
ক্যারিবীয় সাগরে একটি রহস্যময় জলযানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মাদক-সন্ত্রাসী বলে দাবি করেছে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড, তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো একে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে নিন্দা জানিয়েছে।

পাকিস্তানের ভূখণ্ডে হামলা পরিচালনাকারী সন্ত্রাসীদের আফগানিস্তান আশ্রয় দিচ্ছে বলে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, তবে তালেবান সরকার বারবার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

আফগানিস্তানের তিনটি প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। হামলায় ১১টি শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ বুধবার তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এ তথ্য জানান।

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। আজ বুধবার সকালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাবে বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জর্ডানেও মার্কিন বিমান

ইরানের একটি শহর ও একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী। অন্যদিকে, একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে তেহরান।

চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং সমুদ্রপথে মাইন পুঁতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধকালে দেশটিতে গোপনে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। সংশ্লিষ্ট দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা ও দুইজন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। এই ঘটনায় কমপক্ষে ২৫০ জন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।

আফগান তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ পাকিস্তানের দাবি নাকচ করে বলেন, “এই হামলায় মূলত একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও খালি কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

যু*দ্ধের তৃতীয় সপ্তাহেও ইরানের রাজধানী তেহরানে জীবন অনেকটাই স্বাভাবিক। বিমান হামলার মধ্যেও কাজে যাওয়া ও দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বাসিন্দারা। এদিকে খারগ দ্বীপে হামলার পর আরও আঘাতের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন কমান্ডার নিহত হওয়ার পর, মিত্র রাষ্ট্রগুলোতে পশ্চিমা সামরিক ঘাঁটি ও বেসামরিক ভবন লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়া থেকে শুরু করে ড্রোন হামলা এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত বেশ কিছু নাটকীয় ঘটনার জন্ম দিয়েছে।

ইরান জানিয়েছে, তারা এই প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে, সেসব দেশও ইরানের লক্ষ্যবস্তু ছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা এবং উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েন নিশ্চিতভাবেই আমেরিকার এই দুরভিসন্ধির জানান দিচ্ছিল। গতবছর জুনেও ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায় আমেরিকা। তবে এটাই ইরান আমেরিকা সংঘাতের সূত্রপাত নয়। এর এক দীর্ঘ ইতিহাসও রয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যে ইরানের প্রতিশোধ নেওয়ার সক্ষমতা সম্পর্কে কিছু ধারণা পাওয়া গেলেও তাদের এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া বিস্ময়কর। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ইরান এই ধরনের তীব্র হামলার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল।

ঘটনাস্থলে থাকা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, স্কুলে বিমান হামলার ফলে ভবনের ভেতরে থাকা অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।

পাকিস্তান ও তালেবানের মধ্যে বিমান হামলা ও সীমান্ত সংঘর্ষের পর সরাসরি যুদ্ধের ডাক দিয়েছে পাকিস্তান। কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি এখন কেবলই কাগজের দলিল। সামরিক শক্তি বনাম গেরিলা অভিজ্ঞতা—এই সংঘাত কি ছড়িয়ে দেবে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা?

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় আরও অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। গত অক্টোবর ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা।

আমেরিকার সামরিক বাহিনীর হাতে ভেনেজুয়েলার কট্টর সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতি ও আটক বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে। এই অভ্যুত্থান অবৈধ, উসকানিবিহীন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মকভাবে বিপজ্জনক।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে আমেরিকার চালানো সামরিক অভিযানে দেশটির বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্যসহ অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর গাজা সিটির আল-রিমাল এলাকায় একটি পরিবার ইসরায়েলি বিমান হামলার শিকার হয়। হামলায় ওই পরিবারের আনুমানিক ৬০ জন সদস্য নিহত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।