
শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ হলেও কক্ষপথে পৌঁছানোর আগেই নিয়ন্ত্রণ হারায় রকেট। এর ফলে এই উপগ্রহবাহী রকেটে থাকা ১৬টি উপগ্রহই মহাকাশে হারিয়ে গিয়েছে।

পৃথিবীর কয়েকশ মাইল উপরে, চীনের তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন শেনঝু-২১ মিশনের সাহসী নভোচারীরা। মিশন কমান্ডার ঝাং লু এবং নভোচারী উ ফেই ও ঝাং হংঝাং ইতিমধ্যে কক্ষপথে ৭০ দিনের বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। গত এক সপ্তাহে তারা সম্পন্ন করেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং রোমাঞ্চকর কাজ।

মিশেলার এই পথ সহজ ছিল না। ২০১৮ সালে একটি মাউন্টেন বাইকিং দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার মেরুদণ্ড বা স্পাইনাল কর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকেই চলাচলের জন্য হুইলচেয়ারই হয় তার একমাত্র সঙ্গী।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইলি ভিসবাল’র নেতৃত্বে একটি দল পপ থ্রি’র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। জেডব্লিউএসটি এর ইনফ্রারেড বর্ণালী বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে এই নক্ষত্র থেকে নির্গত আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

চীনের তিয়ানগং স্পেস স্টেশনে শেনঝৌ-২১ ক্রু সম্পন্ন করেছে নানা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং পূর্ণাঙ্গ জরুরি মহড়া। কক্ষপথে এক মাসে কী কী করলেন তিন নভোচারী?

আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে জানতেন বলে দাবি করা হয়ে নতুন এক প্রামাণ্যচিত্রে। আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক পোস্ট।

সূর্য থেকে বের হওয়া চার্জযুক্ত কণার স্রোত পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে আঘাত করলে সৌর ঝড় সৃষ্টি হয়। এটি স্যাটেলাইট, রেডিও যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে। সাম্প্রতিক সোলার ম্যাক্সিমামের কারণে এমন ঝড় ও অরোরা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা এতদিন মনে করতেন, পৃথিবীর মতো চাঁদে বায়ুমণ্ডল ও পানি না থাকায় সেখানে অক্সিডেশন প্রক্রিয়া সম্ভব নয়, অর্থাৎ লোহায় মরিচা পড়ার কথা নয়। কিন্তু এই আবিষ্কার সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে।

পৃথিবীতে ফিরে আসার পর বিজ্ঞানীরা এখন এই ইঁদুরদের আচরণগত, শারীরবৃত্তীয় এবং জৈব রাসায়নিক ডেটা বিশ্লেষণ করবেন। একই সময়ে, আরেক দল ইঁদুরকে পৃথিবীতে একইরকম পরিবেশে রাখা হয়েছিল। উভয় গ্রুপের ডেটা মিলিয়ে দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হবেন ঠিক কোন কোন কারণে মহাকাশে পরিবর্তন হচ্ছে।

এই গবেষণা মানবজাতির মহাকাশ অনুসন্ধানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ দেবে। ইঁদুরদের এই সাফল্য মানব মহাকাশ যাত্রার পথকে আরও মসৃণ করবে।
অফিস অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি মনে করে, মহাকাশযানের ডকিং বা চাঁদে অবতরণের মতো সূক্ষ্ম কাজের জন্য বর্তমান পদ্ধতির চেয়ে আরও বেশি নির্ভুলতা প্রয়োজন। যা পরবর্তীতে চন্দ্র অভিযানকে সহজ করে তুলবে।

আগামী ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর রাতে আবারও দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের এ সময় চাঁদ ধীরে ধীরে রূপ নেবে লালচে আভায়, যা আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে এক রহস্যময় সৌন্দর্যে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশ থেকে এক চমকপ্রদ নীহারিকার ছবি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞানীরা এটিকে ‘মহাজাগতিক প্রজাপতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।