চরচা ডেস্ক

মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। চীনের মহাকাশ স্টেশন থেকে প্রায় দুই সপ্তাহের একটি সফল মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরে এল চার ইঁদুর নভোচারী।
এই ইঁদুরগুলো পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে অত্যন্ত মূল্যবান বৈজ্ঞানিক তথ্য।
গত ৩১ অক্টোবর শেনঝো-২১ মহাকাশযানে করে এই ইঁদুরদের মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, মহাকাশের কঠিন পরিবেশে জীবন্ত প্রাণী কীভাবে মানিয়ে নেয়, তা পরীক্ষা করা। সেখানে তাদের সার্বক্ষণিক ভিডিও নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।
বিজ্ঞানীরা জানতে চেয়েছেন, ওজনহীনতা এবং আবদ্ধ পরিবেশ ইঁদুরদের আচরণে কী ধরনের প্রভাব ফেলে।
মহাকাশে দিন-রাতের পার্থক্য না থাকায়, গবেষকরা তাদের আবাসস্থলে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করেছিলেন।
প্রতিদিন সকাল ৭টায় আলো জ্বালানো হতো এবং সন্ধ্যা ৭টায় নিভিয়ে দেওয়া হতো, যাতে করে তাদের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় থাকে। এছাড়া, ভাসমান বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য বিশেষ এয়ারফ্লো সিস্টেমও ছিল।
পৃথিবীতে ফিরে আসার পর বিজ্ঞানীরা এখন এই ইঁদুরদের আচরণগত, শারীরবৃত্তীয় এবং জৈব রাসায়নিক ডেটা বিশ্লেষণ করবেন। একই সময়ে, আরেক দল ইঁদুরকে পৃথিবীতে একইরকম পরিবেশে রাখা হয়েছিল। উভয় গ্রুপের ডেটা মিলিয়ে দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হবেন, ঠিক কোন কোন কারণে মহাকাশে পরিবর্তন হচ্ছে।
এই গবেষণা মানবজাতির মহাকাশ অনুসন্ধানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ দেবে। ইঁদুরদের এই সাফল্য মানব মহাকাশ যাত্রার পথকে আরও মসৃণ করবে।

মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। চীনের মহাকাশ স্টেশন থেকে প্রায় দুই সপ্তাহের একটি সফল মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরে এল চার ইঁদুর নভোচারী।
এই ইঁদুরগুলো পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে অত্যন্ত মূল্যবান বৈজ্ঞানিক তথ্য।
গত ৩১ অক্টোবর শেনঝো-২১ মহাকাশযানে করে এই ইঁদুরদের মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, মহাকাশের কঠিন পরিবেশে জীবন্ত প্রাণী কীভাবে মানিয়ে নেয়, তা পরীক্ষা করা। সেখানে তাদের সার্বক্ষণিক ভিডিও নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।
বিজ্ঞানীরা জানতে চেয়েছেন, ওজনহীনতা এবং আবদ্ধ পরিবেশ ইঁদুরদের আচরণে কী ধরনের প্রভাব ফেলে।
মহাকাশে দিন-রাতের পার্থক্য না থাকায়, গবেষকরা তাদের আবাসস্থলে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করেছিলেন।
প্রতিদিন সকাল ৭টায় আলো জ্বালানো হতো এবং সন্ধ্যা ৭টায় নিভিয়ে দেওয়া হতো, যাতে করে তাদের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় থাকে। এছাড়া, ভাসমান বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য বিশেষ এয়ারফ্লো সিস্টেমও ছিল।
পৃথিবীতে ফিরে আসার পর বিজ্ঞানীরা এখন এই ইঁদুরদের আচরণগত, শারীরবৃত্তীয় এবং জৈব রাসায়নিক ডেটা বিশ্লেষণ করবেন। একই সময়ে, আরেক দল ইঁদুরকে পৃথিবীতে একইরকম পরিবেশে রাখা হয়েছিল। উভয় গ্রুপের ডেটা মিলিয়ে দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হবেন, ঠিক কোন কোন কারণে মহাকাশে পরিবর্তন হচ্ছে।
এই গবেষণা মানবজাতির মহাকাশ অনুসন্ধানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ দেবে। ইঁদুরদের এই সাফল্য মানব মহাকাশ যাত্রার পথকে আরও মসৃণ করবে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।