
বয়সই যে সব নয়, সেটি আবারও প্রমাণ করলেন বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৫ বছর বয়সে আইপিএলে রেকর্ডের বন্যা বইয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের জাতীয় দলেও ডাক পেয়েছেন এই বিস্ময়বালক। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা করে নিয়েছেন সূর্যবংশী।

“উপমহাদেশের ক্রিকেট আকাশে হঠাৎ জ্বলে ওঠা কোনো ধূমকেতু নয় সে, বরং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার মতো এক নতুন নক্ষত্রের নাম বৈভব সূর্যবংশী।” - যা ভাবছেন সেটাই ঠিক। জীবনানন্দ দাসের ভাষায় এভাবে ছন্দ মিলিয়ে দিয়েছে এআই প্রযুক্তি। খুব কি ভুল? অন্তত এবারের আইপিএলে যারা চোখ রাখছেন, তাদের পক্ষে এর বিপক্ষে মতামত দেওয়ার

বর্তমানে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি ক্রিস গেইলের দখলে। ২০১৩ সালে আইপিএলেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৬৬ বলে অপরাজিত ১৭৫ রান করেছিলেন ক্যারিবিয়ান এই কিংবদন্তি। এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই রেকর্ড কেউই ভাঙতে পারেননি।

গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই ব্যাট করেছেন প্রায় ২৩৩ স্ট্রাইক রেটে। বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটিং মানেই যেন আগ্রাসনের প্রতিশব্দ। তবে রাজস্থান রয়্যালসের বাঁচা-মরার ম্যাচে নিষ্প্রভ রইলেন ভারতীয় এই বিস্ময়বালক। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারলেন না বৈভব সূর্যবংশী।
নাহিদ রানার উত্থান কি হঠাৎ করেই? বয়সভিত্তিক দল থেকেই কি গতির ঝড় তুলতেন নাহিদ রানা? বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের পাইপলাইন কেমন? কেন অতীতে ইনজুরিতে হারিয়ে যেতেন বাংলাদেশের পেসাররা?

দুজনের মাঝে অবশ্য বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কোনো মিল নেই। ব্যাটিং পজিশন, স্টাইল–সবই ভিন্ন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার কার্লোস ব্র্যাথওয়েট মনে করছেন, লারার মতোই আগেভাগেই সূর্যবংশীকেও জাতীয় দলে নেওয়া উচিত।

রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটসম্যান উপহার দিয়েছেন আরেকটি ঝড়ো ফিফটি। চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছুটিয়ে গড়েছেন এমন এক রেকর্ডও, যা তার আগে করতে পারেননি আর কেউই।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, আইপিএল সম্প্রচার বন্ধে পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত এখনো বহাল রয়েছে।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলো বাংলাদেশকে ছাড়াই। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোনো বিশ্বকাপে ছিল না বাংলাদেশ। কিন্তু বিশ্বকাপ না খেলে, কী লাভ হলো বাংলাদেশের? বিষয়টি কী শুধুই আত্মগরিমার ব্যাপার? ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম কলকাতা গিয়েছিলেন বিশ্বকাপের দুটি ম্যাচ কাভার করতে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে আইপিএল থেকে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে দেশের ক্রিকেট এই মুহূর্তে যে অস্থির সময় পার করছে, এমনটা অতীতে কখনো হয়নি বলে মনে করেন অনেকেই। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের আপাতত কোনো রাস্তাও দেখা যাচ্ছে না বা বিসিবি সেই রাস্তা খুঁজে বের করতে পারছে না।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কাল বাফুফে ভবনে আইসিসির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দলের একটি চিঠির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাওয়ার কোনো পরিবেশ নেই বাংলাদেশের জন্য। তিনি নির্দিষ্ট করেই বলেছেন, আইসিসির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দল মোস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলেছ

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই বললেন এই কথা। আইসিসির নিরাপত্তা দলের পাঠানো চিঠিতে হতবাক বাংলাদেশ। তার সাফ কথা, ভারতে খেলার পরিবেশ নেই, এটা আর কীভাবে প্রমাণ করতে হবে? বাফুফে ভবন পরিদর্শনে গিয়ে প্রধানত তাকে ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে হলো।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, আইসিসি নাকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু স্থানান্তরের অনুরোধ অগ্রাহ্যই করতে যাচ্ছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল বিসিবি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, আইসিসি নাকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু স্থানান্তরের অনুরোধ অগ্রাহ্যই করতে যাচ্ছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল বিসিবি।