
সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে আরেক দফা বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসে পালমিরায় আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক মার্কিন বেসামরিক দোভাষী নিহত হওয়ার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়।

সিরিয়ার ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় কুর্দি কর্তৃপক্ষ উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার পাশাপাশি আলেপ্পোর কিছু অংশে আধা স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলে। এরপর ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির পর আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে ইসলামপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসে।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সাল থেকে সংগঠনটির যেকোনো সম্ভাব্য পুনরুত্থান ঠেকাতে রয়্যাল এয়ার ফোর্স সিরিয়ার আকাশে টহল চালিয়ে আসছে।

মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী পক্ষের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নতুন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে। অনেকেই আশা করছেন, এই নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে আরও সক্ষম হবে।

উত্তর ক্যারোলিনায় এক জনসভায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, সিরিয়ায় আইএস লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে আইএসের সন্দেহভাজন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, সিরীয় সরকারের সমর্থনে অভিযানটি ‘নিখুঁত ও অত্যন্ত সফল’

সেনা হত্যার প্রতিশোধ
সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শুক্রবার ‘ব্যাপক’ সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে আমেরিকান বাহিনীর ওপর সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালে এসে দ্য ইকোনমিস্ট তাদের বার্ষিক শিরোপাটি এমন একটি দেশের হাতে তুলে দিল যার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তন হয়েছে। এবারের দেশ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া।

আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরও সম্প্রসারিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার ফিলিস্তিন ও সিরিয়াসহ আটটি অতিরিক্ত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির প্রশাসন।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুইজন সেনা ও একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। হামলায় সেনাবাহিনীর তিন সদস্য আহতও হয়েছেন। এ ঘটনায় কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদী দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে কানাডার সরকার। সেইসঙ্গে বাশার আল-আসাদ সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করা বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নামও সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এই তথ্য এমন সময় সামনে এলো, যখন বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ রাশিয়ার আগ্রাসনের হুমকির কারণ দেখিয়ে ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি থেকে সরে আসার পদক্ষেপ নিচ্ছে।

রাশিয়ার মধ্যপ্রাচ্য নীতির মূল বিষয় এখন পশ্চিমাদের দ্বিমুখী স্বভাবের সমালোচনা করা। এর মাধ্যমে রাশিয়া এখন এমন একটা জায়গায় আছে যেখানে গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুসলিম দেশগুলো এবং ইউরোপীয় সমালোচনা ও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতিতে হতাশ ইসরায়েল উভয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব।