চরচা প্রতিবেদক

ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করে হেলমেট, গ্লাভস খুলে দুহাত দিয়ে দেখালেন ‘হার্ট’ এবং বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে দিলেন স্যালুট… সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করে বৈভব সূর্যবংশী কি একটা বার্তাই দিতে চাইলেন?
বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বিশ্ব ক্রিকেটে নিজের আগমনী বার্তা দিয়ে রেখেছিলেন গত আইপিএলেই। তবে সূর্যবংশী এবারের আইপিএলে এতোটাই অভাবনীয় ব্যাটিং করছেন যে, তাকে নতুন করে বিশেষণে বিশেষায়িত করাটা ক্রমশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। হায়দরাবাদের বিপক্ষে রাজস্থান হেরে গেলেও নজরকাড়া ব্যাটিংয়ে আরও একবার বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের মাঝপথেই তাই প্রশ্নটা আরও জোরাল হচ্ছে–এখনই কি ভারত জাতীয় দলে ডাক পাওয়া উচিত সূর্যবংশীর? অনেকটা ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ব্রায়ান লারার মতো?

দুজনের মাঝে অবশ্য বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কোনো মিল নেই। ব্যাটিং পজিশন, স্টাইল–সবই ভিন্ন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার কার্লোস ব্র্যাথওয়েট মনে করছেন, লারার মতোই আগেভাগেই সূর্যবংশীকেও জাতীয় দলে নেওয়া উচিত।
আইপিএল ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন সূর্যবংশী। ৪০.৬০ গড়ে ২ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটিতে করেছেন ৬০৯ রান। আর স্ট্রাইক রেট? ২২২.২৬! অর্থাৎ, ভারতের এই বিস্ময় বালক শুধু রানই করছেন না, একই সঙ্গে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পসরা সাজিয়ে বজায় রাখছেন ধারাবাহিকতাও। আর তাই তাকে ভারত দলে খেলিয়ে দেওয়ার দাবিটা ক্রমশ বাড়ছে।
ব্র্যাথওয়েটেরও মনে হচ্ছে, এটাই সূর্যবংশীকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আদর্শ সময়। কেন, সেটার পক্ষেও মত দিয়েছেন ইএসপিএনক্রিকইনফোর অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন, “ব্রায়ান লারাকে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কী করেছিল? তারা তাকে ভিভ রিচার্ডসের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে দলে রেখেছিল। তখনকার সময়টাও ভিন্ন ছিল। অনেক ট্যুর ম্যাচ হতো, ফলে আন্তর্জাতিক অভিষেকের আগেই লারা সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে থেকে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল। এরপর অভিষেকের পর তার ক্যারিয়ার কীভাবে এগিয়েছে, তা তো আমরা সবাই জানি।”

২১ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত লারা পরে হয়েছেন ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। সূর্যবংশীকে নিয়েও ভারতের কাছ থেকে এমন কিছুর প্রত্যাশা ব্র্যাথওয়েটের, “তাকে এখনই ভারতীয় দলে রাখা যেতে পারে, যেন সে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, সুরিয়াকুমার যাদবদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পায়। ভারত দলে তার কাছাকাছি বয়সের এমন কিছু তরুণ খেলোয়াড়ও আছে, যাদের কাছ থেকেও সে শিখতে পারবে। সরাসরি কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়ার আগে এটাই হতে পারে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।”
এবারের আইপিএলে সূর্যবংশীর স্কোর যথাক্রমে ৫২, ৩১, ৩৯, ৭৮, ০, ৪৬, ৮ ও ১০৩। রাজস্থানের বিপক্ষে ইনিংসের প্রথম ওভারেই বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে টানা চারটি ছক্কা মারেন তিনি। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই এরপর ছক্কায় ওড়ান প্যাট কামিন্সকে। মাত্র ১৫ বলে করেন ফিফটি। আইপিএলের ইতিহাসে এখন সবচেয়ে বেশি ১৫ বা তার কম ডেলিভারিতে পঞ্চাশ রানের রেকর্ড সূর্যবংশীর (৩ বার)।
পরের পঞ্চাশ রান করতে অবশ্য খেলেন ২১টি বল। ফলে মাত্র ৩৬ বলেই তিন অঙ্কের ঘরে পা রাখলেও ইনিংসটি কিছুটা ধীরগতির মনে হতেই পারে। এই বয়সে নিজের মানদণ্ড এতোটাই উঁচুতে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন সূর্যবংশী।
এরপরও সেরা ফর্মে থাকলেও সূর্যবংশীর ভারত জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা কঠিনই বটে। প্রথমত, লারার সময়ে আন্তর্জাতিক সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ থাকত অনেক। আর এখন সেই প্রচলন নেই বললেই চলে। দ্বিতীয়ত, দলে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। টানা দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা ভারতীয় দলে জায়গা হচ্ছে না ইয়াশাসভি জয়সওয়ালের মতো ওপেনারের।
আর সবশেষ, ভারতীয় ক্রিকেটের চাপ। সূর্যবংশীকে দলে নিয়ে যদি না খেলানো হয়, সেটা নির্বাচকদের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি করবে। আর যদি খেলানো হয় এবং তিনি সেই চাপ নিতে না পারেন, সেখানেও নির্বাচকদেরই কাঠগড়ায় তোলা হবে। সবদিক মিলিয়েই তাই লারার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সূর্যবংশীর ভারত দলে ডাক পাওয়াটা অনেক যদি এবং কিন্তুর ওপরই নির্ভর করছে।

ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করে হেলমেট, গ্লাভস খুলে দুহাত দিয়ে দেখালেন ‘হার্ট’ এবং বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে দিলেন স্যালুট… সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করে বৈভব সূর্যবংশী কি একটা বার্তাই দিতে চাইলেন?
বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বিশ্ব ক্রিকেটে নিজের আগমনী বার্তা দিয়ে রেখেছিলেন গত আইপিএলেই। তবে সূর্যবংশী এবারের আইপিএলে এতোটাই অভাবনীয় ব্যাটিং করছেন যে, তাকে নতুন করে বিশেষণে বিশেষায়িত করাটা ক্রমশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। হায়দরাবাদের বিপক্ষে রাজস্থান হেরে গেলেও নজরকাড়া ব্যাটিংয়ে আরও একবার বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের মাঝপথেই তাই প্রশ্নটা আরও জোরাল হচ্ছে–এখনই কি ভারত জাতীয় দলে ডাক পাওয়া উচিত সূর্যবংশীর? অনেকটা ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ব্রায়ান লারার মতো?

দুজনের মাঝে অবশ্য বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কোনো মিল নেই। ব্যাটিং পজিশন, স্টাইল–সবই ভিন্ন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার কার্লোস ব্র্যাথওয়েট মনে করছেন, লারার মতোই আগেভাগেই সূর্যবংশীকেও জাতীয় দলে নেওয়া উচিত।
আইপিএল ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন সূর্যবংশী। ৪০.৬০ গড়ে ২ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটিতে করেছেন ৬০৯ রান। আর স্ট্রাইক রেট? ২২২.২৬! অর্থাৎ, ভারতের এই বিস্ময় বালক শুধু রানই করছেন না, একই সঙ্গে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পসরা সাজিয়ে বজায় রাখছেন ধারাবাহিকতাও। আর তাই তাকে ভারত দলে খেলিয়ে দেওয়ার দাবিটা ক্রমশ বাড়ছে।
ব্র্যাথওয়েটেরও মনে হচ্ছে, এটাই সূর্যবংশীকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আদর্শ সময়। কেন, সেটার পক্ষেও মত দিয়েছেন ইএসপিএনক্রিকইনফোর অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন, “ব্রায়ান লারাকে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কী করেছিল? তারা তাকে ভিভ রিচার্ডসের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে দলে রেখেছিল। তখনকার সময়টাও ভিন্ন ছিল। অনেক ট্যুর ম্যাচ হতো, ফলে আন্তর্জাতিক অভিষেকের আগেই লারা সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে থেকে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল। এরপর অভিষেকের পর তার ক্যারিয়ার কীভাবে এগিয়েছে, তা তো আমরা সবাই জানি।”

২১ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত লারা পরে হয়েছেন ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। সূর্যবংশীকে নিয়েও ভারতের কাছ থেকে এমন কিছুর প্রত্যাশা ব্র্যাথওয়েটের, “তাকে এখনই ভারতীয় দলে রাখা যেতে পারে, যেন সে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, সুরিয়াকুমার যাদবদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পায়। ভারত দলে তার কাছাকাছি বয়সের এমন কিছু তরুণ খেলোয়াড়ও আছে, যাদের কাছ থেকেও সে শিখতে পারবে। সরাসরি কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়ার আগে এটাই হতে পারে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।”
এবারের আইপিএলে সূর্যবংশীর স্কোর যথাক্রমে ৫২, ৩১, ৩৯, ৭৮, ০, ৪৬, ৮ ও ১০৩। রাজস্থানের বিপক্ষে ইনিংসের প্রথম ওভারেই বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে টানা চারটি ছক্কা মারেন তিনি। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই এরপর ছক্কায় ওড়ান প্যাট কামিন্সকে। মাত্র ১৫ বলে করেন ফিফটি। আইপিএলের ইতিহাসে এখন সবচেয়ে বেশি ১৫ বা তার কম ডেলিভারিতে পঞ্চাশ রানের রেকর্ড সূর্যবংশীর (৩ বার)।
পরের পঞ্চাশ রান করতে অবশ্য খেলেন ২১টি বল। ফলে মাত্র ৩৬ বলেই তিন অঙ্কের ঘরে পা রাখলেও ইনিংসটি কিছুটা ধীরগতির মনে হতেই পারে। এই বয়সে নিজের মানদণ্ড এতোটাই উঁচুতে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন সূর্যবংশী।
এরপরও সেরা ফর্মে থাকলেও সূর্যবংশীর ভারত জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা কঠিনই বটে। প্রথমত, লারার সময়ে আন্তর্জাতিক সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ থাকত অনেক। আর এখন সেই প্রচলন নেই বললেই চলে। দ্বিতীয়ত, দলে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। টানা দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা ভারতীয় দলে জায়গা হচ্ছে না ইয়াশাসভি জয়সওয়ালের মতো ওপেনারের।
আর সবশেষ, ভারতীয় ক্রিকেটের চাপ। সূর্যবংশীকে দলে নিয়ে যদি না খেলানো হয়, সেটা নির্বাচকদের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি করবে। আর যদি খেলানো হয় এবং তিনি সেই চাপ নিতে না পারেন, সেখানেও নির্বাচকদেরই কাঠগড়ায় তোলা হবে। সবদিক মিলিয়েই তাই লারার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সূর্যবংশীর ভারত দলে ডাক পাওয়াটা অনেক যদি এবং কিন্তুর ওপরই নির্ভর করছে।

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদে এক জটিল ও বহুস্তরীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে। ঠিক ছয় মাস আগে সনদটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও ছিল একই চিত্র। সনদের আইনি বৈধতা এবং বাস্তবায়নের পথ নিয়ে মতপার্থক্য নানা পথ ঘুরে শেষমেশ যেন আবার একই বিন্দুতে এসে পৌঁছেছে।

সব যুদ্ধ এক রকম হয় না। মূলত প্রতিকূল একটি অঞ্চলে একটি ছোট গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ৭৮ বছর টিকে থাকার একটি কারণ হলো ইসরায়েলের নেতারা দীর্ঘদিন ধরে এই সত্যটি উপলব্ধি করেছিলেন। দ্য ইকোনমিস্টের সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তারা দেখেছিলেন কীভাবে যুদ্ধ প্রতিরোধ থেকে সবচেয়ে বড় লাভ আসে।