
ফরাসি বিপ্লব বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। ১৭৮৯ সালে সংগঠিত এই বিপ্লব আকস্মিক কোনো কারণে ঘটেনি। সেই সময় ফ্রান্সের অর্থনীতি যেভাবে পরিচালিত হচ্ছিল, তার সঙ্গে দেশের জনগণের কোনো যোগ ছিল না। সরকার ছিল গভীর ঋণে জর্জরিত এবং করের হার ছিল অত্যন্ত বেশি। ফ্রান্সের অর্থনীতির এই দুরবস্থার পেছনে

ভিয়েতনামের এই বৃহৎ করপোরেট গোষ্ঠীগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তখন কি হবে? তাদের কীভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে? এই বিষয়টি একদমই অস্পষ্ট।

হয়তো খামেনির সহযোগীরা আবারও দেশপ্রেমের আবেগকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাইছেন, যেমনটি তারা গত জুনের যুদ্ধের সময় করেছিলেন। এবার কী তা কাজে দেবে?

এটা আর শুধু ভেনেজুয়েলা নিয়ে নয়। এটা হলো–কে নিয়ন্ত্রণ করবে বিশ্বের তেলের সমুদ্রপথ ও বাণিজ্য পথ। আর এই মুহূর্তে আমেরিকা বলছে–আমরাই করি, আমরাই করব। গোলটা ওখানেই।

অর্থনৈতিক মন্দা, মুদ্রার দরপতন এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে ইরানে দোকানদার ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। গত ১ জানুয়ারি নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন নিহতের খবরও পাওয়া গেছে।

শেষ হতে যাওয়া বছরটি চীনের জন্য তুলনামূলকভাবে সফল ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র যখন নিজের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ব্যবস্থাকেই দুর্বল করে ফেলছে, তখন চীন তুলনামূলকভাবে সংযত কূটনীতি অবলম্বন করেছে।

মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই শুরু হয়েছে সাধারণ নির্বাচন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটিই দেশটির প্রথম জাতীয় ভোট। সামরিক জান্তা একে নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সূচনার সুযোগ হিসেবে তুলে ধরলেও, জাতিসংঘ, পশ্চিমা দেশ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ বলছে।

বাংলাদেশ এখনও ভারতের কাছে কৌশলগত এবং নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মূলত অবকাঠামো কেন্দ্রিক। যেটি আসলে সংযোগ আর সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে যুক্ত। রাশিয়ার ভূমিকা মূলত সীমিত—শুধু লেনদেনভিত্তিক।

ধনকুবের ইলন মাস্ক বলেছেন, ভবিষ্যতে অর্থ সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা নাও থাকতে পারে। তার মতে, ভবিষ্যতে তার ধারণা ইউনিভার্সেল হাই ইনকাম চালু হলে সঞ্চয় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে।

এই নতুন ব্যবস্থায় সামরিক শক্তি বা অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা থাকলেই কেউ এসে পায়ে পড়বে না। বরং, প্রযুক্তি যখন ছড়িয়ে পড়ছে, আঞ্চলিক শক্তিগুলো যখন নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরছে, তখন ক্ষমতা আর ফলাফল চাপিয়ে দেওয়ার মধ্যে নেই।

ট্রাম্প বৃহস্পতিবার রাতে ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘‘এই অগ্রহণযোগ্য আচরণের কারণে, কানাডার সঙ্গে সব বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করা হলো।’’

ব্রিটেনের পতনও ছিল ধীরে। আমেরিকা অর্থনৈতিকভাবে ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু ডলার পাউন্ডের জায়গা নিতে সময় নেয় আরও কয়েক দশক। এখনও ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে।