘জাতির পিতা’ কারা?
স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তো একাধিক হতে পারেন না! বিজেপি হয়তো ভারতের জাতীয় পরিচয় ও প্রতীকে নতুন রং যোগ করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ইতিহাসকে নতুনভাবে সাজানোর এই চেষ্টা মানুষের মধ্যে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হয়নি।

আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেক সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
তবে আমন্ত্রণ পেলেও প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো নিশ্চিত নয়। সর্বশেষ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে। আলোচনার মাধ্যমে সরকারপ্রধানের সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।
এর আগে এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেছিলেন, তারেক রহমানের একটি দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের কারণে এ প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
মুখপাত্র বলেন, “আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।” এ লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের অনুরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এরপর গত মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতীয় মিশন ঢাকাকে ‘অতীত ভুলে যেতে’ বলছে না। তবে অতীতের সমস্যাগুলো সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের যেকোনো সমস্যা শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেছেন দীনেশ ত্রিবেদী।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, তারেক রহমানের সফর ঘিরে এমন পরিস্থিতির কারণে প্রতিবেশী এই দুই দেশের টানাপোড়েনের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে উত্তেজনা শুরু হয়। ওই আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতন ঘটে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন।
দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক সঞ্জয় ভরদ্বাজ আল জাজিরাকে বলেন, তারেক রহমান তার প্রথম ভারত সফর পিছিয়ে দিয়ে মূলত দেশের মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করছেন।
সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়া হয়েছে। তবে হাসিনার সরকারও বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমানও ১৭ বছরের বেশি সময় লন্ডনে নির্বাসনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। অর্থপাচার ও শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের একটি মামলায় তার অনুপস্থিতিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
এই অধ্যাপক আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। কিন্তু তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নের থেকে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মত তার।
সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের বড় বিরোধের কারণ। তবে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে ভারত ও বাংলাদেশকে এই বিষয়টি পেছনে রেখে এগোতে হবে।”
ভারতের ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত আল জাজিরাকে বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করতেই হবে, কারণ এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। শুধু সময় পার হলেই দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে না। তার প্রশ্ন–যখন দুই দেশের মধ্যে কোনো আলোচনা ও যোগাযোগ নেই, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় কী?”
শ্রীরাধা বলেন, শুরুতে দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্কের পরিবেশ তৈরি হলেও তাদের জাতীয়তাবাদী বক্তব্যের কারণে সেই অগ্রগতিতে ভাটা পড়ে। সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে গত বছর তারেক রহমানের মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় গিয়েছিল।
তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, নতুন বাংলাদেশ সরকার হয়তো একইভাবে ভারতকে দেখবে না। এ বাস্তবতা ভারতকে মেনে নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
তবে শ্রীরাধা বলেন, “এতে কিছু যায় আসে না। ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ। নিজেদের প্রয়োজন ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
দুই দেশের কৌশলগত যোগাযোগের ফলে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের রহমান হবে কিনা তা হয়তো খুব শিগগিরই জানা যাবে। সেই সঙ্গে এই সফর ঘিরে প্রতিবেশী দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে সে দিকেই নজর এখন বিভিন্ন মহলের।
দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক সঞ্জয় ভরদ্বাজ আল জাজিরাকে বলেন, তারেক রহমান তার প্রথম ভারত সফর পিছিয়ে দিয়ে মূলত দেশের মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করছেন।
সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়া হয়েছে। তবে হাসিনার সরকারও বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমানও ১৭ বছরের বেশি সময় লন্ডনে নির্বাসনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। অর্থপাচার ও শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের একটি মামলায় তার অনুপস্থিতিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
এই অধ্যাপক আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। কিন্তু তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নের থেকে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মত তার।
সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের বড় বিরোধের কারণ। তবে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে ভারত ও বাংলাদেশকে এই বিষয়টি পেছনে রেখে এগোতে হবে।”
ভারতের ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত আল জাজিরাকে বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করতেই হবে, কারণ এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। শুধু সময় পার হলেই দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে না। তার প্রশ্ন–যখন দুই দেশের মধ্যে কোনো আলোচনা ও যোগাযোগ নেই, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় কী?”
শ্রীরাধা বলেন, শুরুতে দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্কের পরিবেশ তৈরি হলেও তাদের জাতীয়তাবাদী বক্তব্যের কারণে সেই অগ্রগতিতে ভাটা পড়ে। সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে গত বছর তারেক রহমানের মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় গিয়েছিল।
তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, নতুন বাংলাদেশ সরকার হয়তো একইভাবে ভারতকে দেখবে না। এ বাস্তবতা ভারতকে মেনে নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
তবে শ্রীরাধা বলেন, “এতে কিছু যায় আসে না। ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ। নিজেদের প্রয়োজন ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
দুই দেশের কৌশলগত যোগাযোগের ফলে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের রহমান হবে কিনা তা হয়তো খুব শিগগিরই জানা যাবে। সেই সঙ্গে এই সফর ঘিরে প্রতিবেশী দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে সে দিকেই নজর এখন বিভিন্ন মহলের।

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তো একাধিক হতে পারেন না! বিজেপি হয়তো ভারতের জাতীয় পরিচয় ও প্রতীকে নতুন রং যোগ করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ইতিহাসকে নতুনভাবে সাজানোর এই চেষ্টা মানুষের মধ্যে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হয়নি।

গত শুক্রবারের একটি ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম নিজ বাসায় হত্যার শিকার হন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইয়াবা আসক্ত দুই প্রতিবেশী যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস

সামরিক ইতিহাসে এমন অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে যেখানে রণাঙ্গনে অসাধারণ পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনের পরও কৌশলগত ভুলের কারণে চূড়ান্ত পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। ইতিহাসবিদ ব্রেট ডেভোরো, যিনি রোমান অর্থনীতি ও সামরিক ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ, ফরেইন পলিসি পত্রিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক

আজকাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জেন-জি স্টাইলে ভিডিও বানাতে দেখা যায়। সম্প্রতি হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সময়ই মোদিকে জেন-জি বন্ধু বা মিত্র বলে সম্বোধন করে ভিডিও বানাতে দেখা গেছে। এমন কি ‘গেট রেডি উইদ মি’ টাইপ ভিডিও আপলোড করছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলছে,