
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশে থাকা বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের তথ্য যাচাই করা হয়েছে আলোচনার মাধ্যমে তাদের ফেরত নেওয়া হবে। আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৬ সালের অক্টোবর ও নভে

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নৌ যোগাযোগ জোরদার এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুকতাদির ও ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, “তারা [মিয়ানমার] এখন মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।”

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা নিজেদের মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে জানান, তারা প্রায় দুই বছর আগে আরাকান আর্মির হাতে আটক হওয়ার পর থেকে রাখাইনের কাউয়ারবিল ক্যাম্পে জিম্মি ছিলেন।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো জানায়, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর মধ্যে প্রথম নৌকায় প্রায় ২৫০ জন যাত্রী ছিল। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই নৌকাটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দ্বিতীয় নৌকায় প্রায় ২৮০ জন যাত্রী ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাবতী উপকূলের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ১০৮ কিলোমিটার অংশে এই বেড়া নির্মাণ করা

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে চীনকে অবাধে বাণিজ্যের সুযোগ দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে চীন যেভাবে আমেরিকার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ওয়াশিংটন ভারতের ক্ষেত্রে সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চায় না।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলো পুনর্দখলে নিতে এবার মংডু শহরতলি ও বুথেডং এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা। ওপার থেকে ভেসে আসা একের পর এক ব

আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে যুক্ত করে একটি ইকোনমিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে চীন।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে হওয়া মিয়ানমারের জান্তা সরকার এখন টিকে থাকার জন্য চীন ও রাশিয়ার ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল।

মিয়ানমারের সামরিক সরকার মূলত রাশিয়া এবং চীনের মতো অল্প কিছু দেশের সমর্থনেই টিকে আছে। জাতিসংঘে কূটনৈতিক ঢাল হওয়ার পাশাপাশি রাশিয়া ও চীন জান্তাকে যুদ্ধবিমান, জ্বালানি, ড্রোন এবং ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার প্রযুক্তি দিচ্ছে, যা তাদের গৃহযুদ্ধে তীব্র করছে।

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে বাংলাদেশ বলেছে, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে চায়। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ সংকট বাংলাদেশের ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করেছে।

বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

মোদি হিসাব কষছেন যে, মিন অং হ্লাইংয়ের সাথে সম্পর্ক রাখলে ভারতের নিরাপত্তা এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা পাবে। আর মিন অং হ্লাইংয়ের হিসাব হলো, মোদির এই স্বাগত জানানো আগামী ডিসেম্বর এবং জানুয়ারির সাজানো নির্বাচনের পর তার বৈধতা ও স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিকে আরও জোরালো করবে। কিন্তু এই দুটি হিসাবই ভুল।

ওয়াশিংটন এখন মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসে দেশটির বর্তমান সামরিক জান্তা সরকারের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এই আকস্মিক পরিবর্তনের মূল কারণ হলো মিয়ানমারের মাটির নিচে থাকা বিপুল পরিমাণ বিরল খনিজ সম্পদ (রেয়ার-আর্থ মিনারেলস) হস্তগত করা।

দক্ষিণ এশিয়ায় রাষ্ট্রহীনতার বিষয়টি বুঝতে হলে আধুনিক নাগরিকত্ব ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, তা নতুনভাবে ভাবতে হবে। নাগরিকত্বের ধারণা দেখায়, আইনি সদস্যপদ বা নাগরিক স্বীকৃতি আসলে নিরপেক্ষ নয়, বরং এটি অতীত থেকে পাওয়া রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দ্বারা প্রভাবিত।

মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনির কাজের জন্য মজুত করে রাখা বিস্ফোরকের একটি গুদামে বিস্ফোরণে শিশুসহ ৪৫ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৭০ জন আহত হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে ভারত যাচ্ছেন মিয়ানমারের সাবেক সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। স্থানীয় সময় আজ শনিবার পাঁচ দিনের সফরে তার ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে।

২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট সেন্টমার্টিন নিবাসী মো. আমিন সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে তাকে আটক করে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি। তিনি জানান, বিনা অপরাধে তাকে মিয়ানমারে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়। ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান।