নববর্ষ

অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
নতুন বছর যুদ্ধহীন হোক, মানবতার জয় হোক, পৃথিবীর সব ভালো মানুষগুলো খুব ভালো থাকুন।

দেশে দেশে নববর্ষ, কোথায় কেমন?
সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নববর্ষ পালনের বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় রীতিনীতি নিয়ে এই লেখা। ইরানের নওরোজ উৎসব থেকে শুরু করে স্পেনের মধ্যরাতে ১২টি আঙুর খাওয়ার অদ্ভুত প্রথা, ব্রাজিলের সমুদ্রসৈকতে সাদা পোশাকে ঢেউ ডিঙানো এবং থাইল্যান্ডের সংক্রানে জল উৎসব—সবই উঠে এসেছে এখানে।

পয়লা বৈশাখে পোলাও-বিরিয়ানিও খান
বিরিয়ানির ইতিহাস ঢাকায় খুব বেশি দিনের নয়। ঢাকার এক সময়কার ধনী ঘরের বাসিন্দারা পোলাও খেতেন। নানারকম পোলাও। দুটো দোহাই দেওয়া যাক। প্রথমেই হেকিম হাবিবুর রহমান, যিনি সাতচল্লিশপূর্ব ঢাকার নাগরিক জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রদের একজন।

চারুকলার বর্ণিল শোভাযাত্রায় বৈশাখ বরণ
শোভাযাত্রায় অংশ নেন নানা বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষ। রঙিন মুখোশ, বিশাল মোটিফ এবং লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর ছিল চারুকলা ও আশপাশের সড়কগুলো।

সুরের মূর্ছনায় রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ
ভোরের স্নিগ্ধ আলো যখন রমনার সবুজ প্রকৃতিতে এসে পড়ছিল, ঠিক তখনই চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে যন্ত্রসংগীত আর গানের জাদুতে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে বাংলা নতুন বছরকে।

লন্ডনের বুকে বৈশাখের রং
প্রবাসে থেকেও বাঙালিরা তাদের সংস্কৃতি ভুলে যায় না–লন্ডনের বৈশাখী মেলা তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, এটি একটি আবেগ, একটি পরিচয়, একটি ঐতিহ্য। নতুন প্রজন্ম, পুরনো স্মৃতি, সাংস্কৃতিক চর্চা–সবকিছু মিলিয়ে এটি প্রবাসী বাঙালিদের হৃদয়ের উৎসব।

পান্তা ইলিশে বাঙালিয়ানার আত্মার উদযাপন
পয়লা বৈশাখ এখন শুধু দিন নয়, বাঙালির আত্মার উৎসব। নতুন প্রজন্ম দেশি পোশাক, শাড়ি, ঘুঙুর পরে আনন্দধ্বনির মধ্যে গান গায়–এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। আমেরিকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও বার্তা দেন, স্বীকৃতি দেন, এবং দেশ থেকে দূরে জন্ম নেওয়া বাঙালিরা নিজেদের সংস্কৃতিকে আবারও আবিষ্কার করে।

নববর্ষের ভেতর-বাহির
জাতির মধ্যকার ঐক্য-সংহতি ক্রমাগত বৈষম্য ও বিভাজনের চূড়ান্ত সীমায়। জাতির মধ্যকার সম্প্রীতি যদি না-ই থাকে, তাহলে জাতির উৎসব পালন সর্বজনীন হবে কোন উপায়ে! জাতির মধ্যকার বৈষম্য-বিভাজন এবং ধর্মীয় আচার নির্মূল সম্ভব হলেই বাংলা নববর্ষ যেমন সর্বজনীন হবে, তেমনি হবে বাঙালি জাতির একমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব।
দেশে দেশে নববর্ষ, কোথায় কেমন?
পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিতেই নববর্ষ পালনের রীতি আছে। আছে ভিন্ন সময় আর ভিন্ন রীতিনীতি। এই লেখায় তুলে ধরা হয়েছে নববর্ষের সেইসব ভিন্ন রীতিনীতি।

পয়লা বৈশাখ আমাদের জন্য জরুরি বটে
পয়লা বৈশাখ আমাদের জন্য জরুরি। বাঙালির নতুন বছর বাঙালির জন্য যে নব নব আশা ও সম্ভাবনা বয়ে নিয়ে আসে, তা মোটেই সত্য নয়।
আজ পয়লা বৈশাখ
পুরনো অশুভকে বিদায় দিয়ে নতুন শুভ’র প্রত্যাশায় এল পয়লা বৈশাখ। বাঙালির আবহমান সংস্কৃতির উদযাপনের ভেতর দিয়ে এল নতুন বঙ্গাব্দ ১৪৩৩।

খাজনা থেকে উপহার, কত প্রকার
তখন উপহার বলতে এখনকার মতো দামী জিনিসের চল ছিল না। ক্রেতা যখন পুরনো দেনা শোধ করে দোকানে আসত, তখন দোকানি তাকে আপ্যায়ন করত ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিয়ে।

রমনা পার্কে বিজু উৎসব
পুরনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চাকমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বিজু উৎসব শুরু হয়েছে। রাজধানীর রমনা পার্কের লেকে ফুল ভাসিয়ে উৎসবের শুরু। ভিডিও: মাহিন আরাফাত

পহেলা বৈশাখে থাকছে ঐতিহ্যবাহী ‘শোভাযাত্রা’, রমনায় ছায়ানটের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। উক্ত আয়োজনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নাগরিকত্ব ফিরে পেয়ে কুর্দিদের নওরোজ উদযাপন
সিরিয়ার দামেস্ক ও আফরিনে নেচে-গেয়ে ও অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে ফার্সি নববর্ষ 'নওরোজ' উদযাপন করেছেন কুর্দিরা। প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার ডিক্রির মাধ্যমে নাগরিকত্ব ও ভাষার স্বীকৃতি পাওয়ার পর এটিই তাদের প্রথম উদযাপন। নবজাগরণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও বসন্তের আগমনের এই উৎসবে সিরীয় ও কুর্দি পতাকা হাতে রাস্তায় আ

যুদ্ধের আতঙ্কে ইরানে উৎসবের রং ম্লান
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরানে একই দিন ঈদ ও নববর্ষ
ইরানে ঈদ আগামীকাল শনিবার। আবার একই দিনে পড়েছে নওরোজ বা নববর্ষ। এভাবে দুটি উৎসবের দিন একসঙ্গে পড়াটা খুবই বিরল ঘটনা। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে ইরানিরা কাল কত আনন্দে মেতে উঠতেন। কিন্তু বর্তমানে ইরান তো ইসরায়েল ও আমেরিকার বোমায় বোমায় বিধ্বস্ত।

নতুন বছর ঘিরে বর্ণিল সাজে বেইজিং-সাংহাই
চীনের বেইজিং ও সাংহাই জুড়ে বর্ণিল আয়োজনে শুরু হয়েছে চীনা নববর্ষ, যা ‘বসন্ত উৎসব’ নামেও পরিচিত। ড্রাম, ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স, লাল লণ্ঠন আর আতশবাজিতে মুখর ১৫ দিনের এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব। চীনা রাশিচক্রের ঘোড়ার বছরে শক্তি, গতি ও নতুন সাফল্যের প্রত্যাশায় উদযাপনে মেতেছে বিশ্বজুড়ে চীনা সম্প্রদায়।

নতুন বছর ঘিরে বর্ণিল সাজে বেইজিং-সাংহাই
চীনের বেইজিং ও সাংহাই জুড়ে বর্ণিল আয়োজনে শুরু হয়েছে চীনা নববর্ষ, যা ‘বসন্ত উৎসব’ নামেও পরিচিত। ড্রাম, ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স, লাল লণ্ঠন আর আতশবাজিতে মুখর ১৫ দিনের এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব। চীনা রাশিচক্রের ঘোড়ার বছরে শক্তি, গতি ও নতুন সাফল্যের প্রত্যাশায় উদযাপনে মেতেছে বিশ্বজুড়ে চীনা সম্প্রদায়।

নতুন বছরে ঘরে ফেরার আকুতি গাজাবাসীর
নতুন বছর এলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নেই কোনো উৎসব, আছে শুধু অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতা। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ২০২৬ সালে শান্তি, নিরাপদ জীবন ও নিজ ঘরে ফেরার আকুতি জানাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির পর সহিংসতা কমলেও গাজায় স্বস্তি এখনো অধরা।



