চরচা প্রতিবেদক

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে শোভাযাত্রাটি বের হয়।
চারুকলার ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ঘুরে রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা প্রাঙ্গণে ফেরে।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন নানা বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষ। রঙিন মুখোশ, বিশাল মোটিফ এবং লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর ছিল চারুকলা ও আশপাশের সড়কগুলো।
শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। শোভাযাত্রার সামনে ও পেছনে পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রাখেন।
সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালিদের একটি বড় সাংস্কৃতিক উৎসব। সর্বস্তরের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে অংশ নিতে পারে, সে জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”
ভোরে রমনার বটমূলে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন। সেখানে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার এই আয়োজনে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হয়।
নববর্ষকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে সাম্প্রতিক বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদও উঠে আসে। একই সঙ্গে তারা একটি অসাম্প্রদায়িক, সাংস্কৃতিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা জানান।
আশির দশকে চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা পরবর্তীতে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিতি পায় এবং ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নাম নিয়ে বিতর্কের পর ২০২৫ সালে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। এবার শোভাযাত্রাটি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হলো।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে শোভাযাত্রাটি বের হয়।
চারুকলার ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ঘুরে রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা প্রাঙ্গণে ফেরে।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন নানা বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষ। রঙিন মুখোশ, বিশাল মোটিফ এবং লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর ছিল চারুকলা ও আশপাশের সড়কগুলো।
শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। শোভাযাত্রার সামনে ও পেছনে পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রাখেন।
সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালিদের একটি বড় সাংস্কৃতিক উৎসব। সর্বস্তরের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে অংশ নিতে পারে, সে জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”
ভোরে রমনার বটমূলে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন। সেখানে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার এই আয়োজনে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হয়।
নববর্ষকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে সাম্প্রতিক বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদও উঠে আসে। একই সঙ্গে তারা একটি অসাম্প্রদায়িক, সাংস্কৃতিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা জানান।
আশির দশকে চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা পরবর্তীতে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিতি পায় এবং ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নাম নিয়ে বিতর্কের পর ২০২৫ সালে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। এবার শোভাযাত্রাটি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হলো।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) মাঝপথেই দেশে ফিরছেন নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলাম। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে পেশোয়ার জালমির ম্যাচটি খেলেই বাংলাদেশের উড়োজাহাজ ধরেছেন তারা। তবে তার আগে যা পারফরম্যান্স তাদের, তাতে গর্ব হতেই পারে বাংলাদেশের।