চরচা ডেস্ক

দেশের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর এবার সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিল তেহরান।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্যতম শীর্ষ উপদেষ্টা এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেন, “ ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলবে।”
লারিজানি আরও বলেন, ‘‘মার্কিন জনগণের জানা উচিত, ডোনাল্ড ট্রাম্পই এই হঠকারিতা শুরু করেছেন। তাদের উচিত, নিজ দেশের সৈন্যদের নিরাপত্তার কথা ভাবা। ইরানের বিষয়ে আমেরিকার নাক গলানোর অর্থ হলো, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং আমেরিকার স্বার্থ ধ্বংস করা।”
এর আগে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র চুপ করে থাকবে না। তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে ইসরায়েলি মদদপুষ্ট ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে ইরান।
অর্থনৈতিক মন্দা, মুদ্রার দরপতন এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে ইরানে দোকানদার ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন নিহতের খবরও পাওয়া গেছে।
এই আন্দোলনে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটির কয়েকটি প্রদেশে অন্তত ছয় জন নিহত হয়েছেন বলে ইরানি গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এরপর আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর এবার সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিল তেহরান।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্যতম শীর্ষ উপদেষ্টা এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেন, “ ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলবে।”
লারিজানি আরও বলেন, ‘‘মার্কিন জনগণের জানা উচিত, ডোনাল্ড ট্রাম্পই এই হঠকারিতা শুরু করেছেন। তাদের উচিত, নিজ দেশের সৈন্যদের নিরাপত্তার কথা ভাবা। ইরানের বিষয়ে আমেরিকার নাক গলানোর অর্থ হলো, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং আমেরিকার স্বার্থ ধ্বংস করা।”
এর আগে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র চুপ করে থাকবে না। তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে ইসরায়েলি মদদপুষ্ট ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে ইরান।
অর্থনৈতিক মন্দা, মুদ্রার দরপতন এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে ইরানে দোকানদার ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন নিহতের খবরও পাওয়া গেছে।
এই আন্দোলনে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটির কয়েকটি প্রদেশে অন্তত ছয় জন নিহত হয়েছেন বলে ইরানি গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এরপর আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।