মহাকাশ

মানুষ মঙ্গলে যেতে চায়, কিন্তু শুক্র গ্রহে কেন যায় না?
শুক্র একেবারেই পৃথিবীর পাশের গ্রহ। সোজা ভাষায় বললে প্রতিবেশীই। পৃথিবী থেকে শুক্র গ্রহে যেতে সময়ও কম লাগে অনেক। তবু বিজ্ঞানীরা শুক্র গ্রহে যেতে আগ্রহী নয়, বরং তারা যেতে আগ্রহী প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি দুরত্বের মঙ্গলে। কিন্তু কেন? শুক্র গ্রহে কী সমস্যা? এই গ্রহ দেখতেই বা কেমন?

যে মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলছে ইউরোপ
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ তখনই হয়, যখন চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে ফেলে। ফলে দিনের বেলাই কিছু সময়ের জন্য অন্ধকার নেমে আসে।

আজ একই সময়ে সূর্যের আলো পাবে পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ
আমাদের পৃথিবী এক অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে । আজ ৮ জুলাই, গ্রিনিচ মান সময় ঠিক ১১:১০ মিনিটে বিশ্বের অন্তত ৯৯ শতাংশ মানুষ (৮২০ কোটি) একই সাথে দিনের আলো অথবা গোধূলির আলো অনুভব করবেন।

মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
আজ রোববার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরস্থ স্পারসোর কার্যালয়ে পৌঁছান। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে আকস্মিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন তিনি।

মঙ্গলে কলোনি বানালেই আরও ধনী হয়ে যাবেন ইলন মাস্ক!
কোর্টনি ইউ আরও বলেন, “যদিও স্পেসএক্সের ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারের মূলধন অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, তবুও এটি বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা তৈরি করতে সাহায্য করে। যার মাধ্যমে কোম্পানির আসল লক্ষ্য আসলে কী বোঝা যায়।”

মহাকাশ কেন অন্ধকার?
বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র এবং আলোর প্রধান উৎস সূর্য মহাকাশে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করলেও, মহাকাশকে আমরা দেখি এক বিশাল অন্ধকার শূন্যতা হিসেবে। এই বিষয়টি প্রায়ই বিভ্রান্তি ও কৌতূহলের জন্ম দেয়। এটি মহাবিশ্বের অসংখ্য রহস্যের একটি হলেও, সৌভাগ্যবশত বিজ্ঞান এর সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়েছে।

মাস্কের সঙ্গে পাল্লা, কক্ষপথ হারাল বেজোসের রকেট?
জেফ বেজোসের নিউ গ্লেন রকেটের উৎক্ষেপণে বড় গোলযোগ। বুস্টার সফলভাবে নামলেও ভুল জায়গায় আটকে গেল মূল্যবান স্যাটেলাইট। ইলন মাস্কের স্পেস-এক্সের সাথে লড়াইয়ে এই ব্যর্থতা কতটা প্রভাব ফেলবে?

মহাকাশে হোটেল: বিলাসবহুল ভ্রমণের নতুন দিগন্ত
মহাকাশে ঘুমের সমস্যা একটি বড় বিষয়, কারণ দিনে ১৫-১৬ বার সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ঘটে। তাই কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে দিন-রাতের চক্র তৈরি করতে হবে।

চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
চন্দ্রপৃষ্ঠের খুব কাছ থেকে ঘুরে এসে নাসার ইন্টিগ্রিটি ক্যাপসুল প্রশান্ত মহাসাগরে সফলভাবে অবতরণ করেছে। চারজন অভিজ্ঞ নভোচারী নিয়ে এই মিশনটি মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করল। ২০২৮ সালে চাঁদে পুনরায় মানুষ নামানোর লক্ষ্যে এই পরীক্ষামূলক ফ্লাইটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
ঐতিহাসিক চন্দ্রাভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করেছেন আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী। আজ শনিবার সকাল ৬টা ৭ মিনিটে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিট) তাদের বহনকারী ‘ওরিয়ন’ মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে অবতরণ করে। এর মাধ্যমে ৯ দিন ১ ঘণ্টা

চাঁদে ঘুরে নিরাপদে পৃথিবীর পথে চার নভোচারী
আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্বে পৌঁছে অ্যাপোলো-১৩–এর পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে।
চাঁদে আগে যাবে রোবট, পরে মানুষ!
আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে! নাসার নতুন বস জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের এক মেমোতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। এখন আর শুধু ঘুরে আসা নয়, নাসা চায় চাঁদে স্থায়ী আস্তানা গড়তে। চীন আসুক আর না আসুক, নাসা সাফ জানিয়ে দিয়েছে,

চাঁদের বলয়ে ঢুকে পড়লেন চার নভোচারী, গড়লেন ইতিহাস
নাসার তথ্যমতে, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে তারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ৪ হাজার ১০২ মাইল বেশি।

আমরা যখন যুদ্ধ করছি, এ চারজন দেখলেন শান্ত এক পৃথিবী
পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে অজানার পথে! নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের ওরিয়ন ক্যাপসুল এখন চাঁদের পথে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক ঐতিহাসিক থ্রাস্টার ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে চার মহাকাশচারী পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করেছেন।

আমরা যখন যুদ্ধ করছি, এ চারজন দেখলেন শান্ত এক পৃথিবী
ওরিয়ন ক্যাপসুলের ছোট জানালার ওপাশে তখন আদিগন্ত নীল রঙের এক গোলক। যে ধুলিকণায় আমাদের সব আনন্দ, সব বেদনা—সেই পৃথিবী থেকে তখন ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন চারজন মহাকাশচারী।

চাঁদ নিয়ে কাড়াকাড়ি চীন-আমেরিকার, মার্কিন মিশনের আদ্যোপান্ত
তাদের এই ১০ দিনের সফরের সফল সমাপ্তিই ঠিক করে দেবে, পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো গ্রহে বসতি গড়তে পারবে কি না। সারা বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১০ এপ্রিলের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য, যখন ওরিয়ন সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

৫৩ বছর পর চাঁদে নভোচারী পাঠাল আমেরিকা
৫৩ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল আমেরিকা। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে এ ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেন।

৫৩ বছর পর চাঁদে যাচ্ছে মানুষ
দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন শেষে তারা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির অপেক্ষায়। লঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন জানিয়েছেন, কারিগরি ও আবহাওয়াগত দিক থেকে মিশনটি এখন পর্যন্ত বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

পৃথিবীর বাইরে বিশাল রেডিয়েটর বসানোর প্ল্যান, কিন্তু কেন
চ্যাট-জিপিটি কিংবা এআই, এইসব চালাতে যে ডাটা সেন্টার দরকার, সেটা জায়গা এবং কারেন্টের অভাবে এখন দুনিয়ায় চালানো দায়! এই সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ক এখন নজর দিইয়েছেন মহাকাশে। মহাকাশে ডাটা সেন্টার পাঠাইলে কি আসলেই খরচ কমাবে?

মহাকাশে ব্যায়ামের জন্য তৈরি হলো নতুন যন্ত্র
দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানে নভোচারীদের সুস্থ রাখতে তৈরি হচ্ছে নতুন ডিভাইস HIFIm। এটি ব্যবহার করে শূন্য মহাকর্ষেও শতাধিক ধরনের ব্যায়াম করা সম্ভব। ছোট ও বিদ্যুৎবিহীন এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতের মহাকাশ মিশনে কাজে লাগতে পারে।



