চরচা ডেস্ক

“এমন সুযোগ জীবনে একবারই পাওয়া যায়, সারাজীবন এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়”– হজ নিয়ে নিজের অনুভূতি এভাবেই প্রকাশ করছিলেন পশ্চিম মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ৫৭ বছর বয়সী জাহির জুনিদ। তিনি বহু বছর ধরে টাকা জমিয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌভভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শুরু করে তেহরান। এরমধ্যে সৌদি আরবও ছিল। এতে ওই অঞ্চলে ভ্রমণ ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে জেট জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় যাতায়াত খরচও বেড়েছে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলেছে, এ বছরের হজে প্রায় ১৭ লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের বেশিরভাগই এশিয়া থেকে গিয়েছেন।
ইসলামের মূল পাঁচটি স্তম্ভের একটি হচ্ছে পবিত্র হজ। বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে হজ পালন করেন মুসল্লিরা। কোরআনে বলা হয়েছে, আর্থিক ও শারীরিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা উচিত।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো কিছু দেশ প্রতি বছর সৌদি আরবের দেওয়া হজ ভিসার পুরো কোটাই ব্যবহার করে ফেলে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ হজের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিল, অথচ বছরে দেশটির মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার মুসল্লি হজের সুযোগ পান। ফলে এই সুযোগ একবার পাওয়ার জন্য অনেককে ৪০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। আর যখন তাদের পালা আসে, তখন বেঁচে থাকলে সেই সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নতুন কোনো হামলা পিছিয়ে দিতে নাকি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছে সৌদি। তাছাড়া এ বছর কিছু হজযাত্রীকে বিকল্প রুটে উড়োজাহাজে যেতে হয়েছে। আবার নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এবং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বন্ধ হয়ে গেলে অনেক হজযাত্রী সেখানে আটকে পড়তে পারেন বলেও উদ্বেগ রয়েছে।

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ধর্মপ্রাণ অনেক মানুষের উদ্বেগ তুলনামূলক কম। বাংলাদেশের একটি ইসলামিক ট্যুর কোম্পানির পরিচালক হুসেইন আহমেদ বলেন, “হজের সময় কেউ মারা গেলে তারা মনে করেন, এর পুরস্কার হিসেবে জান্নাত পাবেন।”
মক্কার এক ট্যুর গাইড দ্য ইকোনমিস্টকে বলেন, “পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বেশি দেখা যাচ্ছে, তবে বাকি সবকিছু স্বাভাবিক।” যুদ্ধ নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হবে না বলেও তিনি জানান। কারণ রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক স্লোগান আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেছে সৌদি আরব এবং জোর দিয়ে বলেছে, এই সমাবেশ শুধু ইবাদতের জন্য।
সৌদি আরব এ বছর প্রায় ৩০ হাজার ইরানি হজযাত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। হজে থাকা বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আবসার উদ্দিন বলেন, “কে ইরানি তা বোঝাই কঠিন, কারণ হাজার হাজার মানুষ একই সাদা পোশাক পরে একসঙ্গে নামাজ পড়ছেন।”
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভ্রমণের বাড়তি খরচ সামলাতে এশিয়ার কিছু দেশ হজযাত্রীদের অতিরিক্ত সহায়তা দিচ্ছে। জানা গেছে, ইন্দোনেশিয়া সরকার বাড়তি খরচ মেটাতে রাষ্ট্রীয় বাজেট থেকে ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন রুপিয়া বা প্রায় ১০ কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়েছে।
অন্যদিকে অনেক হজযাত্রীকে বাড়তি খরচ নিজেদেরই বহন করতে হচ্ছে। ভারতে হজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি সংস্থা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত ১০ হাজার রুপি (প্রায় ১০৫ ডলার) নিচ্ছে। ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলো যে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল, তার তুলনায় এটি কম হলেও অনেক মানুষের জন্য এখনও তা বড় অঙ্কের অর্থ।
তবে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর আগেই অনেক হজযাত্রীই বাড়তে থাকা খরচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। হুসেইন আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে হজের একটি প্যাকেজের খরচ ছিল প্রায় ৩ লাখ টাকা। এ বছর তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। কিন্তু এই সময়ে খুব কম মানুষেরই আয় দ্বিগুণ হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর একটি কারণ হলো, করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকে উড়োজাহাজ ভাড়া অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি এশিয়ার কয়েকটি দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং স্থানীয় মুদ্রার মূল্য কমেছে। তাছাড়া মক্কায় নতুন ও বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণের জন্য পুরোনো ও তুলনামূলক সস্তা থাকার জায়গাগুলো ভেঙে ফেলেছে সৌদি সরকার।
হুসেইন আহমেদ বলেন, “হজযাত্রীরা এখন ভালো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, কিন্তু হজ এখন মূলত ধনীদের সামর্থ্যের মধ্যে চলে যাচ্ছে।”
মালয়েশিয়ার জাহির জুনিদও বলেন, কয়েক বছর আগে মধ্যবিত্ত মালয়েশিয়ানরা হজের খরচ বহন করতে পারলেও এখন তাদের জন্য সেটি কঠিন হয়ে গেছে।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, খরচ বাড়ার কারণে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে হজ ভিসার পুরো কোটা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। যদিও মহামারির আগে তা সাধারণত পূরণ হতো। এ বছর বাংলাদেশ ১ লাখ ২৭ হাজারের পরিবর্তে কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ করতে রাজি হয়েছে।
ব্রিটিশ সাময়িকীটি বলছে, ভবিষ্যতে খরচ কমাতে সরকার আবার সমুদ্রপথে হজযাত্রী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ। ১৯৮০-এর দশকের পর বাংলাদেশ আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করেনি। এখন অনেক বাংলাদেশি তুলনামূলক সস্তা বিকল্প হিসেবে ওমরাহ পালন করছেন। সারা বছরই ওমরাহ করা যায় এবং এটি ১ জুন থেকে আবার শুরু হবে।
তবে ওমরাহও দিন দিন ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। হজের মতো এখানেও ধনী ও গরিবের পার্থক্য স্পষ্ট। ধনী যাত্রীরা ভিআইপি প্যাকেজ নেন এবং মসজিদুল হারামের কাছাকাছি উন্নত হোটেলে থাকেন। আর ওমরাহর জন্য কোনো কোটা না থাকায় অনেকের পক্ষে একাধিকবার এই সফর করা সহজ হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কেউ কেউ কতবার ওমরাহ করেছেন, তা নিয়ে গর্ব করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই হিসাবও প্রকাশ করেন। এতে এই ধর্মীয় আয়োজনের মূল চেতনা কিছুটা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেই মনে হয়। কারণ ইসলামে আল্লাহর কাছে সব মুসলমানের সমান হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

“এমন সুযোগ জীবনে একবারই পাওয়া যায়, সারাজীবন এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়”– হজ নিয়ে নিজের অনুভূতি এভাবেই প্রকাশ করছিলেন পশ্চিম মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ৫৭ বছর বয়সী জাহির জুনিদ। তিনি বহু বছর ধরে টাকা জমিয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌভভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শুরু করে তেহরান। এরমধ্যে সৌদি আরবও ছিল। এতে ওই অঞ্চলে ভ্রমণ ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে জেট জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় যাতায়াত খরচও বেড়েছে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলেছে, এ বছরের হজে প্রায় ১৭ লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের বেশিরভাগই এশিয়া থেকে গিয়েছেন।
ইসলামের মূল পাঁচটি স্তম্ভের একটি হচ্ছে পবিত্র হজ। বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে হজ পালন করেন মুসল্লিরা। কোরআনে বলা হয়েছে, আর্থিক ও শারীরিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা উচিত।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো কিছু দেশ প্রতি বছর সৌদি আরবের দেওয়া হজ ভিসার পুরো কোটাই ব্যবহার করে ফেলে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ হজের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিল, অথচ বছরে দেশটির মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার মুসল্লি হজের সুযোগ পান। ফলে এই সুযোগ একবার পাওয়ার জন্য অনেককে ৪০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। আর যখন তাদের পালা আসে, তখন বেঁচে থাকলে সেই সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নতুন কোনো হামলা পিছিয়ে দিতে নাকি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছে সৌদি। তাছাড়া এ বছর কিছু হজযাত্রীকে বিকল্প রুটে উড়োজাহাজে যেতে হয়েছে। আবার নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এবং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বন্ধ হয়ে গেলে অনেক হজযাত্রী সেখানে আটকে পড়তে পারেন বলেও উদ্বেগ রয়েছে।

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ধর্মপ্রাণ অনেক মানুষের উদ্বেগ তুলনামূলক কম। বাংলাদেশের একটি ইসলামিক ট্যুর কোম্পানির পরিচালক হুসেইন আহমেদ বলেন, “হজের সময় কেউ মারা গেলে তারা মনে করেন, এর পুরস্কার হিসেবে জান্নাত পাবেন।”
মক্কার এক ট্যুর গাইড দ্য ইকোনমিস্টকে বলেন, “পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বেশি দেখা যাচ্ছে, তবে বাকি সবকিছু স্বাভাবিক।” যুদ্ধ নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হবে না বলেও তিনি জানান। কারণ রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক স্লোগান আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেছে সৌদি আরব এবং জোর দিয়ে বলেছে, এই সমাবেশ শুধু ইবাদতের জন্য।
সৌদি আরব এ বছর প্রায় ৩০ হাজার ইরানি হজযাত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। হজে থাকা বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আবসার উদ্দিন বলেন, “কে ইরানি তা বোঝাই কঠিন, কারণ হাজার হাজার মানুষ একই সাদা পোশাক পরে একসঙ্গে নামাজ পড়ছেন।”
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভ্রমণের বাড়তি খরচ সামলাতে এশিয়ার কিছু দেশ হজযাত্রীদের অতিরিক্ত সহায়তা দিচ্ছে। জানা গেছে, ইন্দোনেশিয়া সরকার বাড়তি খরচ মেটাতে রাষ্ট্রীয় বাজেট থেকে ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন রুপিয়া বা প্রায় ১০ কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়েছে।
অন্যদিকে অনেক হজযাত্রীকে বাড়তি খরচ নিজেদেরই বহন করতে হচ্ছে। ভারতে হজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি সংস্থা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত ১০ হাজার রুপি (প্রায় ১০৫ ডলার) নিচ্ছে। ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলো যে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল, তার তুলনায় এটি কম হলেও অনেক মানুষের জন্য এখনও তা বড় অঙ্কের অর্থ।
তবে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর আগেই অনেক হজযাত্রীই বাড়তে থাকা খরচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। হুসেইন আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে হজের একটি প্যাকেজের খরচ ছিল প্রায় ৩ লাখ টাকা। এ বছর তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। কিন্তু এই সময়ে খুব কম মানুষেরই আয় দ্বিগুণ হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর একটি কারণ হলো, করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকে উড়োজাহাজ ভাড়া অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি এশিয়ার কয়েকটি দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং স্থানীয় মুদ্রার মূল্য কমেছে। তাছাড়া মক্কায় নতুন ও বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণের জন্য পুরোনো ও তুলনামূলক সস্তা থাকার জায়গাগুলো ভেঙে ফেলেছে সৌদি সরকার।
হুসেইন আহমেদ বলেন, “হজযাত্রীরা এখন ভালো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, কিন্তু হজ এখন মূলত ধনীদের সামর্থ্যের মধ্যে চলে যাচ্ছে।”
মালয়েশিয়ার জাহির জুনিদও বলেন, কয়েক বছর আগে মধ্যবিত্ত মালয়েশিয়ানরা হজের খরচ বহন করতে পারলেও এখন তাদের জন্য সেটি কঠিন হয়ে গেছে।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, খরচ বাড়ার কারণে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে হজ ভিসার পুরো কোটা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। যদিও মহামারির আগে তা সাধারণত পূরণ হতো। এ বছর বাংলাদেশ ১ লাখ ২৭ হাজারের পরিবর্তে কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ করতে রাজি হয়েছে।
ব্রিটিশ সাময়িকীটি বলছে, ভবিষ্যতে খরচ কমাতে সরকার আবার সমুদ্রপথে হজযাত্রী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ। ১৯৮০-এর দশকের পর বাংলাদেশ আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করেনি। এখন অনেক বাংলাদেশি তুলনামূলক সস্তা বিকল্প হিসেবে ওমরাহ পালন করছেন। সারা বছরই ওমরাহ করা যায় এবং এটি ১ জুন থেকে আবার শুরু হবে।
তবে ওমরাহও দিন দিন ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। হজের মতো এখানেও ধনী ও গরিবের পার্থক্য স্পষ্ট। ধনী যাত্রীরা ভিআইপি প্যাকেজ নেন এবং মসজিদুল হারামের কাছাকাছি উন্নত হোটেলে থাকেন। আর ওমরাহর জন্য কোনো কোটা না থাকায় অনেকের পক্ষে একাধিকবার এই সফর করা সহজ হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কেউ কেউ কতবার ওমরাহ করেছেন, তা নিয়ে গর্ব করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই হিসাবও প্রকাশ করেন। এতে এই ধর্মীয় আয়োজনের মূল চেতনা কিছুটা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেই মনে হয়। কারণ ইসলামে আল্লাহর কাছে সব মুসলমানের সমান হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি জোরালো ও বিচক্ষণতার সাথে আলোচনা করে, তবে তারা কিউবানদের একটি বড় উপকার করতে পারে। আর যদি তারা সশস্ত্র শক্তির আশ্রয় নেয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও অনেক খারাপ করে তুলতে পারে। এবার ট্রাম্প হয়তো ইরানের কাছ থেকে সেই শিক্ষাটি নিয়েছেন।

মুম্বাই থেকে চেন্নাই- পুরো ভারতজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়নের বড় মাশুল গুনতে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। নিম্ন আয়ের দলিত পরিবারগুলোর অভিযোগ, এলাকায় ডেটা সেন্টার আসার কারণে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে অথবা জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।